শ্রীমঙ্গলে মেধাবী ছাত্রীর এক অসহায় পিতার আর্তি ‘আমি দিশেহারা, প্রিয় বাংলাদেশ তুমি কি পারবে আমার কন্যাকে বাঁচাতে

প্রকাশিত: ১২:৩৭ পূর্বাহ্ণ, আগস্ট ১৪, ২০১৭

শ্রীমঙ্গলে মেধাবী ছাত্রীর এক অসহায় পিতার আর্তি ‘আমি দিশেহারা, প্রিয় বাংলাদেশ তুমি কি পারবে আমার কন্যাকে  বাঁচাতে

হাবিবুর রহমান খান,শ্রীমঙ্গল (মৌলভীবাজার)প্রতিনিধি।
অর্থের অভাবে চিকিৎসা হচ্ছে না মস্তিষ্কের জটিল রোগে আক্রান্ত আয়েশা। যার এখন সহপাঠীদের সাথে কলেজে থাকার কথা সে এখন জটিল রোগে আক্রান্ত হয়ে বিছানায় শয্যাশায়ী হয়ে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জান লড়ছে। মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল মুসলিমবাগ আবাসিক এলাকার বাসিন্দা কবির মিয়ার একমাত্র মেয়ে শ্রীমঙ্গল সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্রী মোছা: আয়েশা আক্তার (১৬)।

আয়েশার বাবার পেশা নির্মান শ্রমিক হওয়ায় একমাত্র মেয়ের জন্য সমাজের বিত্তবানদের প্রতি সাহায্যর জন্য হাত বাড়ানোর আহব্বাহ জানিয়েছেন।
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল মুসলিমবাগ এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা নির্মাণ শ্রমিক মোঃ কবির মিয়ার একমাত্র মেয়ে,শ্রীমঙ্গল সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্রী মোছাঃ আয়েশা আক্তার (১৬) বিগত দেড় বৎসর যাবত ‘হাইড্রোফালাস শান্ট’ নামক মস্তিষ্কের জটিল রোগে আক্রান্ত হয়ে পুরো শয্যাশায়ী।
আয়েশা আক্তার শ্রীমঙ্গল সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ২০১৬ সালে ঐ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিল। সে গত ১৬ সালে এস.এস.সি পরীক্ষার এবং মস্তিস্কের ‘হাইড্রোফালাস শান্ট’ নামক মস্তিষ্কের জটিল রোগে আক্রান্ত হয়ে এবার ১৭ সালে এস.এস.সি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারেনি। আমরা কি পারি না? তাকে ভাল করার জন্য চেষ্টা করতে। আমাদের সকলের সাহায্যের হাত বাড়াতে। আমাদের সকলের ক্ষুদ্র সাহায্যে হয়তো আয়েশা তার স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারে। যেতে পারে মাধ্যমিক পাস কলেজে।
মোঃ কবির মিয়ার দুই সন্তান তার মধ্যে একমাত্র বড় মেয়ে আয়েশা । ছোট ছেলের বয়স ৪ বছর হবে। সে সারাদিন তার বোনের পাশে বসে থাকে।আয়েশা কে দেখতে গত বৃহস্পতিবার তার স্কুলে প্রধান শিক্ষক সহ কাস শিক্ষকরা গেল।আশেয়ার স্কুলের ছাত্রীরা টিফিনের টাকা বাঁচিয়ে তার দিকে সাহায্যের বাড়িয়েছে। আয়েশা বাবা এতিমধ্যে তার ঘোমানোর পাঙ্গল টা বিক্রয় করে দিয়েছেন তার চিকিৎসার চিকিৎসার টাকা জন্য।
মেধাবী ছাত্রী মোছাঃ আয়েশা আক্তার মস্তিস্কের ‘হাইড্রোফালাস শান্ট’ নামক মস্তিষ্কের জটিল রোগে আক্রান্ত হয়েছে দেড় বছর ধরে অর্থের অভাবে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে দিনের পর দিন।
তার পঞ্চাশোর্ধ পিতা কবির মিয়া শ্রমিকের কাজ করেন এবং চিকিৎসার ১ম পর্যায়ে ২০১৬ সালে দ্বারে দ্বারে ঘোরে প্রায় লক্ষাধিক টাকা সংগ্রহ করে এ পর্যন্ত চিকিৎসার খরচ নির্বাহ করেছেন।

বিগত দেড় বছর ধরে সিলেট এম এ জি ওসমানী হাসপাতাল ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা করিয়ে তিনি আজ সর্বসান্ত।ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের নিউরোলজী বিভাগের প্রধান জানিয়েছেন,তাকে বাঁচাতে হলে মস্তিস্কের আরোও একটি জটিল অপারেশন ও দীর্ঘস্থায়ী চিকিৎসা প্রয়োজন।এ ক্ষেত্রে প্রায় ৪-থেকে ৫ লক্ষ টাকা জরুরী ভিত্তিতে প্রয়োজন।
বর্তমানে সহায় সম্পদহীন,নিঃস্ব পিতার পক্ষে কন্যার অত্যাবশ্যকীয় চিকিৎসা ব্যয় চালানো পুরোপুরিভাবে অসম্ভব হয়ে পড়েছে। মেধাবী ষোড়সী কন্যাকে বাঁচাতে তিনি রাষ্ট্রপ্রধান জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও সমাজের বিত্তশালীসহ সর্বস্তরের জনগনের নিকট আর্থিক সাহায্যের আবেদন করছেন।

আয়েশা কে সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা মোঃ কবির হোসেন, সঞ্চয়ী হিসাব নং – এফ ৫৬, ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড, শ্রীমঙ্গল শাখা, যোগাযোগ ও বিকাশ হিসাব নং-০১৭৫৫ ১৩৫৩৭৫। এ ছাড়া, অসহায় পিতা ষোড়সী কন্যাকে বাঁচাতে ষোল কোটি বাঙ্গালীর দোয়া ও সমর্থন কামনা করছেন।

এই সংবাদটি 908 বার পঠিত হয়েছে

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ