বড়লেখায় শিশু নির্যাতন মামলায় দুই আসামী গ্রেফতার

প্রকাশিত: ১০:৩৯ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ২২, ২০২২

বড়লেখায় শিশু নির্যাতন মামলায় দুই আসামী গ্রেফতার

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় নারী ও শিশু নির্যাতন মামলার দুই আসামী গ্রেফতার করা হয়েছে। ২২ নভেম্বর শাহবাজপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রর তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মাসুক মিয়া তাদের আটক করে আদালতে সোপর্দ করেন। বড়লেখা থানার মামলা নং ১১ তারিখ ২২/১১/২০২২
গ্রেফতারকৃত আসামী ১.) রাসেল আহমদ (২২), পিতা- রুনু মিয়া, মাতা- আনোয়ারা বেগম, গ্রাম- সুজাউল, উপজেলা- বড়লেখা, জেলা- মৌলভীবাজার, ২. কয়ছর আহমদ (১৯), পিতা- আব্দুল আজিজ, মাতা- রুশনা বেগম, গ্রাম- সায়পুর, উপজেলা- বড়লেখা, জেলা- মৌলভীবাজার, দ্বয়কে যথাযথ পুলিশ প্রহরার মাধ্যমে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হইয়াছে।
এজাহারে মানিত ১নং সাক্ষী ভিকটিম ইমরান আহমদ মামলার বাদীর ছেলে। সে পাকার কাজ করে। আসামী কয়ছর আহমদ ও বাদী একই গ্রামের বাসিন্দা। সে ইলেক্টশিয়ানের কাজ করে। গত ২০ নভেম্বর রাত অনুমান ০৭:৩০ ঘটিকায় উক্ত আসামী কয়ছর আহমদ বাদীর বাড়ীতে এসে বাদীর ছেলেকে বলে আজকে তাহার যোগালী নাই। সে ভিকটিম ইমরান আহমদকে তার সাথে এক জায়গায কারেন্টের কাজে যেতে অনুরোধ করে। সে ভিকটিমকে ০২ ঘন্টার জন্য ২০০/-টাকা পারিশ্রমিক দিতে চায়। উক্ত আসামীকে ভিকটিম চাচা বলে ডাকে। একই গ্রামে বাড়ী হওয়ায় ভিকটিম ইমরান আহমদ আসামী কয়ছর আহমদের সহিত কাজে যেতে রাজী হয়। আসামী কয়ছর আহমদ ভিকটিমকে ১নং আসামী রাসেল আহমদ এর বাড়ীতে নিয়া যায়। সেখানে ভিকটিমকে আসামী রাসেল আহমদের একটি কক্ষে বসতে দেয়। অপর কক্ষে আসামীদ্বয় গাঁজা জাতীয় নেশা সেবন করে। রাত অনুমান ০৮:০০ ঘটিকায় আসামী কয়ছর ভিকটিমকে বলে ভাতিজা তুমি রাসেলের সহিত যাও। ভিকটিম সরল বিশ্বাসে কারেন্টের কাজ করবে বলে আসামী রাসেল আহমদের সাথে যায়। ২০ নভেম্বর রাত অনুমান ০৮:৩০ ঘটিকায় আসামী রাসেল আহমদ ভিকটিম ইমরান আহমদকে বড়লেখা থানাধীন আল্লাদাত চা বাগানস্থ লংকা টিলার নির্জন স্থানে নিয়া যায়। আসামী রাসেল আহমদ তাহার সাথে আনা একটি লুঙ্গি মাটিতে বিছায় এবং ভিকটিমকে লুঙ্গির উপরে বসতে বলে এবং প্রাণে হত্যার ভয়ভীতি দেখিয়ে ভিকটিমের পড়নের প্যান্ট খুলে ভিকটিম ইমরান আহমদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর পূর্বক ধর্ষণ করে ইমরান আহমদকে অন্ধকার একটি রাস্তার মুখে ফেলে যায়। ভিকটিম রাস্তা হারিয়ে কান্নাকাটি করতে থাকলে কতেক সাক্ষীরা ভিকটিমকে পেয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে ভিকটিম সাক্ষীদেরকে বিস্তারিত ঘটনা জানায় সাক্ষীরা ভিকটিম ইমরান আহমদকে শাহবাজপুর বাজারে নিয়ে আসে এবং বাদীকে ফোন করে অবগত করে। বাদী শাহবাজপুর বাজারে আসলে ভিকটিম ইমরান আহমদ বাদীকে বিস্তারিত ঘটনা জানায়। আসামী কয়ছর আহমদের সহায়তায় আসামী রাসেল আহমদ বাদীর ছেলে ভিকটিম ইমরান আহমদকে জোর পূর্বক ধর্ষণ করেছে মর্মে প্রতীয়মান হয়। বাদী তাহার ছেলেকে বড়লেখা হাসপাতালে নিয়া ভর্তি করে চিকিৎসা অগ্রগামী করা হল করেন মর্মে এজাহারে উল্লেখ করেন। প্রাথমিক তদন্তে উক্ত আসামীদ্ব অত্র মামলার ঘটনার সহিত জড়িত থাকার বিষয়ে যথেষ্ট তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যায়।

শাহবাজপুর তদন্ত কেন্দ্রর ইনচার্জ ইন্সপেক্টর রবিউল হক আটককৃতদের আদালতে সোপর্দ করার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এই সংবাদটি 430 বার পঠিত হয়েছে

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ