ঢাকা |
প্রকাশিত: ২:৩৭ পূর্বাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬
সিলেট ৩৬০ আউলিয়ার স্মৃতিধন্য পুণ্যভূমি সিলেট—বাংলাদেশের আধ্যাত্মিক রাজধানী। এই নগরীর ধূলিকণায় মিশে আছে আধ্যাত্মিকতার সুবাস, আর এখানকার মানুষের হৃদয়ে বহমান অন্যায়ের বিরুদ্ধে এক চিরন্তন প্রতিবাদী চেতনা। সিলেটের এই আধ্যাত্মিক গাম্ভীর্য আর জনমানুষের আস্থার মেলবন্ধনে আজ একটি নাম অত্যন্ত উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে—রেজাউল হাসান কয়েস লোদী। দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম, বারবার কারাবরণ আর ফ্যাসিবাদ বিরোধী লড়াইয়ে সম্মুখভাগের এই যোদ্ধা আজ সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) ‘নগর পিতা’ হওয়ার সবচেয়ে যৌক্তিক ও শক্তিশালী দাবিদার।
আধ্যাত্মিকতার জনপদে আস্থার প্রতীক
সিলেটের রাজনীতি কেবল ক্ষমতার অঙ্ক নয়, এটি জনসেবা ও ত্যাগের এক মহিমান্বিত অধ্যায়। কয়েস লোদী সেই ধারারই একজন সার্থক প্রতিনিধি। আধ্যাত্মিকতায় টইটুম্বুর এই নগরীর সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখে তিনি সবসময় মিশে ছিলেন ছায়ার মতো। তৃণমূল থেকে উঠে আসা এই নেতার রাজনৈতিক জীবনের প্রতিটি বাঁক রচিত হয়েছে মানুষের অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে। ফলে আজ দল-মত নির্বিশেষে তিনি হয়ে উঠেছেন সিলেটের গণমানুষের আস্থার এক নির্ভরযোগ্য প্রতীক।
ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আপসহীন এক লড়াকু সৈনিক
বিগত দেড় দশকের স্বৈরাচারী ও ফ্যাসিস্ট শাসনামলে যখন চারদিকে ছিল ভয়ের সংস্কৃতি, তখন সিলেটের রাজপথে যে কয়জন অকুতোভয় নেতা বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন, কয়েস লোদী তাদের মধ্যে অগ্রগণ্য। ৫ই আগস্টের ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক বিপ্লবের ঠিক পূর্বমুহূর্তে, যখন চারদিকে তীব্র দমন-পীড়ন আর ধরপাকড় চলছিল, তখনো তিনি মাঠ ছেড়ে যাননি। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আন্দোলনের সম্মুখভাগ থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং গ্রেপ্তার বরণ করেছেন। তার এই আপসহীন ভূমিকা প্রমাণ করে যে, তিনি কেবল সুসময়ের বন্ধু নন, বরং দুঃসময়ের এক অতন্দ্র প্রহরী।
রাজপথ থেকে কারাগার: ত্যাগের মহিমা
রাজনীতিতে পদ-পদবি পাওয়া সহজ, কিন্তু ত্যাগের কণ্টকাকীর্ণ পথ মাড়ানো কঠিন। কয়েস লোদীর রাজনৈতিক জীবনের একটি বিশাল অংশ কেটেছে রাজপথে আন্দোলনে এবং অন্ধকার কারাগারের প্রকোষ্ঠে। বারবার কারাবরণ আর অমানুষিক জুলুম-নির্যাতন তার আদর্শকে দমাতে পারেনি, বরং তাকে আরও বেশি শাণিত করেছে। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বীরের বেশে কারাগার থেকে তার মুক্তি পাওয়া ছিল সিলেটের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক অবিস্মরণীয় মুহূর্ত। এই দীর্ঘ ত্যাগের ইতিহাসই তাকে আজ নেতৃত্বের শীর্ষ আসনে বসার নৈতিক অধিকার দিয়েছে।
সিসিক নগর পিতা হিসেবে কেন তিনি অপ্রতিদ্বন্দ্বী?
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) আগামী দিনের নেতৃত্ব নিয়ে যখন আলোচনা হয়, তখন কয়েস লোদীর নাম আসাটাই সবচেয়ে প্রাসঙ্গিক। এর পেছনে রয়েছে সুনির্দিষ্ট কিছু কারণ:
পরীক্ষিত নেতৃত্ব: তিনি সংকটে পালিয়ে যাওয়া নেতা নন, বরং ঝড়ের দিনে হাল ধরার দক্ষ কাপ্তান।
সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা: তার পরিচ্ছন্ন ও স্বচ্ছ রাজনৈতিক ভাবমূর্তি তাকে সর্বস্তরের মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য করেছে।
উন্নয়নের নতুন ভিশন: দীর্ঘ সংগ্রামের পর এখন তার একমাত্র লক্ষ্য—সিলেটের আধ্যাত্মিক ঐতিহ্য বজায় রেখে একে একটি আধুনিক, পরিকল্পিত ও দুর্নীতিমুক্ত নগরী হিসেবে গড়ে তোলা।
আধ্যাত্মিক রাজধানী সিলেটের মাটি ও মানুষের নাড়ির স্পন্দন বোঝেন রেজাউল হাসান কয়েস লোদী। রাজপথের সাহসী পদচারণা এবং কারাগারের লড়াকু জীবন তাকে একজন খাঁটি জননেতায় রূপান্তরিত করেছে। বর্তমান পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে সিলেটের হারানো গৌরব পুনরুদ্ধার এবং একটি ইনসাফভিত্তিক নগর প্রশাসন নিশ্চিত করতে তার মতো একজন ত্যাগী ও সাহসী নেতার কোনো বিকল্প নেই। তাই সিসিক নগর পিতা হিসেবে তিনিই আজ সময়ের শ্রেষ্ঠ দাবিদার।
🔵লেখক:- মোহাম্মদ হাফিজুল ইসলাম
ম্যানেজার⏺️ সাদা পাথর পরিবহন
রেজিঃ নং চ-৭৩৫
সম্পাদক ও প্রকাশক: এম.ফয়জুল হক শিমুল
সহ: সম্পাদক : হাবিবুর রহমান সুলতান
সহ: সম্পাদক : নুরুল হক মাসুদ
সম্পাদক ও প্রকাশক কর্তৃক নিউ বর্ণমালা অফসেট প্রিন্টিং প্রেস, রাজা ম্যানশন জিন্দাবাজার, সিলেট থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত।

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: * সি-৮/৩০ বনশ্রী ঢাকা।
সিলেট অফিস: কমন মার্কেট (৫ম তলা ) বন্দর বাজার, সিলেট।
বিয়ানীবাজার অফিস: ছফর কমপ্লেক্স, দক্ষিণ বিয়ানীবাজার, সিলেট।
যোগাযোগ মোবাইলঃ +88-01713813124
ই-মেইল ॥ somoychitro@gmail.com
বড়লেখা অফিস: নেহার মার্কেট, ( ২য় তলা), বড়লেখা, মৌলভীবাজার।