সিলেটে কিশোর হত্যার মোটিভ উদঘাটন ভিডিও সহ

প্রকাশিত: ২:৪১ পূর্বাহ্ণ, জুলাই ২১, ২০১৭

সিলেটে কিশোর হত্যার মোটিভ উদঘাটন ভিডিও সহ

নির্যাতনের পর মিছবাউল ইসলামের রেকর্ড করা ভিডিও

স্টাফ রিপোর্টারঃ

 

সিলেটের কানাইঘাট উপজেলায় মিছবাউল ইসলাম নামে ১৯ বছরের এক কিশোরকে পাশবিক নির্যাতনে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে মানষিক রোগে মত্যু দেখিয়ে দাফনের পাওয়া খবর গেছে।
ঘটনাটি ঘটেছে ঃ ১৪ জুলাই ২০১৭ কানাইঘাট উপজেলার লন্তিরমাটি গ্রামে।

আদালত ১৮ জুলাই বৃহস্পতিবার সি.আর মামলা নং ১৮৯/২০১৭ এফআইআর গণ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কানাইঘাট থানার অফিসার ইসচার্জকে নির্দেশ প্রদান করেছেন।

মামলার বিবরণে প্রকাশ ঃ নির্যাতনে নিহত মিছবাউলের মাতা শাফিয়া বেগম চৌধুরী তার ২ বছরের আরেক শিশুকে নিয়ে বিগত ৪/৫ বৎসর যাবত পিত্রালয়ে মায়ের সাথে থাকেন। শাফিয়া বেগম পৈতৃক সম্পত্তিতে ২৫/৩০ বিঘা জমি মালিক হন। মামলার বাদী মিছবাউলের পিতা ফজলুর রহমান এজহারে উল্লেখ করেন- তার স্ত্রী পৈতৃক সম্পত্তি দাবী করায় আসামীগণ তার পূত্রের উপর নির্যাতন শুরু করে। বিগত ১১/০৬/২০১৭ ইং তারিখ হইতে ৮/১০ বার নির্যাতনে কথা মামলায় উল্লেখ করা হয়। সর্বশেষ পাশবিক নির্যাতন করে বিগত ৬ জুলাই বিবাদী আনোয়ারুল হক চৌধুরী গং মানষিক রোগী বলে সিলেট ওসমানী মেডিকেলে মিছবাউলকে ভর্তি করেন। মিছবাউলের অবস্থার অবনতি ঘটলে ১৩ জুলাই ২০১৭ ইং সন্ধ্যা ৬.১০ ঘটিকার সময় তাকে হাসপাতাল থেকে রিলিজ দেয়া হয় এবং ঐ রাত (১৪ জুলাই) ১২.৩০ ঘটিকার সময় সে মারা যায়।
আসামীদের বাড়ীতে ভিকটিম মিছবাউল ইসলামের মৃত্যুর পর লোকমুখে বলাবলি হতে থাকে আসামীদের মারপিটে সে মারা গেছে। অবস্থা বেগতিক দেখে আসামীগণ ভিকটিমের মা-বাবাকে তাদের ২ বছরের অপর ছেলেকে মেরে ফেলার হুমকি দিতে থাকে এবং মামলা না করার জন্য সাদা কাগজে স্বাক্ষর নেয় । মিছবাউলের পিতা তার ছেলেকে বার বার মারপিটের ঘটনা অবগত ছিলেন না। পরে স্বাক্ষীদের নিকট হতে ঘটনার সম্পুর্ণ খবর জেনে এবং অনেক খোজাখোজির পর মিছবাউলের ব্যবহৃত মোবাইল ও মেমোরীকার্ড পান।
মিছবাউলের মোবাইলে নির্যাতনের পর তার রেকর্ড করা ভিডিও দেখে, পিতা ফজলুর রহমান  ১৮ জুলাই সিলেট জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্যাট আদালতে মামলা দায়ের করেন।
মামলার অন্যান্য আসামীরা হলেন- ১নং আনোয়ারুল হক ছৌধুরীর ছেলে ফরিদ উদ্দিন. ছায়াদ উদ্দিন, আছাদ উদ্দিন , জাকারিয়া , শিশির উরফে শিবরিয়া, কিবরিয়া।

এই সংবাদটি 1400 বার পঠিত হয়েছে