সিলেটে এমেক্স এসোসিয়েট ট্রাভেল্স এজেন্সির প্রতারণার বিরুদ্ধে মানববন্ধন

প্রকাশিত: ৬:৩৩ অপরাহ্ণ, জুলাই ২২, ২০২৬

সিলেটে এমেক্স এসোসিয়েট ট্রাভেল্স এজেন্সির প্রতারণার বিরুদ্ধে মানববন্ধন

এমেক্স এসোসিয়েট ট্রাভেল্স এজেন্সি উপশহর, সিলেটের প্রতারণার বিরুদ্ধে সচেতন প্রবাস প্রত্যাশী ও ভুক্তভোগী পরিবারবর্গের উদ্যোগে এক মানবববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

২২ জুলাই বুধবার দুপুরে নগরীর চৌহাট্টাস্থ সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়।

প্রবাস প্রত্যাশী ভুক্তভোগী কামরুজ্জামান সাগর এর পরিচালনা মানববন্ধন কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন মিলন দাস, হাবিব শেখ, জামিল আহমদ, জয়ন্তী বালা দেবী, সুজেল আহমদ, রাজু আহমদ, আব্দুল নূর, নোমান, রিপন আহমদ, আব্দুল কাইয়ুম, মুরাদ আহমদ, রিয়াদ, নাজিম, রেনু সরকার, জুনু সরকার প্রমুখ। এছাড়াও মানববন্ধনে প্রবাস প্রত্যাশী ভুক্তভোগী প্রায় ৩ শতাধিক মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, নগরীর উপশহরস্থ এমেক্স এসোসিয়েট নামক ট্রাভেল্স এজেন্সি দীর্ঘদিন ধরে বিদেশে পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে সহজ সরল সাধারণ মানুষের কাছ থেকে ৯/১০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে ইমন উদ্দিন ও জাবের আহমদ। এজেন্সির কর্ণধার প্রতারক ইমন উদ্দিন প্রতারণা মামলায় গ্রেফতার হয়ে ৩ মাস ধরে কারাগারে রয়েছে। কিন্তু বিভিন্ন প্রতারণা মামলার আসামী তার সহযোগী জাবের আহমদ, জান্নাত, ফারিয়া বেগম, কামরান, তপু, তানভির, নৌরিন, সিদ্দিক রহমান গং এখনো গ্রেফতার না হওয়ায় বাদী ও পাওয়ানাদারদেরকে হুমকী দিয়ে যাচ্ছে। তাদের বিরুদ্ধে এ পর্যন্ত ১৫/২০টি মামলা রয়েছে। বক্তারা দ্রুত এই এজেন্সির সাথে জড়িতদের গ্রেফতার করে আইনে আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানান।
বক্তারা আরো বলেন, অবিলম্বে প্রতারক ট্রাভেলস এজেন্সির লাইসেন্স বাতিল, গ্রাহকদের অর্থ ফেরতের ব্যবস্থা, প্রাতারকদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত এবং ট্রাভেলস এজেন্সি নিয়ন্ত্রণে কঠোর আইন প্রণয়নের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট জোর দাবী জানান।

বক্তারা জানান, প্রতারক ইমন উদ্দিন ৩ মাস ধরে জেল হাজতের থাকলেও টাকা উদ্ধারে মাননীয় আদালত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। বরং আইনের ফাঁক দিয়ে বিভিন্ন মামলা থেকে জামিন নিচ্ছে। ছাত্রদল পরিচয়ধারী প্রতারক ইমন উদ্দিন কারাগারে থাকলে তার সহযোগি প্রতারক এনসিপি নেতা জাবের আহমদ অফিসের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। প্রতারণার শিকার ভুক্তভোগীরা পাওনা টাকা চাইতে গেলে তাদেরকে মামলা দিয়ে হয়রানী, গুম, খুন ও প্রাণনাশের হুমকী দেয়া। এমনকি পিচতল বের করে বলে শূট করবো।

এই সংবাদটি 114 বার পঠিত হয়েছে

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ