রিংগিং ক্যাম্প শেষ-পাখি শুমারি শুরু হাকালুকি হাওরে এবার ফেরৎ এসেছে ৩০টি রিং লাগানো পাখি

প্রকাশিত: ১২:১৬ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২৬, ২০১৬

রিংগিং ক্যাম্প শেষ-পাখি শুমারি শুরু হাকালুকি হাওরে এবার ফেরৎ এসেছে ৩০টি রিং লাগানো পাখি

এম. মছব্বির আলী: দেশের বৃহত্তম হাওর হাকালুকিতে ২৫ জানুয়ারী সোমবার থেকে শুরু হয়েছে দু’দিনব্যাপী জলচর পাখি শুমারি। এদিকে রোববার ৬ দিনব্যাপি পাখির পায়ে রিং লাগানো (রিংগিং ক্যাম্প) শেষ হয়েছে। গত বছর রিং লাগানো ৩০টি পাখি হাকালুকিতে ফিরে এসেছে বলে জানান রিংগিং ক্যাম্পে অংশগ্রহণ কারিরা। বাংলাদেশ বার্ড ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা ইনাম আল হক, তাঁর ক্লাবের সদস্য এবং দেশী বিদেশী পাখি বিশেষজ্ঞবৃন্দ ২৫ ও ২৬ জানুয়ারি দু’দিনের পাখিশুমারিতে অংশগ্রহণ করছেন। বাংলাদেশ বার্ড ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা ইনাম আল হক, প্রতি বছরের ন্যায় এবারও দু’দিনব্যাপি হাকালুকি হাওরে জলচর পাখি শুমারি অনুষ্ঠিত হচ্ছে। পুরো হাকালুকি হাওরকে ৪ ভাগে ভাগ করে তার দুটি ভাগে প্রথম দিন (যুধিষ্টিপুর ও হাল্লা পথে) এবং দ্বিতীয় দিন পরবর্তী দুটি ভাগে (কালনীগড় ও কাংলী পথে) যেসব বিল রয়েছে সেগুলোতে শুমারি করা হবে। তিনি আরও জানান, হাকালুকি হাওরের সাথে একযোগে সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়ার হাওরেও পাখি শুমারির কাজ চলছে। এর আগে উপকূলীয় অঞ্চলে পাখি শুমারি শেষ করে এসেছেন। সেখানে ৭৪ প্রজাতির ৩১ হাজার পাখি গণনা করা হয়েছে। এরমধ্যে পরিযায়ি পাখি ৫৭ প্রজাতি এবং দেশীয় ১৭ প্রজাতির পাখি রয়েছে। এদিকে পাখি শুমারি শুরু হওয়ার আগে ১৭ জানুয়ারি থেকে ২৩ জানুয়ারি পর্যন্ত ৬ দিনব্যাপি পর্যন্ত হাকালুকি হাওরে আসা পরিযায়ি পাখিদের পায়ে রিং লাগানো হয়। এবার ১৫ প্রজাতির সাড়ে ৩শ পরিযায়ি পাখির পায়ে রিং লাগানো হয়। গত বছর অর্থাৎ ২০১৫ সালে ৩৩ প্রজাতির ৩৭০টি পরিযায়ি পাখির পায়ে রিং লাগানো হয়েছিল। এবার ক্যাম্প চলাকালে গত বছরের রিং লাগানো ৩০ টি পাখি পাওয়া গেছে। যারা সাইবেরিয়া অঞ্চল থেকে ফেরৎ এসেছে বলে বাংলাদেশ বার্ড ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা ইনাম আল হক জানান। তিনি আরও জানান, এবার ক্যাম্প চলাকালে বিরল প্রজাতির ঝাড়ফুঁটকি (বুশ ওয়ারব্লেয়ার) পাখির সন্ধান পাওয়া গেছে। উল্লেখ্য, দেশের যেসকল স্থানে অতিথি পাখি সমাগম ঘটে হাকালুকি হাওর তাদের অন্যতম। দু’দিনব্যাপী পাখি শুমারিতে আর্থিক সহায়তা করছে ইউএসএআইডি’র ক্রেল প্রকল্প।

এই সংবাদটি 668 বার পঠিত হয়েছে

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ