প্রেমের ফাঁদে ফেলে ২ স্কুল ছাত্রীকে গনধর্ষন : আটক ৩

প্রকাশিত: ৩:১৪ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১৪, ২০১৬

প্রেমের ফাঁদে ফেলে ২ স্কুল ছাত্রীকে গনধর্ষন : আটক ৩

প্রেমের ফাঁদে ফেলে সিলেট শহরতলীল চিকনাগুলে ২ স্কুল ছাত্রীকে গনধর্ষন করেছে বখাটেরা। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে নিজাম উদ্দিন, কবির মিয়া, উজ্জল মিয়া নামের ৩ যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে।

মঙ্গঁলবার সকালে শহরতলীর চিকনাগুল এলাকার খান বাগানে এ ঘটনা ঘটে। ধর্ষিতরা হলেন, সিলেট পুর্ব শাপলাবাগের সেলিম মিয়ার কলোনীর তারা মিয়ার মেয়ে ইউসুফ স্কুলের অষ্টম শ্রেনীর ছাত্রী তাহেরা বেগম (১৩) ও সিলেট নগরীর রাজপাড়ার মনি মিয়ার কলোনীর শহীদ মিয়ার মেয়ে ইউসুফ স্কুলের অষ্টম শ্রেনীর ছাত্রী সোনিয়া বেগম (১৩)।

ধর্ষিতা তাহেরাকে রাত ১২ টার সময় সিলেট এমসি কলেজের সামন থেকে এবং সোনিয়াকে বেলা ৩টার সময় খান বাগান থেকে উদ্ধার করে স্হানীয় জনতা। প্রচুর রক্ত করনের ফলে তাদেরকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় ধর্ষনকারি সিলেট নগরীর টিলাগড় টিকর পাড়ার আবুল কালামের ছেলে নিজাম উদ্দিন (১৫), শাপলাবাগ ২ নং রোডের ১৭ নং বাসার নজরুল ইসলামের ছেলে কবির মিয়া (১৭) ও টিলাগড় গোপাল টিলা ২ নং রোডের ৬০ নং বাসার আজিম মিয়ার ছেলে উজ্জল মিয়া (১৫)কে আটক করে পুলিশে দেয়া হয়েছে।

জানা যায়, সোনিয়ার সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে নিজাম উদ্দিনের এবং তাহেরার সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে কবির মিয়ার। গতকাল মঙ্গঁলবার ঈদুল আযহা উপলক্ষে নিজাম ও কবির তাহেরা ও সোনিয়াকে বেড়াতে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে। তাহেরা ও সোনিয়া তাদের কথায় সরল বিশ্বাসে রাজি হয়ে যায়। আর এসব খবর আদান প্রদানে কাজ করে নিজাম ও কবিরের অপর বন্ধু উজ্জল।

ঘটনার দিন সকালে তাহেরা ও সোনিয়া কবির, নিজাম ও উজ্জলের সাথে চিকনাগুল খান বাগানে বেড়াতে যায়। এসময় ওখানে আগে থেকেই থাকা নিজাম, কবির ও উজ্জলের অন্যান্য বন্ধরা অপেক্ষা করছিল। পরে তাহেরা ও সোনিয়াকে পালাক্রমে নিজাম, উজ্জল, কবির ও তাদের অন্যান্য বন্ধুরা মিলে ধর্ষন করে ফেলে আসে। তাহেরা নিজেকে কোন রখম সামলে নিয়ে বাসায় ফিরে আসার চেষ্টা করে।

রাত ১২টার সময় সিলেট এমসি কলেজের সামনে এসে অজ্ঞান হয়ে পড়ে যায়। এসময় তাকে স্হানীয় জনতা উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী হাসপাতালে প্রেরন করেন। এদিকে সোনিয়াকে গনধর্ষনের ফলে তার প্রচুর রক্তকরন হয়। সে খান বাগানেই পড়ে থাকে। পরে ওখানের স্হানীয় জনতা তাকে উদ্ধার করে টুলটিকর ইউনিয়ন পরিষদের ৩ নং ওয়ার্ডের সদস্য হাবিবুর রহমান ফয়সলের হাতে তুলে দেন।

পরে সোনিয়া ঘটনাটি খুলে বললে টুলটিকর ইউনিয়ন পরিষদের ৩ নং ওয়ার্ডের সদস্য হাবিবুর রহমান ফয়সল স্হানীয় জনতাকে সাথে নিয়ে ধর্ষনকারিদের আটক করে সিলেট শাহপরান থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন। এ ব্যাপারে সিলেট শাহপরান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহজালাল মুন্সি জানান, ঘটনাস্হল জৈন্তা থানাধীন হওয়ায় মামলা হবে জৈন্তা থানায়। আমরা আসামীদেরকে জৈন্তা থানায় পাঠিয়ে দিব।

এই সংবাদটি 953 বার পঠিত হয়েছে

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ