ঘুম থেকে উঠেই মোবাইল দেখছেন, হতে পারে যেসব ক্ষতি

প্রকাশিত: ৭:৪২ পূর্বাহ্ণ, জুন ৬, ২০২৬

ঘুম থেকে উঠেই মোবাইল দেখছেন, হতে পারে যেসব ক্ষতি

ঘুম থেকে উঠেই মোবাইল ঘাঁটা শুরু। এ অভ্যাসকে ‘আপডেটেড’ থাকা বলতে পারেন। কিন্তু চিকিৎসকরা বলছেন, এ অভ্যাসে ক্ষতি হচ্ছে আপনার ব্রেন। ব্যাপক প্রভাব পড়ছে মানসিক স্বাস্থ্যেও। কারণ ঘুম ভাঙার পর মস্তিষ্ক ও স্নায়ুতন্ত্র অত্যন্ত সংবেদনশীল অবস্থায় থাকে। সেগুলো ধীরগতিতে কাজ করে। ওই সময়ে মনোযোগ, আবেগ নিয়ন্ত্রণ কিংবা সিদ্ধান্ত নেওয়ার মতো কাজগুলো ঠিকমতো করা যায় না। ঘুম থেকে ওঠার পর ব্রেন ও নার্ভ অ্যাকটিভ হতে কিছুটা সময় নেয়। ওই মুহূর্তে আপনি যদি মোবাইল ঘাঁটা শুরু করেন, তাহলে মস্তিষ্কের ওপর ব্যাপক চাপ সৃষ্টি হয়। একসঙ্গে একাধিক তথ্য বোঝা বা চিন্তাভাবনা করার জন্য মস্তিষ্ক প্রস্তুত থাকে না। এর জেরে মস্তিষ্কের ওপর অস্বাভাবিক চাপ সৃষ্টি হয় এবং মানসিক ক্লান্তি তৈরি হয়।

বিছানায় একটা বালিশ কম থাকলেও চলবে। কিন্তু ঘুমোনোর সময়ে পাশে মোবাইল থাকা চাই।—এমন অভ্যাস পরিত্যাগ করতে হবে। কারণ আজকাল আর কেউ অ্যালার্ম দেওয়া ঘড়ি ব্যবহার করে না। মোবাইলেই সেট করা থাকে অ্যালার্ম। সেটি বাজা মাত্র ঘুমচোখে হাতড়াতে থাকেন মোবাইল ফোন। চোখ কচলাতে কচলাতে আঙুল ঠেকান স্মার্টফোনের স্কিনে। সারারাত ধরে জমা হওয়া নোটিফিকেশন ও মেসেজ দেখে দিন শুরু করেন। এ অভ্যাসকে ‘আপডেটেড’ থাকা বলতে পারেন। কিন্তু চিকিৎসকরা বলছেন, এ অভ্যাসে ক্ষতি হচ্ছে আপনার মস্তিষ্ক। ব্যাপক প্রভাব পড়ছে আপনার স্বাস্থ্যে।

ঘুম থেকে উঠেই মোবাইল ঘাঁটা শুরু। এ অভ্যাসকে ‘আপডেটেড’ থাকা বলতে পারেন। কিন্তু চিকিৎসকরা বলছেন, এ অভ্যাসে ক্ষতি হচ্ছে আপনার ব্রেন। ব্যাপক প্রভাব পড়ছে মানসিক স্বাস্থ্যেও। কারণ ঘুম ভাঙার পর মস্তিষ্ক ও স্নায়ুতন্ত্র অত্যন্ত সংবেদনশীল অবস্থায় থাকে। সেগুলো ধীরগতিতে কাজ করে। ওই সময়ে মনোযোগ, আবেগ নিয়ন্ত্রণ কিংবা সিদ্ধান্ত নেওয়ার মতো কাজগুলো ঠিকমতো করা যায় না।

ঘুম থেকে ওঠার পর ব্রেন ও নার্ভ অ্যাকটিভ হতে কিছুটা সময় নেয়। ওই মুহূর্তে আপনি যদি মোবাইল ঘাঁটা শুরু করেন, তাহলে মস্তিষ্কের ওপর ব্যাপক চাপ সৃষ্টি হয়। একসঙ্গে একাধিক তথ্য বোঝা বা চিন্তাভাবনা করার জন্য মস্তিষ্ক প্রস্তুত থাকে না। এর জেরে মস্তিষ্কের ওপর অস্বাভাবিক চাপ সৃষ্টি হয় এবং মানসিক ক্লান্তি তৈরি হয়।

বিছানায় একটা বালিশ কম থাকলেও চলবে। কিন্তু ঘুমোনোর সময়ে পাশে মোবাইল থাকা চাই।—এমন অভ্যাস পরিত্যাগ করতে হবে। কারণ আজকাল আর কেউ অ্যালার্ম দেওয়া ঘড়ি ব্যবহার করে না। মোবাইলেই সেট করা থাকে অ্যালার্ম। সেটি বাজা মাত্র ঘুমচোখে হাতড়াতে থাকেন মোবাইল ফোন। চোখ কচলাতে কচলাতে আঙুল ঠেকান স্মার্টফোনের স্কিনে। সারারাত ধরে জমা হওয়া নোটিফিকেশন ও মেসেজ দেখে দিন শুরু করেন। এ অভ্যাসকে ‘আপডেটেড’ থাকা বলতে পারেন। কিন্তু চিকিৎসকরা বলছেন, এ অভ্যাসে ক্ষতি হচ্ছে আপনার মস্তিষ্ক। ব্যাপক প্রভাব পড়ছে আপনার স্বাস্থ্যে।

Advertisement

সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর স্বাভাবিকভাবেই আপনার শরীরে কর্টিসল (স্ট্রেস হরমোন) লেভেল বেশি থাকে। এ হরমোন জেগে উঠতে সাহায্য করে। আপনি যখন ঘুম ভাঙা চোখে মোবাইল চেক করেন, তখন এ হরমোনের মাত্রা আরও বেড়ে যায়।

মানসিক চাপ তৈরি করে এমন সামাজিক মাধ্যমের পোস্ট ও মেসেজের জেরে কর্টিসলের ক্ষরণ আরও বেড়ে যায়। এর জেরে অ্যাংজাইটি ও স্ট্রেস বাড়ে এবং স্নায়ুতন্ত্র উত্তেজিত হয়ে পড়ে। এর পাশাপাশি এ ধরনের অভ্যাস তৈরি হয়, যা ক্রনিক স্ট্রেসের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ করতে হলে এ অভ্যাস ত্যাগ করা উচিত।

দিনের শুরুটাই যদি মানসিক চাপে ভরপুর হয়, তখন স্বাভাবিকভাবেই গোটা দিনটা বিগড়ে যায়। মনোযোগ নষ্ট হয়। দিনভর মানসিক ক্লান্তি কাজ করে। সারা দিন মেজাজ খিটখিটে হয়ে থাকে। এগুলো লক্ষণগুলো অনেকেই বুঝতে পারেন না এবং এর জেরে ক্রনিক ডিপ্রেশন তৈরি হয়। এই স্ট্রেসের পাশাপাশি আরও পারিপার্শ্বিক চাপ থাকে। সব মিলিয়েই মানসিক স্বাস্থ্যের ব্যাপক ক্ষতি করে।

ঘুম থেকে উঠে মোবাইলে হাত নয়। অ্যালার্মের জন্য ঘড়ি ব্যবহার করাই ভালো। ঘুম থেকে ওঠার অন্তত ২০-৩০ মিনিট পর মোবাইলে হাত দিন। মস্তিষ্ককে সক্রিয় হওয়ার সময় টুকু দিন।

এই সংবাদটি 46 বার পঠিত হয়েছে