যেসব খাবার ও অভ্যাস কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি বাড়ায়

প্রকাশিত: ১১:২২ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ১৮, ২০২৫

যেসব খাবার ও অভ্যাস কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি বাড়ায়

বর্তমানে কিডনিতে পাথর জমার সমস্যা অনেকের মধ্যেই দেখা যাচ্ছে। অনেক সময় অজান্তেই আমাদের কিছু ভুল খাদ্যাভ্যাস ও জীবনধারা এই সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। বিশেষ করে যাদের পারিবারিকভাবে কিডনিতে পাথরের ইতিহাস আছে, তাদের আরও সতর্ক থাকা প্রয়োজন।
চলুন জেনে নিই কোন কোন অভ্যাস ও খাবার কিডনিতে পাথরের ঝুঁকি বাড়াতে পারে—

পানি কম পান করা

শরীরে পানির ঘাটতি হলে ডিহাইড্রেশন হয়, যা কিডনিতে পাথর জমার অন্যতম প্রধান কারণ। তবে খুব বেশি পানি পান করাও কিডনির ওপর চাপ ফেলতে পারে। তাই প্রতিদিন সঠিক পরিমাণে পানি পান করাই স্বাস্থ্যকর অভ্যাস।

অতিরিক্ত প্রোটিনজাত খাবার খাওয়া

প্রতিদিন বেশি পরিমাণে প্রাণিজ প্রোটিন, যেমন—গরুর মাংস, খাসির মাংস কিংবা সামুদ্রিক মাছ খাওয়ার অভ্যাস ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বাড়ায়। এতে কিডনিতে পাথর তৈরি হওয়ার আশঙ্কা অনেক বেড়ে যায়।

কোল্ড ড্রিংকস বা সোডা পান করা

নিয়মিত কোল্ড ড্রিংকস বা ডায়েট সোডা পান করলে শরীরে চিনি ও রাসায়নিক পদার্থের মাত্রা বেড়ে যায়, যা কিডনির কার্যক্ষমতায় প্রভাব ফেলে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই অভ্যাস কিডনিতে পাথর গঠনের আশঙ্কা তৈরি করে।

কাঁচা লবণ খাওয়ার অভ্যাস

অনেকেরই ভাত বা অন্যান্য খাবারের সঙ্গে আলাদা করে কাঁচা লবণ খাওয়ার অভ্যাস রয়েছে। কিন্তু অতিরিক্ত সোডিয়াম শরীরে ক্যালসিয়াম জমিয়ে কিডনিতে পাথরের জন্ম দিতে পারে। তাই এই অভ্যাস ত্যাগ করা জরুরি।

নিজে থেকে ক্যালসিয়াম সাপ্লিমেন্ট খাওয়া

বিনা পরামর্শে ক্যালসিয়াম ট্যাবলেট খেলে তা কিডনিতে জমে পাথর তৈরি করতে পারে, বিশেষ করে যদি শরীরে পানির ঘাটতি থাকে। তাই ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কখনোই ক্যালসিয়াম বা অন্য কোনো সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করা উচিত নয়।

এসব অভ্যাস থেকে নিজেকে দূরে রাখলে কিডনিকে সুস্থ রাখা অনেক সহজ হয়ে যায়। সচেতন থাকুন, সুস্থ থাকুন।

এই সংবাদটি 398 বার পঠিত হয়েছে