বিয়ানীবাজার উপজেলার ১০ নং মুড়িয়া : ইউপি নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রচারনা চলছে ঘরোয়া বৈঠক ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে : দলীয় প্রতীকে মনোনয়ন পেতে ব্যস্ত প্রার্থীরা

প্রকাশিত: ৩:০২ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০১৬

বিয়ানীবাজার উপজেলার ১০ নং মুড়িয়া : ইউপি নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রচারনা চলছে ঘরোয়া বৈঠক ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে : দলীয় প্রতীকে মনোনয়ন পেতে ব্যস্ত প্রার্থীরা

এম,মিসবাহ উদ্দিন
—————————–
বিয়ানিবাজার উপজেলার মুড়িয়া ইউনিয়েনে ইউপি নির্বাচনকে  সামনে রেখে
এখন থেকে সভা ও প্রচার প্রচারনা শুরু করে দিয়েছেন চেয়ারম্যান ও মেম্বার প্রার্থীরা এমনকি দলের কর্মী থেকে শুরু করে উচ্চ পর্যায়ে নেতারা  প্রচার প্রচারনা ঘরুয়া বৈঠক ও সামাজিক মাধ্যম গুলুতে প্রচার করছেন মনোনিত প্রার্থীর এই নিয়ে অনেকে আলোচনা সমালোচনা করছেন চা”স্টল থেকে হোটেল রেস্তোরা  য়  ২০১১সালের নির্বাচনের পর থেকে অনেকে ভিতরে ভিতরে  গ্রামের সামাজিক সাংস্কৃতিক   কর্মকান্ডে নিজেকে জড়িয়ে নিচ্ছেন  জনগনের মন কে জয় করার জন্য , কিন্তু এবারের ইউনিয়ন নির্বাচন। দলীয় প্রতিকে অনুষ্টিত হবে  শুনে হুচট খেয়েছেন অনেক প্রার্থীরা কেউ কেউ সরকারের এই সিদ্বান্তকে  নিজেদের ভাগ্য খুলতে পারে এই ভেবে স্বাগত্ব জানাচ্ছেন আবার কেউ  সমালোচনা  করছেন
প্রতিটি গ্রামের মানুষের মুখে শুধু এই আলোচনা ।  এই প্রতিবেদক মুড়িয়া  ইউনিয়ন সরেজমিন ঘুরে  কথা  বলেছেন অনেক প্রার্থীর সাথে প্রকাশ পেয়েছে সম্ভাব্য প্রাথীদের মনের কথা  সরকারের এই সিদ্বান্তের পূর্ব থেকে অনেক প্রার্থী জোড়সুরে প্রচারনায় ব্যস্ত রয়ছেন দলীয় প্রতীকে  মনোনয়নের কথা শুনে অনেকে স্থগিত রেখেছেন প্রচারনা লবিং শুরু করে দিয়ছেন  দলের শীর্ষনেতাদের সাথে  যারা রাজনীতি থেকে ঘা ডাকা দিয়েছিলেন তারাও আবার যোগ দিচ্ছেন রাজনীতিতে যে দলের নেতা বা কর্মী দলীয় প্রতিকে মনোনয়ন পেতে আশ্বাবাদী  সরকারের এ সিদ্বান্তে অনেকে বিব্রতকর অবস্থায় পড়েছেন  কথা বলে এমন্টা বুঝা যায়।, নাম প্রকাশে অনিচ্চুক একাদিক চেয়ারম্যান  প্রার্থী  বলেন  স্থানীয় নির্বাচনে দীর্ঘদিন থেকে যেভাবে হচ্ছিল সেভাবে হওয়া সবার জন্য সুবিদা ছিল
একই দলের একাধিক প্রার্থী রয়েছেন,  কে পাবেন দলের। মনোনয়ন  তা এখন নিশ্চিত নই।  মুড়িয়া ইউনিয়ন ঘুরে  ও
বিভিন্ন দলের নেতাকর্মী ও সচেতন রাজনৈতিক ব্যাক্তিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে দলীয় মনোনয়নে নির্বাচন হওয়ায় স্থানীয় আওয়ামী লীগ কে একক প্রার্থী চুড়ান্ত করতে হিমশিম খেতে হবে।তবে এক্ষেত্রে অাওয়ামীলীগের প্রধান প্রতিদ্বন্দী জামায়াত হওয়ায় জামায়াতের প্রার্থী সিলেকশনের উপর নির্ভর করে ঘোষনা অাসবে এটা মোটামুটি নিশ্চিত। অাওয়ামীলীগের টিকেট পাওয়ারদৌড়ে রয়েছেন উপজেলা কমিটির যুগ্ম সম্পাদক সামছুদ্দিন মাখন ক্রিড়াও যুব সম্পাদক নজরুল ইসলাম, সাবেক ইউ পি সেক্রেটারী হুমায়ুন কবির, যুবলীগ নেতা অহিদুর রেজা মাছুম,  যুবলীগ নেতা, জাকারিয়া মাহমুদ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা ফয়ছল অাহমদ,শ্রমিকলীগ নেতা লুৎফুর রহমান ছায়েদ, প্রবাসী নেতা ছাব্বির অাহমদ ও মিছবাহ উদ্দিন। এ দিকে  ইউ পি নির্বাচনে অংশ গ্রহনে জন্য দলের হাইকমান্ডের সিদ্ধান্তের আগে প্রকাশ্যে বি এন পির কোন নেতা প্রার্থীতা ঘোষনা না করলেও তৃনমূলের কর্মীরা তাদের পছন্দের প্রার্থীর পক্ষে প্রচারনা চালাচ্ছেন।
জামায়াতে ইসলামী একক প্রার্থী দেওয়ার ক্ষেত্রে মামলা ও অাঞ্চলিকতার কারণে এবার সমস্যা পড়তে পারে।এখনো পর্যন্ত বর্তমান চেয়ারম্যান অাবুল খয়ের, সাবেক শিবির নেতা ফরিদ অাল মামুন, পৌর জামায়াতের অামির মস্তফা উদ্দিন, জামায়াত নেতা অাব্দুল বাছিত, অাব্দুল মন্নান ও মাওঃ নুরুল হকের নাম শুনা যাচ্ছে।
জাতীয় পার্টি প্রার্থী নির্বাচনের এখনো ক্ষেত্রে নিশ্চুপ রয়েছে।

এই সংবাদটি 652 বার পঠিত হয়েছে

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ