কোম্পানীগঞ্জে মামলা করায় বাদীর ছেলেকে কুপিয়ে জখম, এক সপ্তাহেও ধরা পড়েনি আসামিরা

প্রকাশিত: ৯:৩৬ অপরাহ্ণ, জুন ৫, ২০২৬

কোম্পানীগঞ্জে মামলা করায় বাদীর ছেলেকে কুপিয়ে জখম, এক সপ্তাহেও ধরা পড়েনি আসামিরা

কোম্পানীগঞ্জ (সিলেট) প্রতিনিধি:
সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় মারামারির ঘটনায় থানায় মামলা করার জেরে বাদীর ছেলেকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগ উঠেছে। গত ৩০ মে উপজেলার ভোলাগঞ্জের ‘তিনতলা’ এলাকায় হোসেন মিয়াকে কুপিয়ে আহত করা হয় বলে অভিযোগ করেছেন তার স্বজনরা। এ ঘটনায় জিলানী, ইয়াহিয়াসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। গুরুতর আহত হোসেন মিয়া বর্তমানে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ঘটনার এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।
এ ঘটনায় হোসেন মিয়ার পিতা মঙ্গল মিয়া বাদী হয়ে ৬ জনের নাম উল্লেখ করে কোম্পানীগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।
মামলার এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২০ মে ভোলাগঞ্জ পর্যটন বাজারে গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় ভোলাগঞ্জের রুস্তমপুর গ্রামের মঙ্গল মিয়া বাদী হয়ে জিলানী, ইয়াহিয়া ও তাদের ভাইদের আসামি করে কোম্পানীগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার পর থেকেই আসামিরা বাদীপক্ষকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, গত ৩০ মে সন্ধ্যায় হোসেন মিয়াকে ‘তিনতলা’ এলাকায় পেয়ে আসামিরা তার ওপর হামলা চালায়। মামলার বিবরণে উল্লেখ করা হয়েছে, ইয়াহিয়া ও জিলানীর নেতৃত্বে কয়েকজন ব্যক্তি চারটি নম্বরবিহীন মোটরসাইকেলে করে ঘটনাস্থলে আসে। তাদের মাথায় ক্যাপ, চোখে কালো চশমা এবং গায়ে পুলিশের পোশাকসদৃশ জ্যাকেট ছিল। তারা শহীদ মার্কেটের সামনে বাঁশি বাজিয়ে এবং পিস্তল ও এয়ারগান প্রদর্শন করে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করে।
একপর্যায়ে তারা হোসেন মিয়াকে মারধর করলে তিনি দৌড়ে শহীদ মার্কেটের পেছনের দিকে যাওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু হামলাকারীরা তাকে চারদিক থেকে ঘিরে ফেলে কাদার মধ্যে ফেলে দেয় এবং রামদা, ছুরি ও আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে আক্রমণ করে। হামলায় তার বাম হাতের হাড়সহ গভীর ক্ষত সৃষ্টি হয়। এছাড়া ঘাড় ও পাঁজরেও গুরুতর জখম হন তিনি। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন।
বর্তমানে হোসেন মিয়া হাসপাতালে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে তার পরিবার জানিয়েছে।
এ বিষয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কোম্পানীগঞ্জ থানার এসআই ওলী উল্লাহ বলেন, “আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান পরিচালনা করছে। আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”

এই সংবাদটি 100 বার পঠিত হয়েছে

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ