ঢাকা |
প্রকাশিত: ১:৫৩ অপরাহ্ণ, মার্চ ১৫, ২০১৬
আমেরিকান গ্রিন কার্ডধারী এক সোহানী আক্তারের কাহিনী এখন বিয়ানীবাজারের “টক অব দ্যা টাউন”। এক নারীর দুই স্বামীকেনিয়ে চলছে নানা আলোচনা।এক স্বামীকে তালাক না দিয়ে অন্য ব্যক্তিকে নিয়ে ঘর সংসারের ঘটনা এলাকার লোকজনকে ভাবিয়ে তুলেছে। সোহানীর আমেরিকান প্রবাসী স্বামী তার কন্যা সন্তানসহ স্ত্রীকে ফিরে পেতে দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন। স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করেও আমেরিকা প্রবাসী স্বামী কোন সুরাহা পাচ্ছেন না। বরং তাকে ও তার পরিবারকে নানা ভাবে হয়রানীর হুমকী দেয়া হচ্ছে বলে
অভিযোগ পাওয়া গেছে। সোহানীর মা-বাবা মেয়ের কু- কর্মের জন্য বাড়ী থেকে বের হতে লজ্জাবোধ করছেন।বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, গোলাপগঞ্জ উপজেলার মরকুমাবাদ এলাকার আছদ্দর আলী পুত্র আমেরিকা প্রবাসী আব্দুল আনাম ইসলামী শরিয়ত মোতাবেক বিয়ানীবাজার উপজেলার মুল্লাপুর
ইউনিয়নের পাতন গ্রামের ছমির উদ্দিনের কন্যা সোহানী আক্তারকে ২০১১ ইংরেজি সনের ১১ মার্চ ৫ লক্ষ টাকা দেন মোহর স্বায়বস্থ্য করে বিয়ে করেন। যা বিয়ানীবাজার পৌরসভা কাজী অফিসে রেজিষ্ট্রি হয়। বিয়ের পর স্বামীর আবেদনে সোহানী অল্প দিনের মধ্যেই আমেরিকা চলে যান।
সেখানে তাদের সংসার ভালোই চলছিল। কিছু দিনের মধ্যে তাদের কোল জুড়ে একটি ফুট ফুটে কন্যা সন্তান আসে।এরই মধ্যে ফেসবুকের মাধ্যমে পরিচয় ঘটে পাতন এলাকার আশফাক মাহমুদ নামক এক যুবকের সাথে। আশফাক ফেসবুকে তাকে নানা ভাবে প্রভাবিত করে সোহানীর সাথে সখ্যতা গড়ে তুলে।এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে ফোনালাপ চলতে থাকে। বেকার আশফাক সোহানীকে নানা ভাবে প্ররোচনা দিতে থাকে। ঘন্টার পর
ঘন্টা ফোনালাপের বিষয়টি সোহানীর স্বামী আনামের নজরে আসলে সোহানী স্বামীকে নানা ভাবে ম্যানেজ করলেও এক পর্যায়ে স্বামীর নজরে পড়ে স্ত্রীর প্রেমের। তিনি স্ত্রীকে বার বার এ থেকে বিরত থাকার জন্য বলেন। এ নিয়ে উভয়ের মধ্যে মনোমালিন্য ও দেখা দেয়। সোহানীর নিকটাত্মীয়রা জানিয়েছেন, সোহানীর স্বামীর কাছ থেকে বিষয়টি শুনে তারা সোহানীকে আশফাক মাহমুদের খপ্পর থেকে সরে যাওয়ার অনুরোধ করেন। পরিবারের সকলকে এবং স্বামীকে সে জানায়, সে ভালো হয়ে গেছে।আশফাকের সাথে তার কোন সম্পর্ক নেই। স্বামী স্ত্রী হিসেবে আনাম সোহানী আবারো সুন্দর ভাবে চলতে থাকেন। হঠাৎ সোহানী বাড়ী আসার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করলে স্বামী আনাম তাকে সকল ধরণের
খরচপাতি করে বিমানে উঠিয়ে শশুড় শাশুড়িকে ফোনে স্ত্রী বাড়ী যাচ্ছে খবর দিয়ে ঢাকা থেকে তাকে রিসিভ করার অনুরোধ করেন।
কথামতো সোহানীর মা বাবা ১৩/০১/২০১৬ইং তারিখে ঢাকা হযরত শাহজালাল বিমান বন্দর থেকে তাকে আনতে যান।যথা
সময়ে বিমানের ফ্লাইট নামে সোহানীও ঢাকায় পৌছে। বিমান বন্দরের সকল কার্যক্রম শেষ করে সোহানী
মেয়েসহ বিমান বন্দরের ভেতর থেকে বের হয়ে মা বাবার সাথে দেখা করার এক পর্যায়ে আশফাক কয়েক যুবক নিয়ে সোহানীর সামনে হাজির হয়। সোহানী এ সময় মা বাবার কাছ থেকে বিদায় নিয়ে আশফাকের হাত ধরে চলে যায়।
মেয়ের এই অবস্থায় মা বাবা বিমান বন্দরেই জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ওই দিন সন্ধ্যায় আশফাক সোহানীকে নিয়ে কার যোগে বিয়ানীবাজার পৌছে স্থানীয় আমির কমপ্লেক্স নামক একটি
কমিউনিটি সেন্টারে নিয়ে যান। সেখানে তার রাখা কয়েকজন লোক নিয়ে এবং একজন বিবাহ রেজিষ্টারের মাধ্যমে সোহানী আশফাক বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন।
খবর সংবাদদাতার
রেজিঃ নং চ-৭৩৫
সম্পাদক ও প্রকাশক: এম.ফয়জুল হক শিমুল
সহ: সম্পাদক : হাবিবুর রহমান সুলতান
সহ: সম্পাদক : নুরুল হক মাসুদ
সম্পাদক ও প্রকাশক কর্তৃক নিউ বর্ণমালা অফসেট প্রিন্টিং প্রেস, রাজা ম্যানশন জিন্দাবাজার, সিলেট থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত।

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: * সি-৮/৩০ বনশ্রী ঢাকা।
সিলেট অফিস: কমন মার্কেট (৫ম তলা ) বন্দর বাজার, সিলেট।
বিয়ানীবাজার অফিস: ছফর কমপ্লেক্স, দক্ষিণ বিয়ানীবাজার, সিলেট।
যোগাযোগ মোবাইলঃ +88-01713813124
ই-মেইল ॥ somoychitro@gmail.com
বড়লেখা অফিস: নেহার মার্কেট, ( ২য় তলা), বড়লেখা, মৌলভীবাজার।