গোলাপগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র পাপলুর বিরুদ্ধে দূদকের তদন্ত শুরু 

প্রকাশিত: ১:৩৩ অপরাহ্ণ, জুন ১৭, ২০১৬

গোলাপগঞ্জ প্রতিনিধি :গোলাপগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র জাকারিয়া আহমদ পাপলুর জ্ঞাত আয় বহির্ভুত সম্পদ অর্জন সহ বিভিন্ন দূর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধান ও তদন্ত শুরু করেছে দূর্নীতি দমন কমিশন (দূদক)।দূদকের প্রধান কার্যালয়ের অনুসন্ধান ও তদন্ত শাখা সূত্রে জানা গেছে,পাপলুর দূর্নীতির অভিযোগ তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে দূদক সমন্বিত জেলা কার্যালয় সিলেট এর সহকারী পরিচালক দেবব্রত মন্ডলকে।পাপলুর বিরুদ্ধে নাগরিক হয়রানী করে অসদুপায়ে বিভিন্ন খাতে টাকা আদায়, জিম্মি করে অতিরিক্ত হোল্ডিং কর আদায়,ইমারতের নকশা অনুমোদন খ্যাতে দূর্নীতি সহ গতবছর স্থানীয় সরকার সিলেট শাখা কর্তৃক পৌরসভা অফিস পরিদর্শন প্রতিবেদনে সাড়ে ৫ কোটি টাকার আর্থিক অনিয়ম অভিযোগের তদন্ত হবে।এসব তদন্তের প্রাথমিক পর্যায়ে পৌর এলাকার বিভিন্ন বাসাবাড়ির মালিক ও ভুক্তভোগী জনগণকে তাদের হয়রানীর বিষয়ে বক্তব্য উপস্থাপনের জন্য তদন্ত কর্মকর্তা নোটিশ দিয়েছেন বলে জানা গেছে। এ দিকে অনুসন্ধানে জানা গেছে, ২০০৭ সালে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে তৎকালীন চেয়ারম্যান জাকারিয়া আহমদ পাপলুর বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে তদন্ত হয়।অভিযোগ প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে দায়ের করা হয় একাধিক মামলা।এক পর্যায়ে ২০০৭ সালের ০৮ জানুয়ারি দূর্নীতির অভিযোগে চেয়ারম্যান পদ থেকে বরখাস্ত হন মেয়র পাপলু।২০০৯ সালে পৌরসভার আত্নসাতকৃত ৯ লক্ষ ৭ হাজার ১৩০ টাকা সরকারী ফান্ডে ফেরত দিতে বাধ্য হন পাপলু। দূদক এর সিলেট এর আঞ্চলিক কার্যালয়ের ২০-০২-২০০৯ তারিখের ১৮১ নং স্মারকের তদন্ত প্রতিবেদন ও ২৮-০১-২০০৯ তারিখের ৭৩ নং স্মারকের নির্দেশে পাপলু এ টাকা ফেরত দিয়ে দুদকের মামলা থেকে রেহাই পান। এ দিকে গোলাপগঞ্জ পৌরসভা সূত্রে জানা গেছে,নতুন মেয়র সিরাজুল জব্বার চৌধুরীকে পৌরসভার যাবতীয় হিসাব- নিকাশ ও নথিপত্র হস্তান্তর না করে তা অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত সচিব কাম নির্বাহী প্রকৌশলী যুগেশ্বর চ্যাটার্জির ও সাবেক মেয়র পাপলুর বিরুদ্ধে। এই অভিযোগটিও পৃথকভাবে একইসাথে তদন্ত শুরু করেছে দূদক।

এই সংবাদটি 322 বার পঠিত হয়েছে

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ