কমলগঞ্জের নার্সারী শিল্প: প্রকৃতিতে অক্সিজেন যোগানোর অদম্য কারখানা

প্রকাশিত: ১:২৩ পূর্বাহ্ণ, নভেম্বর ১, ২০২৫

কমলগঞ্জের নার্সারী শিল্প: প্রকৃতিতে অক্সিজেন যোগানোর অদম্য কারখানা

জেলা প্রতিনিধি, মৌলভীবাজার:

প্রকৃতিতে এখনো সতেজতা। এরমধ্যে নার্সারীগুলোতে চলছে চারা উৎপাদন ও বিক্রির হিড়িক চলছে। গাছ লাগানো ও বাগান করার উপযুক্ত মৌসুম অতিবাহিত হচ্ছে। এই মৌসুমেই মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের নার্সারী পল্লীগুলো সবুজ প্রকৃতি গড়ার ভা-ার ও অক্সিজেন যোগানোর এক অদম্য কারখানা হিসাবে পরিচিত। নার্সারীগুলোতে চা বাগানের বেকার শত শত নারী পুরুষ খুঁজে পেয়েছেন কর্মসংস্থানের সন্ধানও।

উৎপাদিত গাছ ও ফুল ফলের চারা বিক্রি করে ব্যাপক সাফল্য লাভ করছেন নার্সা

{“capture_mode”:”AutoModule”,”faces”:[]}

রী মালিকরা। চা বাগান, বনাঞ্চল আর কৃষি অধ্যুষিত কমলগঞ্জ উপজেলায় নার্সারী ব্যবসায় বিপ্লব দেখা দিয়েছে। সবুজ প্রকৃতি গড়ার কারিগর নার্সারী মালিকরা হাট বাজারে, রাস্তার ধারে এবং গ্রামের বাড়িতে বাড়িতে গড়ে তুলছেন নার্সারী শিল্প। বাণিজ্যিক ভিত্তিতে গড়ে উঠা ছোট বড় নার্সারীর মালিকরা চারা বিক্রি করে সফলতা লাভ করছেন। নার্সারী মালিকদের কেউ কেউ রয়েছেন প্রশিক্ষিতও। ফুল, ফল, বনজ ও ঔষধি জাতের চারা উৎপাদনে বাহারি রঙ্গের চারায় ভরপুর রয়েছে এসব নার্সারী। সরেজমিন ঘুরে জানা যায়, উপজেলার বিভিন্ন স্থানে প্রায় শতাধিক নার্সারী গড়ে উঠেছে। শমশেরনগর বাজার থেকে কুলাউড়া ও পতনঊষার সড়কে এবং শ্রীসূর্য্য গ্রামের বিভিন্ন এলাকায় রয়েছে অর্ধশতাধিক নার্সারী। জমি ইজারা নিয়ে কিংবা নিজস্ব জমিতে নার্সারী গড়ে তুলেছেন। গত কয়েক বছর যাবত নার্সারী সমুহে দেশী-বিদেশী নানা প্রজাতির গাছ, ফুল ও ফলের চারা উৎপাদন ও বিক্রয়

এই সংবাদটি 195 বার পঠিত হয়েছে

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ