ঢাকা |
প্রকাশিত: ১০:০৩ পূর্বাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১১, ২০১৭
কুলাউড়া প্রতিনিধি : কুলাউড়ার টিলাগাঁও এএন উচ্চ বিদ্যালয় ও হাজীপুর ইউনিয়নের নয়াবাজার কেসি উচ্চ বিদ্যালয়সহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে সহায়ক বই (গ্রামার) নিয়ে বিপাকে পড়েছে শিক্ষার্থীরা। সরকার এবছর থেকে সহায়ক বই পড়ার অনুমতি দেয়ায় বিভিন্ন প্রকাশনীর সাথে আতাত করে কমিশন বানিজ্যে উঠেপড়ে লেগেছেন কতিপয় অসাধু শিক্ষক। তারা সিলেবাস দিয়ে নির্দিষ্ট একটি প্রকাশনীর নিম্নমানের বই কিনতে শিক্ষার্থীদের বাধ্য করছেন। ওই প্রকাশনীর বই শিক্ষার্থীরা কিনলে তা থেকে কমিশন পেয়ে থাকেন এইসব অসাধু শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির সদস্যরা। যদিও মানসম্মত অন্য কোন প্রকাশনির বই শিক্ষার্থী কিনে আনলে তা শিক্ষকদের কাছে গ্রহণ যোগ্যতা পাচ্ছেনা। এনিয়ে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে অভিভাবক মহলে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক অভিভাবক জানান, সিলেবাসে কৌশলে জননী প্রকাশনীর বইয়ের বিভিন্ন প্যারাগ্রাফ, রচনা, ভাবসম্প্রসারন এর বিস্তারিত পড়তে নির্দিষ্ট পৃষ্টা নং উল্লেখ করে দেয়া হয়। তাই অন্য কোন প্রকাশনীর মানসম্মত বই কিনে আনলেও সিলেবাসের সাথে পৃষ্টা নংয়ের অমিল থাকায় তা ফেরৎ দিতে শিক্ষার্থীদের বাধ্য করছেন শিক্ষকরা।
টিলাগাঁও এএন উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য আব্দুল মছব্বির বিষয়টির সত্যতা স্বীকার করে জানান, এ নিয়ে আমি তীব্র প্রতিবাদ করেছি। কিন্তু শিক্ষকরা তা কর্ণপাত করেননি। ম্যানেজিং কমিটির মাসিক সভায় আমি বিষয়টি উত্তাপন করবো। টিলাগাঁও এএন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুধীর চন্দ্র মালাকার ও কেসি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক প্রভাত চন্দ্র শর্মা জানান, নির্দিষ্ট করে কোন প্রকাশনীর বই কিনতে নির্দেশনা দেইনি। তবে সিলেবাসের বিষয়টি খতিয়ে দেখবো।
রেজিঃ নং চ-৭৩৫
সম্পাদক ও প্রকাশক: এম.ফয়জুল হক শিমুল
সহ: সম্পাদক : হাবিবুর রহমান সুলতান
সহ: সম্পাদক : নুরুল হক মাসুদ
সম্পাদক ও প্রকাশক কর্তৃক নিউ বর্ণমালা অফসেট প্রিন্টিং প্রেস, রাজা ম্যানশন জিন্দাবাজার, সিলেট থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত।

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: * সি-৮/৩০ বনশ্রী ঢাকা।
সিলেট অফিস: কমন মার্কেট (৫ম তলা ) বন্দর বাজার, সিলেট।
বিয়ানীবাজার অফিস: ছফর কমপ্লেক্স, দক্ষিণ বিয়ানীবাজার, সিলেট।
যোগাযোগ মোবাইলঃ +88-01713813124
ই-মেইল ॥ somoychitro@gmail.com
বড়লেখা অফিস: নেহার মার্কেট, ( ২য় তলা), বড়লেখা, মৌলভীবাজার।