বড়লেখা-জুড়ীতে রাস্তা ও জনকল্যাণমূলক কাজে এমপি ব্যারিস্টার জহরত আদিব চৌধুরীর বিশেষ অনুদান

প্রকাশিত: ২:৫১ অপরাহ্ণ, জুন ১৯, ২০২৬

বড়লেখা-জুড়ীতে রাস্তা ও জনকল্যাণমূলক কাজে এমপি ব্যারিস্টার জহরত আদিব চৌধুরীর বিশেষ অনুদান

বড়লেখা প্রতিনিধি: মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলার বিভিন্ন রাস্তা, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও জনকল্যাণমূলক অবকাঠামো উন্নয়ন কাজে বিশেষ অনুদান প্রদান করেছেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার জহরত আদিব চৌধুরী।

প্রস্তাবিত বরাদ্দ অনুযায়ী বড়লেখা উপজেলায় কবিখা-কাবিটা খাতে ১৯ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা, চাল ৬ মেট্রিক টন, গম ৭ মেট্রিক টন এবং টিআর (নগদ) খাতে ২৬ লক্ষ টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। এছাড়া জুড়ী উপজেলায় কবিখা-কাবিটা খাতে ১০ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা, চাল ৪ মেট্রিক টন, গম ৫ মেট্রিক টন এবং টিআর (নগদ) খাতে ১৪ লক্ষ টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে।

এই বরাদ্দের আওতায় দুই উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, মন্দির, শ্মশানঘাটসহ জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট উন্নয়নমূলক কাজ বাস্তবায়ন করা হবে। স্থানীয় জনগণের দীর্ঘদিনের দাবি ও প্রয়োজনের কথা বিবেচনায় নিয়ে এসব প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

এরই অংশ হিসেবে বড়লেখা উপজেলার দক্ষিণভাগ দক্ষিণ ইউনিয়নের গজভাগ গ্রামের একটি গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার ইটসলিং কাজের জন্য বিশেষ বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে। ইতোমধ্যে প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়ন করা হয়েছে এবং কিছু কাজ চলমান রয়েছে। রাস্তার মোট দৈর্ঘ্য ও কাজের পরিমাণ অনুমোদিত প্রকল্প নথি অনুযায়ী নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রকল্পের অর্থ কাবিখা/কাবিটা (নগদ) অথবা টিআর (নগদ) তহবিল থেকে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে রাস্তাটির বেহাল অবস্থার কারণে সাধারণ মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হতো। বিশেষ করে বর্ষাকালে চলাচল প্রায় অচল হয়ে পড়ত। বর্তমানে উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়নের ফলে এলাকাবাসীর যাতায়াত সহজ হবে এবং যোগাযোগ ব্যবস্থার উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন ঘটবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।

সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার জহরত আদিব চৌধুরী বলেন, “জনগণের কল্যাণ ও এলাকার সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য। বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলার প্রতিটি অঞ্চলে সমান উন্নয়ন পৌঁছে দিতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। সকলের সহযোগিতা থাকলে উন্নয়নের এই ধারা অব্যাহত থাকবে।”

তিনি আরও বলেন, খুব শীঘ্রই এসব উন্নয়নমূলক কাজের বাস্তব সুফল সাধারণ মানুষ ভোগ করতে পারবেন এবং এলাকার যোগাযোগ ও জনসেবামূলক অবকাঠামো আরও সমৃদ্ধ হবে।

এই সংবাদটি 44 বার পঠিত হয়েছে

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ