ঢাকা |
প্রকাশিত: ২:০৫ পূর্বাহ্ণ, ডিসেম্বর ১৭, ২০১৫
কুশিয়ারার ভাঙ্গা ডাইক দিয়ে এখনও পানি ঢুকছে
বৈরাগীবাজারের কয়েকটি গ্রামের বীজ তলা
ক্ষেতের জমি পানির নীচে
আজিজ ইবনে গণিক্স এ বন্যায় কুশিয়ারার ডাইক ভেঙ্গে প্রবল তোড়ে পানি ঢুকে বিয়ানীবাজারের বৈরাগীবাজারসহ কয়েকটি গ্রাম পানির নীচে নিমজ্জিত ছিল। এখনও ভাঙ্গা ডাইক দিয়ে প্রবল তোড়ে পানি ঢুকে ক্ষেতের ব্যাপক ক্ষতি সাধন করছে। বন্যা দূর্গত অত্র এলাকার মানুষ ও গবাদি পশুর কষ্টের যেন শেষ নেই।
সরজমিন ঘুরে দেখা যায়, বৈরাগীবাজারের আঙ্গারজুর গ্রামের কুশিয়ারার বাঁধটি পানির তোড়ে তিনটি অংশে ভেঙ্গে যায়। গ্রামের মানুষ প্রথমে বাঁধটি মেরামতের চেষ্টা করলেও প্রবল বেগে পানির প্রবেশাধিকারে বাঁধের সরঞ্জাম ভেসে নিয়ে যায়। যার কারণে আঙ্গারজুর গ্রামের ফসলী জমিসহ বাড়ি-ঘর পানিতে ডুবে যায়। মানুষ উপায়ান্তর না দেখে ঘর-বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নেয়। দীর্ঘ দিন ধরে এ এলাকায় মেম্বার কুতুব উদ্দিন প্রবাসে থাকার কারণে ডাইকের মেরামত সহ অন্যান্য সরকারী উন্নয়ন কর্ম থেকে গ্রামটি বঞ্চিত। পুর্বেই যদি ডাইকটির মেরামত কাজ করা হত তবে আজ পানির তোড়ে ডাইকটি এতো সহজে ভেসে যেতো না। গ্রামের প্রতিটি বাড়ির পুকুরে মৎস্য চাষ হতো। প্রায় ৪০ লাখ টাকার মাছ পানিতে ভেসে গেছে বলে জানা যায়। আঙ্গারজুর গ্রামের জামিল আহমদ জানান, ক্ষেতের জমি, বাড়ি-ঘর কিছুই আর রক্ষা করা গেল না। ডাইকটির জীর্ণদশা দীর্ঘদিন ধরে। নদী ভাঙ্গনেরও শিকার। আমাদের ওয়ার্ডে কোন মেম্বার না থাকার কারণে আমাদের কষ্টের শেষ নেই। এ বন্যায় আমার খামার থেকে প্রায় ২০ লাখ টাকার মাছ বেরিয়ে গেছে। শীঘ্রই ডাইকটি মেরামত করা না হলে আমাদের আরো ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হবে।
কৃষক মনসুর দুলাল বলেন, ৪ কেদার জমি চাষ করেছি, প্রায় খরচ গেছে ৩ হাজার টাকা। কিন্তু জমি পানির নীচে তলিয়ে গেছে। একটাকারও কোন ফায়দা হবে না। এ বন্যায় আমার আরো ক্ষেতের জমিন পানির নীচে আছে। কৃষিকার্ডও পেয়েছি, কিন্তু সরকারী কোন সহযোগিতা এখনও পাইনি।
টানা বর্ষণ আর পাহাড়ি ঢলের এ পানির নীচে তলিয়ে গেছে বৈরাগীবাজারের খশির আব্দুল্লাহপুর, খশির নামনগর, সাজি পাড়া, মালার গ্রাম, মোকাম বাড়ি, হাতিটিল্লা, কিয়াচারা, মুড়ির পার সহ বেশ কিছু গ্রামের বেশ কিছু ক্ষেতের জমিন। এদিকে বিয়ানীবাজারের একমাত্র বৃহত্তম ব্যবসা কেন্দ্র বৈরাগীবাজার কুশিয়ারার পাড়ে অবস্থিত কিন্তু কুশিয়ারার পানির তোড় থেকে রক্ষা কল্পে কোন ডাইক নেই। যার কারণে বাজারটির মাছ হাঁটি, তরকারী হাঁটি, পান হাঁটিসহ বাজারের অন্যান্য স্থান প্রতি বছরই পানিতে তলিয়ে যায়। এ বন্যায় অনেক দোকান ঘরের ভিতরে পানি ছিল। ফলে বাজারটির প্রতিদিনকার হাঁট আর নির্দিষ্ট জায়গায় বসে নি। জেটিঘাট, বেবিষ্ট্যান্ড, মেইন রোডে হাঁট বসতো। আঙ্গারজুর এলাকার এ ডাইকটি ভাঙ্গার কারণে সিলেট-বিয়ানীবাজার সড়কের খশির আব্দুল্লাহপুর ত্রিমুখী ও চেংড়িপুলের নীচের অংশটুকু পানিতে ডুবে গেলে মানুষের দূর্ভোগের শেষ ছিল না। ফলে জেলা শহর বা অন্যান্য এলাকায় যাতায়াতে দারুণ বিঘœ ঘটেছিল। যাত্রীদের নির্দিষ্ট ভাড়ার দ্বিগুণ তিনগুণ পরিশোধ করে তবেই চলাচল করতে হয়েছিল। কিন্তু বন্যা চলে গেলেও এখনও ডাইক দিয়ে পানি ঢুকছে। ডাইকটি মেরামত করার কোন পরিকল্পনা এখনও নেই কর্তৃপক্ষের।
কুশিয়ারার ভাঙ্গা ডাইক দিয়ে এখনও পানি ঢুকছে
বৈরাগীবাজারের কয়েকটি গ্রামের বীজ তলা
ক্ষেতের জমি পানির নীচে
আজিজ ইবনে গণিক্স এ বন্যায় কুশিয়ারার ডাইক ভেঙ্গে প্রবল তোড়ে পানি ঢুকে বিয়ানীবাজারের বৈরাগীবাজারসহ কয়েকটি গ্রাম পানির নীচে নিমজ্জিত ছিল। এখনও ভাঙ্গা ডাইক দিয়ে প্রবল তোড়ে পানি ঢুকে ক্ষেতের ব্যাপক ক্ষতি সাধন করছে। বন্যা দূর্গত অত্র এলাকার মানুষ ও গবাদি পশুর কষ্টের যেন শেষ নেই।
সরজমিন ঘুরে দেখা যায়, বৈরাগীবাজারের আঙ্গারজুর গ্রামের কুশিয়ারার বাঁধটি পানির তোড়ে তিনটি অংশে ভেঙ্গে যায়। গ্রামের মানুষ প্রথমে বাঁধটি মেরামতের চেষ্টা করলেও প্রবল বেগে পানির প্রবেশাধিকারে বাঁধের সরঞ্জাম ভেসে নিয়ে যায়। যার কারণে আঙ্গারজুর গ্রামের ফসলী জমিসহ বাড়ি-ঘর পানিতে ডুবে যায়। মানুষ উপায়ান্তর না দেখে ঘর-বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নেয়। দীর্ঘ দিন ধরে এ এলাকায় মেম্বার কুতুব উদ্দিন প্রবাসে থাকার কারণে ডাইকের মেরামত সহ অন্যান্য সরকারী উন্নয়ন কর্ম থেকে গ্রামটি বঞ্চিত। পুর্বেই যদি ডাইকটির মেরামত কাজ করা হত তবে আজ পানির তোড়ে ডাইকটি এতো সহজে ভেসে যেতো না। গ্রামের প্রতিটি বাড়ির পুকুরে মৎস্য চাষ হতো। প্রায় ৪০ লাখ টাকার মাছ পানিতে ভেসে গেছে বলে জানা যায়। আঙ্গারজুর গ্রামের জামিল আহমদ জানান, ক্ষেতের জমি, বাড়ি-ঘর কিছুই আর রক্ষা করা গেল না। ডাইকটির জীর্ণদশা দীর্ঘদিন ধরে। নদী ভাঙ্গনেরও শিকার। আমাদের ওয়ার্ডে কোন মেম্বার না থাকার কারণে আমাদের কষ্টের শেষ নেই। এ বন্যায় আমার খামার থেকে প্রায় ২০ লাখ টাকার মাছ বেরিয়ে গেছে। শীঘ্রই ডাইকটি মেরামত করা না হলে আমাদের আরো ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হবে।
কৃষক মনসুর দুলাল বলেন, ৪ কেদার জমি চাষ করেছি, প্রায় খরচ গেছে ৩ হাজার টাকা। কিন্তু জমি পানির নীচে তলিয়ে গেছে। একটাকারও কোন ফায়দা হবে না। এ বন্যায় আমার আরো ক্ষেতের জমিন পানির নীচে আছে। কৃষিকার্ডও পেয়েছি, কিন্তু সরকারী কোন সহযোগিতা এখনও পাইনি।
টানা বর্ষণ আর পাহাড়ি ঢলের এ পানির নীচে তলিয়ে গেছে বৈরাগীবাজারের খশির আব্দুল্লাহপুর, খশির নামনগর, সাজি পাড়া, মালার গ্রাম, মোকাম বাড়ি, হাতিটিল্লা, কিয়াচারা, মুড়ির পার সহ বেশ কিছু গ্রামের বেশ কিছু ক্ষেতের জমিন। এদিকে বিয়ানীবাজারের একমাত্র বৃহত্তম ব্যবসা কেন্দ্র বৈরাগীবাজার কুশিয়ারার পাড়ে অবস্থিত কিন্তু কুশিয়ারার পানির তোড় থেকে রক্ষা কল্পে কোন ডাইক নেই। যার কারণে বাজারটির মাছ হাঁটি, তরকারী হাঁটি, পান হাঁটিসহ বাজারের অন্যান্য স্থান প্রতি বছরই পানিতে তলিয়ে যায়। এ বন্যায় অনেক দোকান ঘরের ভিতরে পানি ছিল। ফলে বাজারটির প্রতিদিনকার হাঁট আর নির্দিষ্ট জায়গায় বসে নি। জেটিঘাট, বেবিষ্ট্যান্ড, মেইন রোডে হাঁট বসতো। আঙ্গারজুর এলাকার এ ডাইকটি ভাঙ্গার কারণে সিলেট-বিয়ানীবাজার সড়কের খশির আব্দুল্লাহপুর ত্রিমুখী ও চেংড়িপুলের নীচের অংশটুকু পানিতে ডুবে গেলে মানুষের দূর্ভোগের শেষ ছিল না। ফলে জেলা শহর বা অন্যান্য এলাকায় যাতায়াতে দারুণ বিঘœ ঘটেছিল। যাত্রীদের নির্দিষ্ট ভাড়ার দ্বিগুণ তিনগুণ পরিশোধ করে তবেই চলাচল করতে হয়েছিল। কিন্তু বন্যা চলে গেলেও এখনও ডাইক দিয়ে পানি ঢুকছে। ডাইকটি মেরামত করার কোন পরিকল্পনা এখনও নেই কর্তৃপক্ষের।
রেজিঃ নং চ-৭৩৫
সম্পাদক ও প্রকাশক: এম.ফয়জুল হক শিমুল
সহ: সম্পাদক : হাবিবুর রহমান সুলতান
সহ: সম্পাদক : নুরুল হক মাসুদ
সম্পাদক ও প্রকাশক কর্তৃক নিউ বর্ণমালা অফসেট প্রিন্টিং প্রেস, রাজা ম্যানশন জিন্দাবাজার, সিলেট থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত।

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: * সি-৮/৩০ বনশ্রী ঢাকা।
সিলেট অফিস: কমন মার্কেট (৫ম তলা ) বন্দর বাজার, সিলেট।
বিয়ানীবাজার অফিস: ছফর কমপ্লেক্স, দক্ষিণ বিয়ানীবাজার, সিলেট।
যোগাযোগ মোবাইলঃ +88-01713813124
ই-মেইল ॥ somoychitro@gmail.com
বড়লেখা অফিস: নেহার মার্কেট, ( ২য় তলা), বড়লেখা, মৌলভীবাজার।