ঢাকা |
প্রকাশিত: ১:৫৭ পূর্বাহ্ণ, জুলাই ৩১, ২০১৭
আতাউর রহমান :
বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রী পরিষদের আলোকিত মুখ জননেতা নূরুল ইসলাম নাহিদ। যিনি বাংলার মানুষের আস্থা ও ভালবাসার প্রতীক জননেত্রী শেখ হাসিনা’র ডিজিটাল বাংলাদেশ-এর লক্ষ্য বাস্তবায়নের অন্যতম কারিগর। তাঁর সততা, ন্যায়-নিষ্ঠা, মানবিক মূল্যবোধ এবং জনপ্রিয়তা অনেকের কাছে ঈর্ষান্বিত। বংগবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা প্রায় ২৫ বছর ব্যাপি জননেতা নুরুল ইসলাম নাহিদকে আওয়ামীলীগ-র শিক্ষা ও মানব সম্পদ উন্নয়ন সম্পাদক এবং বর্তমান সরকারের শিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব অর্পণ করে চ্যালেঞ্জিং কাজে নিয়োজিত রেখেছেন। এই দায়িত্ব নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী নাহিদ জাতির ভবিষ্যত গড়ে তোলার জন্য জাতিকে উপহার দিলেন একটি মৌলিক দলিল। যার নাম জাতীয় শিক্ষানীতি-২০১০। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর মতে, মন্ত্রীপরিষদে যে ভাল কাজ করে তাঁর বিরুদ্ধে এক শ্রেণীর অসাধু চক্র কলম ধরে। এই নূরুল ইসলাম নাহিদ নির্দিষ্ট কোন অঞ্চলের নয়, তিনি জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্ব। তিনি বাংলাদেশের সম্পদ। দেশের স্বার্থেই এ মহৎ ব্যক্তির প্রয়োজন।
কিন্তু গেল ২০ জুলাই ২০১৭ থেকে ‘যুগান্তর’ নামক দৈনিকে যেভাবে তাঁর ভাবমূর্তি ক্ষুণ করার অপচেষ্টা করা হয়েছে, তাতে বেবাক ফাঁরাকও আছে। তাঁরা কী জানেনা, নুরুল ইসলাম নাহিদ শুধু রাজনীতিবিদ কিংবা মন্ত্রী নন। তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ও একজন সাহসী কলামিস্ট। তাঁর ভাবমূর্তি ক্ষুণ করা মানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে দুর্বল করা। তা হলে এ সিরিজ সংবাদ প্রকাশের মূল উদ্দেশ্য কি? আর যাদের বিরুদ্ধে যুগান্তর ধারাবাহিক ভাবে লিখছে তাদেরও স্বতন্ত্র পরিচয় আছে। তাদেরকে মন্ত্রীর খলিফা সাজানোর হেতু বা কি? এখানে কী কোন অদৃশ্য শক্তির ইশারা কাজ করছে।
অবশেষে একটি জাতীয় দৈনিকের অব্যাহত অপপ্রচারের বিরুদ্ধে মুখ খুললেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ এমপি। মন্ত্রীসভার বৈঠকে তিনি প্রধানমন্ত্রীকে অপপ্রচারের কারণ ব্যখ্যা করেন। শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীকে জানান,-‘একটি পত্রিকার মালিক একজন সংসদ সদস্য। তিনি আমার কাছে টেকনিক্যাল কলেজ স্থাপনের তদবীরে এসেছিলেন।’ টিকনিক্যাল কলেজ স্থাপনের জায়গাটি শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীকে দেখান এবং বলেন-‘এ স্থানে টেকনিক্যাল কলেজ স্থাপনের অনুমতি দেয়া যায় না। এরপর ওই মিডিয়া হাউজের বিভিন্ন ব্যক্তি নানাভাবে চাপ দিতে থাকে। তাদের তদবীর না শোনার কারণে আমার বিরুদ্ধে সিরিজ রিপোর্ট হচ্ছে। রিপোর্টে যেসব তথ্য আসছে তা আদতে সত্য নয়। আমার পরিবারের কেউ শিক্ষা সেক্টরে ব্যবসা বাণিজ্যের সাথে সংযুক্ত নয়।’
প্রকাশিত এ সংবাদগুলো আসলে কী পজিটিভ সমালোচনার জন্য? না কি সরকারের বিরুদ্ধে নতুন কোন ষড়যন্ত্র? বিষয়টি স্পষ্ট হচ্ছে না। আর কেউ যদি মন্ত্রীর ঘনিষ্টজনই হন, আর তিনি দূর্নীতির সাথে জড়িত হন তাহলে উপযুক্ত প্রমাণসহ মন্ত্রীর নিকট হস্তান্তর করেন। শিক্ষামন্ত্রীর অবস্থান সর্বদাই দুর্নীতির বিরুদ্ধে। তিনি কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। আর পত্রিকা হচ্ছে গণমানুষের দর্পন। এই মহৎ ব্যক্তি নিয়ে নেতিবাচক শিরোনাম করা আসলে কি শোভা পায়!
প্রশ্ন হলো, আসলে কার ইন্ধনে সিলেট-৬ আসন (বিয়ানীবাজার-গোলাপগঞ্জ) নিয়ে টানাটানি হচ্ছে। এই জনপদের মানুষ অতি সচেতন ও বিবেক সম্পন্ন। তাই বুঝে শুনে কাজ করেন। সৃষ্টিকর্তা যাকে উপরের আসনে রাখেন তাকে নিচের দিকে টেনেহেছড়ে কোন লাভ হবে না। মনে রাখবেন, জননেতা নাহিদ’র নাম আমজনতার হৃদয় মন্দিরের মণিকোঠায়। এই জনপদের জননেতা তিনি। তিনি জনতার নেতাই থাকবেন চিরদিন।
লেখক: সভাপতি, বিয়ানীবাজার প্রেসক্লাব।
রেজিঃ নং চ-৭৩৫
সম্পাদক ও প্রকাশক: এম.ফয়জুল হক শিমুল
সহ: সম্পাদক : হাবিবুর রহমান সুলতান
সহ: সম্পাদক : নুরুল হক মাসুদ
সম্পাদক ও প্রকাশক কর্তৃক নিউ বর্ণমালা অফসেট প্রিন্টিং প্রেস, রাজা ম্যানশন জিন্দাবাজার, সিলেট থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত।

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: * সি-৮/৩০ বনশ্রী ঢাকা।
সিলেট অফিস: কমন মার্কেট (৫ম তলা ) বন্দর বাজার, সিলেট।
বিয়ানীবাজার অফিস: ছফর কমপ্লেক্স, দক্ষিণ বিয়ানীবাজার, সিলেট।
যোগাযোগ মোবাইলঃ +88-01713813124
ই-মেইল ॥ somoychitro@gmail.com
বড়লেখা অফিস: নেহার মার্কেট, ( ২য় তলা), বড়লেখা, মৌলভীবাজার।