ঢাকা |
প্রকাশিত: ১১:১৭ পূর্বাহ্ণ, নভেম্বর ১২, ২০২৫
এম সালমান আহমদ সুজন (তাহিরপুর, সুনামগঞ্জ)
খনিজ বালি-পাথরসমৃদ্ধ জাদুকাটা নদীর পাড় কাটা ঠেকাতে গিয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ওপর হামলা ও বালি চুরিতে জড়িত ৩২৪ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। সোমবার (১০ নভেম্বর) সুনামগঞ্জের তাহিরপুর থানায় মামলাটি করা হয়।
মামলায় উপজেলার জাদুকাটা নদী তীরবর্তী ঘাগটিয়ার আবু লাহাব, আবু তালিব, ইকবাল, আবুবক্কর, লাউরগড়ের খাজা মাইনুদ্দীন, বালিয়াঘাটের সাদ্দাম, তরং গ্রামের নজির, ঘাগটিয়ার তাওহিদ, সয়দুল, রিমন, সুলেমান, সাহেদ, মনর, মাসুক, সুলতান, আল আমিন, রাহিদুর, রুমান, মাহমুদ, সাহজ উদ্দিন, সামসু আলম, আকারদস, রমিজ, খাইরুলসহ ২৪ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া ২০০ থেকে ৩০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।
তাহিরপুর উপজেলা ভূমি অফিসের মিউটেশন কাম-সার্টিফিকেট সহকারী বাদী হয়ে অবৈধভাবে জাদুকাটা নদীর পাড় (তীর) কেটে নদী ভাঙন, নদী ভূ-প্রকুতি পরিবেশ বিনষ্ট, নদীর পানি প্রবাহের স্বাভাবিক গতিপথ রোধ, পরিবর্তন করে, বেআইনি জনতাবদ্ধে অপরাধজনক বলপ্রয়োগ করে সরকারি কাজে বাধা প্রদান ও ভ্রাম্যমাণ আদালতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, থানা ও নৌপুলিশ সদস্যদের ওপর পাথর-বোল্ডার ছুড়ে হামলা, হুমকি প্রদানপূর্বক ৫ লাখ টাকার খনিজ বালি চুরির অভিযোগ মামলাটি দায়ের করেন।
প্রসঙ্গত, শুক্রবার (৮ নভেম্বর) দিবাগত রাতে সুনামগঞ্জের তাহিরপুরের জাদুকাটা নদী তীরবর্তী পশ্চিম তীরের ঘাগটিয়া গ্রামের জালোর টেক এলাকায় জাদুকাটা নদীর পাড় কেটে খনিজ বালি চুরি ঠেকাতে যান সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাসিবুল হাসান। এ সময় খনিজ বালি চুরির সঙ্গে জড়িতরা ‘মব’ সৃষ্টি করে পুলিশ, নৌপুলিশ সদস্যদের লক্ষ্য করে পাথর, বোল্ডার ছুড়তে থাকে।
রেজিঃ নং চ-৭৩৫
সম্পাদক ও প্রকাশক: এম.ফয়জুল হক শিমুল
সহ: সম্পাদক : হাবিবুর রহমান সুলতান
সহ: সম্পাদক : নুরুল হক মাসুদ
সম্পাদক ও প্রকাশক কর্তৃক নিউ বর্ণমালা অফসেট প্রিন্টিং প্রেস, রাজা ম্যানশন জিন্দাবাজার, সিলেট থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত।

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: * সি-৮/৩০ বনশ্রী ঢাকা।
সিলেট অফিস: কমন মার্কেট (৫ম তলা ) বন্দর বাজার, সিলেট।
বিয়ানীবাজার অফিস: ছফর কমপ্লেক্স, দক্ষিণ বিয়ানীবাজার, সিলেট।
যোগাযোগ মোবাইলঃ +88-01713813124
ই-মেইল ॥ somoychitro@gmail.com
বড়লেখা অফিস: নেহার মার্কেট, ( ২য় তলা), বড়লেখা, মৌলভীবাজার।