গোলাপগঞ্জে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম নিবন্ধনে চলছে জমজমাট বাণিজ্য !

প্রকাশিত: ২:০৫ অপরাহ্ণ, মার্চ ১, ২০১৬

গোলাপগঞ্জে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম নিবন্ধনে চলছে জমজমাট বাণিজ্য !
 .
জাহিদ উদ্দিন,গোলাপগঞ্জ:দেশে বিভিন্ন কোম্পানীর সিম নিবন্ধন করা বাধ্যতা মুলক করেছে সরকার।গত ১৭ জানুয়ারি থেকে গ্রামীণ ফোন ও বাংলালিংক কোম্পানির সিম নিবন্ধনের প্রক্রিয়া শুরু করেছে।সিম নিবন্ধনে গোলাপগঞ্জে চলছে জমজমাট বাণিজ্য।নিবন্ধনের প্রথম কয়েক দিন মোবাইল অপারেটর কোম্পানির অনুমোদিত রিটেইলররা সিম নিবন্ধনের জন্য গ্রাহকদের কাছ থেকে টাকা না নিলেও বর্তমানে গ্রামীণ ফোন মোবাইল কোম্পানির অনুমোদিত রিটেইলররা কোম্পানির নির্ধারিত কমিশন পাওয়া সত্ত্বেও সিম নিবন্ধনের জন্য গ্রাহকদের কাছ থেকে নিচ্ছেন বাড়তি টাকা।সিলেটের গোলাপগঞ্জের উপজেলায় প্রায় সবখানেই গ্রাহকদের টাকা দিয়ে সিম নিবন্ধন করতে হচ্ছে।এতে চরম ভোগান্তিতে রয়েছেন গ্রাহকরা।অনেক গ্রাহক সিম নিবন্ধন না করেই বাড়ি ফিরছেন।এতে সরকারের মহতি উদ্যোগ ভেস্তে যাচ্ছে বলেও মনে করছেন সচেতন মহল।বায়োমেট্রিক পদ্ধতির মাধ্যমে সিম নিবন্ধন করতে আসা হাজারো গ্রাহকদের মাঝে দেখা দিয়েছে নানা ক্ষোভ।সরকার অবৈধ সিম ব্যবহার ও নানা অপরাধ দমনের জন্য বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে বৃদ্ধা আঙুলের ছাপ নিয়ে সিম নিবন্ধন পদ্ধতি চালু করে।সরকারের এ মহতী উদ্যোগে বাধা সৃষ্টি করছে রিটেইলররা।ফলে সিম নিবন্ধন থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন গ্রাহকরা।বিটিআরসি’র জারিকৃত নির্দেশনায় কোন মোবাইল ফোন অপারেটর গ্রাহকদের কাছ থেকে টাকা বা নিবন্ধন ফি নিতে পারবে না।এমন নির্দেশনা থাকলেও গ্রাহকদের নিকট থেকে দোকানীরা বাড়তি টাকা নিচ্ছে।

সিম নিবন্ধন করতে আসা কয়েজন গ্রাহক জানান,বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম নিবন্ধনের জন্য অনুমোদিত রিটেইলারের কাছে সিম নিবন্ধনের জন্য গেলে তারা প্রতিটি সিমের জন্য ১০ টাকা করে দাবি করেন।এতে তারা দোকানীর সাথে বাকবিতন্ডা করে ফিরে যান।এছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন গ্রামীন ফোন রিটেইলররা সিম নিবন্ধনের জন্য যে যার ইচ্ছেমত গ্রাহকদের কাছ থেকে আদায় করছে টাকা।

সরজমিনে দেখা যায়, উপজেলার গোলাপগঞ্জ,ঢাকাদক্ষিণ,হেতিমগঞ্জ,ভাদেশ্বর বাজার সহ বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত মোবাইল দোকানে সিম নিবন্ধনের জন্য গ্রাহকদের সময় বেধে দেয়া হচ্ছে ।বিশেষ করে গ্রাম এলাকার রিটেইলররা এধরনের অনিয়ম বেশি করছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।অনেক রিটেইলর গ্রাহদের সাথে খারাপ আচরণও করছেন।

কয়েকজন সীম রিটেইলারদের কথা বললে তার জানান,বেশি সিম নিবন্ধন করতে হচ্ছে তাই পারিশ্রমিক হিসাবে গ্রাহকদের কাছ থেকে সামান্য টাকা নেয়া হচ্ছে।এছাড়াও দোকানে একজন কর্মচারি রাখা হয়েছে শুধু সিম নিবন্ধনের জন্য।তার বেতনের জন্য এই টাকা নেয়া হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেছেন।

এ ব্যাপারে গ্রামীন ফোন হেল্প লাইন ১২১ নম্বরে ফোন করা হলে একজন কাস্টমার কেয়ার প্রতিনিধি জানান, আমাদের গ্রামীণ ফোন কোম্পানি থেকে সিম নিবন্ধনের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছাড়া কোন প্রকার টাকা নেয়ার কথা বলা হয়নি।তবে কোন রিটেইলর যদি টাকা নিয়ে থাকে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে কোম্পানি অবশ্যই ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

.

এই সংবাদটি 422 বার পঠিত হয়েছে

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ