কিছু অভ্যাস ছেড়ে দিলে পরিপাকতন্ত্রের ক্যানসারের ঝুঁকি কমে

প্রকাশিত: ৯:৩৯ পূর্বাহ্ণ, আগস্ট ২৩, ২০১৬

কিছু অভ্যাস ছেড়ে দিলে পরিপাকতন্ত্রের ক্যানসারের ঝুঁকি কমে

দৈনন্দিন জীবনে ছোট ছোট কিছু অভ্যাস মানুষকে ঠেলে দেয় ক্যানসার নামের প্রাণঘাতী রোগের দিকে। কিছু অভ্যাস ছেড়ে দিলে পরিপাকতন্ত্রের ক্যানসারের ঝুঁকি কমে।

পান, সুপারি, সিগারেটসহ যেকোনো তামাকজাত পণ্য বর্জনীয়।


লবণের সাহায্যে প্রক্রিয়াজাত খাবার এবং ধোঁয়ায় পুড়িয়ে রান্না করা খাবার (স্মোকডফুড) ঝুঁকিপূর্ণ। গরু-খাসির মাংস এবং প্রাণিজ চর্বি থেকে তৈরি করা খাবার কম খাওয়া উচিত।


প্রচুর তাজা ফলমূল এবং শাকসবজি খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। দুধ বা দুধের তৈরি খাবার রাখুন খাদ্যতালিকায়। মাছের তেলও ভালো। সামুদ্রিক মাছ ও আখরোট খান। ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন।


ক্যানসার প্রাথমিক অবস্থায় ধরা পড়লে এর চিকিৎসায় ভালো ফল পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। দৈনন্দিন মলত্যাগের অভ্যাসে বড় কোনো পরিবর্তন, কিছুদিন পাতলা পায়খানা আবার কিছুদিন কোষ্ঠকাঠিন্য, মলের সঙ্গে রক্ত, পেটে কোনো চাকা অনুভব করা হতে পারে পরিপাকতন্ত্রের ক্যানসারের প্রাথমিক লক্ষণ। হঠাৎ ওজন হ্রাস, হঠাৎ অতি অম্লত্ব, অরুচি বা বমি হলেও চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।


চল্লিশোর্ধ্ব ব্যক্তিদের ঝুঁকি এড়াতে বছরে একবার কিছু পরীক্ষা করানো প্রয়োজন। যেমন-রক্তের হিমোগ্লোবিন, রক্তশূন্যতা থাকলে মলে রক্তের উপস্থিতি, যকৃতের অবস্থা ইত্যাদি। পরিবারের কেউ পরিপাকতন্ত্রের ক্যানসারে আক্রান্ত হলে অন্যদেরও ঝুঁকি থাকতে পারে।

ডা. রাফিয়া আলম
মেডিসিন বিভাগ, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

স্বাস্থ্যবটিকা ® ব্রোন স্মিথ
শুয়ে-বসে থাকা অবস্থায় হৃৎস্পন্দনের গতি বেশি হলে কি মৃত্যুঝুঁকি বাড়ে?

ফ্রান্সে ২০ বছরের বেশি বয়সী প্রায় আট হাজার মানুষের ওপর এক জরিপ চালিয়ে দেখা যায়, বিশ্রামরত অবস্থায় যাঁদের হৃৎস্পন্দন মিনিটে ৭৫-এর বেশি, তাঁদের আকস্মিকমৃত্যুঝুঁকি অন্যদের (মিনিটে ৬০-এর কম) চেয়ে সাড়ে তিন গুণ বেশি।

‘স্বাস্থ্যবটিকা’র লক্ষ্য রোগনির্ণয় গোছের কিছু নয়

এই সংবাদটি 631 বার পঠিত হয়েছে