এক যুগ পর বড়লেখা উপজেলা আ’লীগের কাউন্সিল ঘিরে প্রাণচাঞ্চল্য

প্রকাশিত: ১১:১৮ পূর্বাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১০, ২০১৬

বিশেষ প্রতিনিধি : বড়লেখায় প্রায় এক যুগ পর আগামী ১২ ফেব্র“য়ারী অনুষ্ঠিত হচ্ছে শাসক দল আওয়ামীলীগের কাউন্সিল। কাউন্সিলকে ঘিরে তৃণমুল আওয়ামী লীগে প্রাণচাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে। সভাপতি পদ প্রত্যাশী কোন প্রার্থী নাম প্রকাশ না করলেও সাধারন সম্পাদক পদে একাধিক প্রার্থী সংশ্লিষ্ট মহলে প্রকাশ্যে ও গোপনে লবিং চালিয়ে যাচ্ছেন।
আওয়ামী লীগ দলীয় সুত্রে জানা গেছে, ২০০৪ সালের ৩১ মার্চ সিংহগ্রাম সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় হলরুমে উপজেলা আওয়ামীলীগের সর্বশেষ কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত কাউন্সিলের প্রধান অতিথি তৎকালিন জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি প্রয়াত সমাজকল্যাণ মন্ত্রী সৈয়দ মহসীন আলীর উপস্থিতিতে বতর্মান জাতীয় সংসদের হুইপ শাহাব উদ্দিন এমপি সভাপতি, ডাঃ প্রণয় কুমার দে সাধারন সম্পাদক, আনোয়ার উদ্দিন ও একেএম হেলাল উদ্দিন যুগ্ন সাধারন সম্পাদক এবং আব্দুল লতিফ সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হন। এরপর দীর্ঘ এক যুগ অতিবাহিত হলেও উপজেলা আওয়ামীলীগের আর কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়নি। সম্প্রতি উপজেলা আওয়ামীলীগের কার্যকরী কমিটি গঠনের লক্ষ্যে কাউন্সিলের তোড়জোড় শুরু হলে নেতাকর্মীর মধ্যে উৎসাহ উদ্দীপনা দেখা দেয়। অনেকেই পদ পদবী পেতে গোপনে ও প্রকাশ্যে লবিং শুরু করেন। বিশেষ করে সাধারন সম্পাদক পদে উপজেলা আওয়ামীলীগের তিন নেতা তৃণমুলের কাউন্সিলরদের এবং জেলা নেতৃবৃন্দের সমর্থন আদায়ের চেষ্টা চালাচ্ছেন। এরা হলেন বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম সুন্দর, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা সিরাজ উদ্দিন, উপজেলা আ’লীগের বর্তমান যুগ্ম সাধারন সম্পাদক আনোয়ার উদ্দিন। যুগ্ম সম্পাদক পদে আব্দুস সাত্তার ও সাংগঠনিক সম্পাদক পদে তালিমপুর ইউপি চেয়ারম্যান সুনাম উদ্দিন সুনাই বন্ধু জোর লবিং চালাচ্ছেন।
১২ ফেব্র“য়ারী উপজেলা আওয়ামী লীগের কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হওয়ার সত্যতা স্বীকার করে যুগ্ম সাধারন সম্পাদক আনোয়ার উদ্দিন জানান, উপজেলা আ’লীগের সাধারন সম্পাদক ডাঃ প্রণয় কুমার দে অসুস্থ থাকায় দীর্ঘদিন ধরে তিনি ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন। তাই পুর্ণাঙ্গ দায়িত্ব পালন করতে আমি সাধারন সম্পাদক প্রার্থী হয়েছি।

এই সংবাদটি 659 বার পঠিত হয়েছে

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ