২০ দিনেও সাংবাদিক মাহবুবের উপর হামলাকারী মূল হোতারা ধরা পড়েনি

প্রকাশিত: ২:৪৪ অপরাহ্ণ, মার্চ ৬, ২০১৬

২০ দিনেও সাংবাদিক মাহবুবের উপর হামলাকারী মূল হোতারা ধরা পড়েনি
.
গোলাপগঞ্জ প্রতিনিধি:
১৫ ফেব্রুয়ারী সোমবার। রাত তখন ঘড়ির
কাটায় ৮ টা বাজে।প্রেসক্লাবে যাওয়ার পথে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে ওৎপেতে থাকা চিহ্নিত সন্ত্রাসী মাদক ব্যবসায়ী দিদার ও তার সহযোগীরা
দৈনিক আজকের পত্রিকার গোলাপগঞ্জ
প্রতিনিধি, গোলাপগঞ্জ সাংবাদিক
কল্যাণ সমিতির সভাপতি মাহবুবুর রহমান
চৌধুরীর উপর দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হামলা
চালিয়ে পালিয়ে যায়। এতে তার বাম
হাতের দু’স্থানের হাড় ভেঙ্গে যায়। খবর
পেয়ে তাৎক্ষণিক স্থানীয় পুলিশ
সাংবাদিকরা ছুটে এসে তাকে স্থানীয়
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে
যান। তখন সাংবাদিক মাহবুবের অবস্থা আশংকাজনক হওয়াতে প্রাথমিক চিকিৎসা
দিয়ে সিলেট ওসমানী মেডিকেল
হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। ঘটনার
২০ দিন অতিবাহিত। স্বতস্ফুর্ত আন্দোলন চলছে। সাংবাদিকদের সাথে ফুসে উঠেছেন সুশীল সমাজ ও স্থানীয় জনগণ। আল্টিমেটাম,
থানা ঘেরাও, মানব বন্ধন,কর্মবিরতিসহ বিভিন্ন
কর্মসূচী পালন করা হয়। ঘটনার ৭ দিনের
মাথায় দুইজন আসামী গ্রেফতার হলেও
এখনো পর্যন্ত মূল আসামী চিহ্নিত মাদক
ব্যবসায়ী সন্ত্রাসী দিদার সহ বাকিরা
ধরাছোয়ার বাহিরে রয়েছে।
 পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আসামীদের গ্রেফতারে অভিযান
অব্যাহত চলছে। এদিকে এখনো মূল
হোতারা ধরা ছোয়ার বাহিরে থাকায়
ক্ষুদ্ধ সাংবাদিক সমাজ সহ স্থানীয় জনগন।

বিশ্বস্ত সুত্রে জানা যায়, সাংবাদিক
মাহবূবের উপর হামলার আগের দিনগত
রাতে ঘটনার মূল হোতা দিদারের
বাড়িতে তার আত্নীয় স্বজন সহসহযোগী সন্ত্রাসীরা বৈঠক  করে।

গোলাপগঞ্জের সিনিয়র সাংবাদিক মহলের সাথে যোগাযোগ করলে তারা বলেন,মাহবুব
একজন সৎসাহসী সাংবাদিক।সে সব সময়
অন্যায়ের বিরুদ্ধে শক্ত ভূমিকা রাখে।
বিগত সময় এসব সন্ত্রাসী ও
মাদকসেবীদের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ
করায় তারা এরকম হামলা চালায়।এরকম
সৎ ও সাহসী সাংবাদিকের উপর হামলা
অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক ঘটনা। প্রায় ১৯
দিন অতিবাহিত হয়ে গেল, এখনো
ঘটনায় জড়িত মূল সন্ত্রাসীরা ধরা পড়েনি। আমরা আশাবাদী প্রশাসন দ্রুত সময়ে এসব
সন্ত্রাসীদের ধরে আইনের আওতায় নিয়ে
আসবে।
এ ব্যাপারে গোলাপগঞ্জ মডেল থানার অফিসার
ইনচার্জ এ কে এম ফজলুল হক শিবলী সময় চিত্রকে জানান
ঘটনার মূল আসামী দিদারের দুই সহযোগীকে গ্রেফতার করা হলেও ঘটনার মূল হোতাদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে ওসি আরো বলেন,এ ঘটনার মূল আসামীরা গোলাপগঞ্জ উপজেলার বাহিরে অবস্থান করায় তাদেরকে গ্রেফতার করা যাচ্ছেনা।শীঘ্রই গ্রেফতার করে তাদেরকে আইনের আওতায় নিয়ে আনা হবে।

এই সংবাদটি 511 বার পঠিত হয়েছে

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ