ঢাকা |
প্রকাশিত: ১:০৯ অপরাহ্ণ, মার্চ ৯, ২০১৭
মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:
ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা ও আনন্দঘন পরিবেশে মৌলভীবাজার ফাউন্ডেশনের সদস্যদের নিয়ে বার্ষিক শিক্ষা সফর গত মঙ্গলবার মাধবপুর লেইক, বিটিআরআই, বধ্যভূমি ৭১ এ সম্পন্ন হয়েছে। ফাউন্ডেশনের সদস্যদের নিয়ে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের মাধবপুর লেইক, শ্রীমঙ্গলে বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনিস্টিটিউট ও বধ্যভূমিতে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে সাথে নিয়ে তখন সেলফি উৎসব আর ফটোসেশন করেন সদস্যরা। এসময় বিভিন্ন ধরনের খেলাধূলা ও প্রতিযোগীতার আয়োজন করা হয়। এবং আনুষ্ঠানিক ভাবে বিজয়ীদের পুরস্কৃত করা হয়। সদস্যদের ভ্রাতৃত্বের বন্ধনকে আরো সূদৃঢ় করতে চমকপ্রদ এই আয়োজনের সার্বিক নেতৃত্বে ছিলেন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মুর্শেদ আহমদ, মহাসচিব আব্দুল মুমিত, অর্থ সম্পাদক মিছবাহুল হাসান। এছাড়াও শিক্ষা সফরে ছিলেন ফাউন্ডেশনের কার্যকরি পরিষদের সদস্য খাইরুল ইসলাম, আব্দুল কাইয়ুম, জুনেদ আহমদ ফাহিম, সিদ্দিকুজ্জামান শাহিন, আব্দুল মুহিত সহ প্রমুখ।
কুলাউড়ায় মাদ্রাসায় বিশৃঙ্খলার নেপথ্যে ৩ শিক্ষকের ইন্ধন
মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:
কুলাউড়া উপজেলার হিঙ্গাজিয়া মাদরাসায় গত ৪ মাস থেকে চরম বিশৃঙ্খল পরিবেশ বিরাজ করছে। যার ফলে মাদরাসার লেখাপড়ার মান ভেঁঙ্গে পড়েছে। ফলাফলের দিক দিয়ে পিছিয়ে পড়েছে ওই প্রতিষ্ঠানের হাজার হাজার শিক্ষার্থী।
প্রতিষ্ঠানের কিছু শিক্ষকের ইন্ধনে শিক্ষার্থীরা ক্লাস বর্জন করে মিছিল, মিটিং ও মানববন্ধন আর প্রতিবাদ সভা নিয়ে ব্যস্থ সময় পার করছে বলে অনুসন্ধানে জানা যায়।
জানা যায়, ২০১৬ সালের ২ নভেম্বর মাদারাসার আলিম শ্রেণির আরবি ১ম পত্রের ক্লাসে আরবি প্রভাষক মো. শাহনুর খানের একটি বক্তব্য নিয়ে একটি গ্রুপ বিশৃঙ্খলা শুরু করে। এরপর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে ভুয়া আইডি খুলে চালানো হয় মিথ্যা অপপ্রচার।
বিষয়টি কুলাউড়া থানার অফিসার ইনচার্জের নজরে আসলে তিনি কুলাউড়া উপজেলা ভাইস-চেয়ারম্যান, ব্রাহ্মণবাজার ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, মাদরাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি, মাদরাসার অধ্যক্ষ ও মাদরাসা পরিচালনা কমিটির একজন সদস্যকে বিষয়টি তদন্তক্রমে নিষ্পত্তির দায়িত্ব দেন।
মৌখিক তদন্তে ঘটনা প্রমাণিত না হওয়ায় লিখিত অভিযোগ দেয়ার জন্য জানালে অভিযোগকারী একটি লিখিত অভিযোগ জমা দেন। সেই লিখিত অভিযোগের জবাব দেন আরবী প্রভাষক। পরে বিষয়টি ব্রাহ্মণবাজার ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মমদুদ আহমদ নিষ্পত্তি করে দেন।
হিংগাজিয়া সিনিয়র মাদরাসার আরবী প্রভাষক মোহাম্মদ শাহনুর খান অভিযোগ করেন, ম্যানেজিং কমিটির সভায় বিষয়টি নিষ্পত্তির পর মাদারাসার সহকারি মৌলভী সায়েম আহমদ, আরবী প্রভাষক গোলাম সারওয়ার খান এবং এবতেদায়ী মৌলভী মো. ফয়জুর রহমানের উস্কানিতে শিক্ষার্থীরা গত ২৬ ও ২৭ ফেব্রুয়ারি বিশৃঙ্খল পরিবেশ সৃষ্টি হয়।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত শিক্ষকদের বক্তব্য জানতে মাদরাসার আরবী প্রভাষক গোলাম সারওয়ার খানের ব্যক্তিগত মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি এ বিষয়ে কিছু বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন।
হিঙ্গাজিয়া সিনিয়র মাদরাসার অধ্যক্ষ আব্দুল মুনতাকিম জানান, বিষয়টি বর্তমানে কুলাউড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে। তিনি দেশের বাইরে আছেন। দেশে আসার পর বিষয়টি সমাধান হবে।
ব্রাহ্মণবাজার ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. মমদুদ হোসেন জানান, তাঁর আগেও মাদরাসার অধ্যক্ষ বিষয়টি সমাধান করেন। কিন্তু ৩ শিক্ষক বিষয়টি মেনে নেননি। পরে কুলাউড়া থানার অফিসার ইনচার্জের অনুরোধে মাদারাসায় গিয়ে বিষয়টি অবগত হই। ছাত্র শিক্ষকের লিখিত বক্তব্য নেয়ার পর ম্যানেজিং কমিটির সভায় বিষয়টি সুরাহা হয় এবং বিশেষ মোনাজাতও করা হয়। এখন বিষয়টাকে বিকৃত করে উপস্থাপন করে শিক্ষককে মাদারাসা থেকে বহিষ্কারের একটা পায়তারা চলছে। এখনও উপজেলা নির্বাহী অফিসার ভারত থেকে ফিরে এসে তদন্তক্রমে বিষয়টি নিষ্পত্তি করবেন।
কুলাউড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার চৌধুরী গোলাম রাব্বী জানান, বিষয়টি আমি অবগত হয়েছি এবং উভয় পক্ষের সাথে কথা বলেছি। ভারত থেকে ফিরে আসার পর এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
রেজিঃ নং চ-৭৩৫
সম্পাদক ও প্রকাশক: এম.ফয়জুল হক শিমুল
সহ: সম্পাদক : হাবিবুর রহমান সুলতান
সহ: সম্পাদক : নুরুল হক মাসুদ
সম্পাদক ও প্রকাশক কর্তৃক নিউ বর্ণমালা অফসেট প্রিন্টিং প্রেস, রাজা ম্যানশন জিন্দাবাজার, সিলেট থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত।

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: * সি-৮/৩০ বনশ্রী ঢাকা।
সিলেট অফিস: কমন মার্কেট (৫ম তলা ) বন্দর বাজার, সিলেট।
বিয়ানীবাজার অফিস: ছফর কমপ্লেক্স, দক্ষিণ বিয়ানীবাজার, সিলেট।
যোগাযোগ মোবাইলঃ +88-01713813124
ই-মেইল ॥ somoychitro@gmail.com
বড়লেখা অফিস: নেহার মার্কেট, ( ২য় তলা), বড়লেখা, মৌলভীবাজার।