ঢাকা |
প্রকাশিত: ৩:৪৬ অপরাহ্ণ, মার্চ ২৮, ২০১৭
রাজশাহী বিভাগীয় চীফ :
পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার পেঁয়াজ চাষীরা এবার পথে বসেছেন। শিলাবৃষ্টিতে তাদের স্বপ্নের পেঁয়াজ পঁচে গেছে। পঁচা পেঁয়াজ বাতাসে দুগর্ন্ধ ছড়াচ্ছে। সাঁথিয়ার বিভিন্ন হাট-বাজারে ঘুরে দেখা যায় প্রতিমণ পেঁয়াজ ১৫০ থেকে ২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এতে কৃষি শ্রমিকের মজুরি উঠছে না। আবার অনেক চাষি ক্রেতার অভাবে পেঁয়াজ বিক্রি করতে পারছেন না।
মঙ্গলবার (২৮ মার্চ) সকালে সাঁথিয়া সিঅ্যান্ডবি চতুরহাট ঘুরে দেখা যায়, প্রতিমণ পেঁয়াজ ১৫০ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। হাটে আসা কৃষকেরা পাবনা সময়চিত্র কে জানান, পেঁয়াজের ক্রেতা নেই, কার কাছে বিক্রি করবো।
সাঁথিয়ার আতবশুকা গ্রামের কৃষক ইসহাক ৪ মণ পেঁয়াজ বিক্রির জন্য হাটে নিয়ে এসেছেন, কিন্তু ক্রেতা না থাকায় পেঁয়াজ বিক্রি করতে পারছেন না। কিভাবে শ্রমিকের মজুরি ও পাওনাদারদের টাকা পরিশোধ করবেন এ চিন্তায় দিশেহারা। বাড়ী ফেরার খরচের টাকা তার কাছে নেই।
ভবানীপুর গ্রামের মাহাতাব সময়চিত্র কে জানান, ৩ বিঘা জমিতে পিয়াজ আবাদ করে যে পিয়াজ উঠেছে তার অর্ধেকই পচা। তার থেকে বেছে বেছে ৮ মণ পিয়াজ নিয়ে এসেছি হাটে কিন্তু বিক্রি করতে পারছিনা। কিভাবে মহাজনের টাকা দিব।
সাঁথিয়ার আব্দুল লতিফ ফকির পাবনা সময়চিত্র কে জানান, সে এবছর সাত বিঘা জমিতে পেঁয়াজ আবাদ করেছিল। শিলাবৃষ্টিতে তার সব পিয়াজ পচে যাচ্ছে, মজুত করে রাখতে পারছে না আবার বিক্রি করতে পারছে না।
চতুরহাটের পাইকার ও আরৎদার কালাম জানান, কেনা পেঁয়াজই সে সংরক্ষণ করতে পারছে না, পচন ধরে যাচ্ছে। এই পিয়াজ ঢাকা নিয়ে বিক্রি করা যাবে কি না তা নিয়ে সংশয়ে রয়েছে। উল্লেখ্য গত ১৭ মার্চ হালকা বৃষ্টির সাথে ভারী শিলাপাতে সাঁথিয়া উপজেলায় প্রায় ১৪ হাজার হেক্টর জমির অর্ধেকের বেশী পেঁয়াজ নষ্ট হয়ে গেছে
রেজিঃ নং চ-৭৩৫
সম্পাদক ও প্রকাশক: এম.ফয়জুল হক শিমুল
সহ: সম্পাদক : হাবিবুর রহমান সুলতান
সহ: সম্পাদক : নুরুল হক মাসুদ
সম্পাদক ও প্রকাশক কর্তৃক নিউ বর্ণমালা অফসেট প্রিন্টিং প্রেস, রাজা ম্যানশন জিন্দাবাজার, সিলেট থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত।

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: * সি-৮/৩০ বনশ্রী ঢাকা।
সিলেট অফিস: কমন মার্কেট (৫ম তলা ) বন্দর বাজার, সিলেট।
বিয়ানীবাজার অফিস: ছফর কমপ্লেক্স, দক্ষিণ বিয়ানীবাজার, সিলেট।
যোগাযোগ মোবাইলঃ +88-01713813124
ই-মেইল ॥ somoychitro@gmail.com
বড়লেখা অফিস: নেহার মার্কেট, ( ২য় তলা), বড়লেখা, মৌলভীবাজার।