পাঠ প্রতিক্রিয়া ও কিছু স্মৃতি : আমি মরলে কান্দিবে কয়জন

প্রকাশিত: ১১:১৩ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১৭, ২০১৬

পাঠ প্রতিক্রিয়া ও কিছু স্মৃতি  : আমি মরলে কান্দিবে কয়জন

লেখক : কবি আজিজ ইবনে গণি
প্রকাশক: তাহের ইবনে গণি
জুই প্রকাশ
মুদ্রণ তত্বাবধান: ইক্বরা কম্পিউটার
উৎসর্গ :
আমি যখন থাকবো না
থাকবে আমার আত্বা, মরদেহ
সেই আত্বাকে মরদেহ ..কে

৪ ফর্মা ৬৪ পৃষ্ঠার বইটিতে “সুপথ দেখাইয়া প্রভ”ু থেকে “মনটা আমার” পর্যন্ত মোট ৫৯ টি আধ্যাত্বিক লাইনের কবিতা স্থান পেয়েছে। ১২ নং পৃষ্ঠায় “ আমি মরলে কান্দিবে কয়জন” কবিতাটি অসাধারণ । পড়লে গা শিহরিয়া উঠে। অত:পর আমার মরণ হলে অনুরুপ ।

১৬ নং পৃষ্ঠায় জুই প্রকাশের ১২ টি প্রকাশিত বইয়ের নামের তালিকার মধ্যে আমার লেখা “জিকির ও দোয়া”স্থান পেয়েছে।
বইটিতে সিলেটের আঞ্চলিক ভাষা ব্যবহার হয়েছে। প্রশংসনীয় ও লক্ষ্যণীয় বিষয় লেখক মাঝে মাঝে সিলেটের অতি আঞ্চলিক ভাষার শব্দের অর্থসহ পরিচিতি ব্যাখ্যা প্রদান করেছেন।
এছাড়া কবরেরর পাশে আমার , আস্তে করে শোয়াইও, এই দুনিয়া কিছুই নয়, সাদা কাপন পরাইবে, সহ বেশির ভাগ কবিতাই আধ্যাত্বিক। লেখক : আবুদাবী ও কাতার বসে কবিতাগুলি লিখেছেন।
“আমি মরলে কান্দিবে কয়জন ” বইয়ের শেষ পৃষ্ঠায় আমার কথা বলে লেখক পাঠকের জন্য আরো সারগর্ভ দু লাইন “ এমন জীবন তুমি করিবে গঠন
মরণে হাসিবে তুমি কাঁদিবে ভূবণ। ”

এমন জীবন কোথায় আমার? ……….শুনবেনা আমার এ ক্রন্দন- সন্তরণ চিৎকার …..।
দিয়ে সমাপ্ত করেছেন।
কিছু স্মৃতি
৯০ দশকের কবি আজিজ গণির সাথে আমার পরিচয় হয় ১৯৯৩ সালে কেবি সাইনে আর্টের জগতে । আর্ট করার মধ্যে আজিজ গণি আমার সাংবাদিকতার পরিচয় জানতে পেরে উনার আবেগভরা চাহনির মাঝে ফুটিয়ে তুলেন কবিত্ব ভাব । কবিতা লেখার কথা । ভাবলাম ভালই হয়েছে। সাংবাদিকতার সেমিলার লাইনের মানুষ। সেই থেকে দুজনের মাঝে ভাল বন্ধুত্ব গড়ে উঠে। অত:পর আজিজ সাইন নামে ইনার কলেজ রোড দোকান করলেন তিনি। বেশী দিন ঠিকতে পারেননি। চলে গেলেন দোকান নিয়ে বৈরাগী বাজারে।
দীর্ঘ দিন আর্টের কাজ করে চলে গেলেন দুবাই । দুবাই থেকে এসে আমার “জিকির ও দোয়া” বইটি প্রকাশ করলেন। কিছুদিন দেশে থেকে আবার চলে গেলেন কাতার। কাতার যাওয়ার দিন আমি সামান্য সময়ের জন্য দুচোখ বন্ধ করি দেখি আজিজ ভাই বিদেশ চলে যাচ্ছেন। চোখ খুলে ফোন দিলাম । দেখি সত্যিই আজিজ ভাই বলছেন আমি কাতার চলে যাচ্ছি। এখন ঢাকা এয়ারপোর্ট কাউকে বলে যেতে পারিনি।
মাঝে মধ্যে ফোনে আলাপ হতো। কাতার থেকে আসার পর দুদিন দেখা হয়েছে। আজ এসে আমার হাতে বইটি তুলে দিলেন । আল্লাহ তার শ্রম- সাধনাকে কবুল করুন। আমীন।
ফয়জুল হক শিমুল
১৭.০১.২০১৬

এই সংবাদটি 478 বার পঠিত হয়েছে