ঢাকা |
প্রকাশিত: ৩:০৫ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১২, ২০২৫
সুনামগঞ্জ থেকে সংবাদদাতা:
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার কেশবপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে ডাস্টার দিয়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত করার অভিযোগ উঠেছে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফারুক আহমেদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক সমালোচনার ঝড় উঠেছে।
ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, গত শনিবার (৯ নভেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীরা ছোটাছুটি করছিল। এ সময় প্রধান শিক্ষক শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করে শিক্ষার্থীদের শাসন শুরু করেন। তিনি কয়েকজন শিক্ষার্থীকে কান ধরে দাঁড় করিয়ে রাখেন এবং সামনের টেবিলে বসা এক ছাত্রীকে ডাস্টার দিয়ে আঘাত করতে থাকেন। এতে ছাত্রীটির মাথা ফেটে রক্ত ঝরতে থাকে। পরে শিক্ষক নিজেই টিস্যু দিয়ে রক্ত মুছে দেন, তবে তখনও শিক্ষার্থীকে কান ধরে দাঁড় করিয়ে রাখেন। পরে আরেক শিক্ষার্থীকে দিয়ে ক্লাসের মেঝেতে পড়ে থাকা রক্ত পরিষ্কার করানো হয়।
আহত ছাত্রীর বাবা মুজিবুর রহমান অভিযোগ করে বলেন,
> “আমার মেয়েকে অমানবিকভাবে মারধর করে রক্তাক্ত করেছে প্রধান শিক্ষক ফারুক আহমেদ। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই। বিষয়টি বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটিকে জানিয়েছি।”
এ ঘটনায় স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহল ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন,
> “একজন শিক্ষক কর্তৃক কোমলমতি শিক্ষার্থীকে এমন নির্যাতন কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। দ্রুত তদন্ত করে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।”
জগন্নাথপুর উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার অরূপ কুমার রায় বলেন,
> “ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
এ বিষয়ে জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. বরকত উল্লাহ জানান,
> “বিষয়টি শুনেছি, তবে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি।”
রেজিঃ নং চ-৭৩৫
সম্পাদক ও প্রকাশক: এম.ফয়জুল হক শিমুল
সহ: সম্পাদক : হাবিবুর রহমান সুলতান
সহ: সম্পাদক : নুরুল হক মাসুদ
সম্পাদক ও প্রকাশক কর্তৃক নিউ বর্ণমালা অফসেট প্রিন্টিং প্রেস, রাজা ম্যানশন জিন্দাবাজার, সিলেট থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত।

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: * সি-৮/৩০ বনশ্রী ঢাকা।
সিলেট অফিস: কমন মার্কেট (৫ম তলা ) বন্দর বাজার, সিলেট।
বিয়ানীবাজার অফিস: ছফর কমপ্লেক্স, দক্ষিণ বিয়ানীবাজার, সিলেট।
যোগাযোগ মোবাইলঃ +88-01713813124
ই-মেইল ॥ somoychitro@gmail.com
বড়লেখা অফিস: নেহার মার্কেট, ( ২য় তলা), বড়লেখা, মৌলভীবাজার।