গোলাপগঞ্জ (সিলেট) প্রতিনিধি:সিলেটের গোলাপগঞ্জে ইভটিজিং মামলায় এক যুবকের ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।পাশাপাশি ২০ হাজার টাকার জরিমানা অনাদায়ে আরো ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেয়া
হয়েছে।সোমবার সিলেটের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক বিমল চন্দ শিকদার এ রায় দেন।দণ্ডপ্রাপ্ত আসামীরর নাম আব্দুর রহিম(৩৫)।সে সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার মীরগঞ্জ এলাকার হাওরতলা গ্রামের সমছু মিয়ার পুত্র।
মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায়, গোলাপগঞ্জের হাওরতলা গ্রামের দেলওয়ার হোসেনের চার মেয়ের প্রত্যেককে প্রায়ই উত্ত্যক্ত বখাটে আব্দুর রহিম।তার তিন মেয়ের বিয়ে হয়ে গেলে ছোট মেয়ে স্থানীয় মীরগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর পিচু নেয় সে। এ ব্যাপারে স্থানীয় ভাবে তাকে শাসানো হলেও দমেনি।
২০১০ সালের ১১ মে মেয়েটি প্রাইভেট পড়ে শিক্ষকের কাছ থেকে যাওয়ার পথে আগে থেকেই ওঁত পেতে থাকা রহিম তাকে ঝাপটে ধরে পাশবিক নির্যাতন চালালে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে।এ ঘটনায় ছাত্রীর মা পিয়ারা বেগম বাদী হয়ে আব্দুর রহিমের বিরুদ্ধে গোলাপগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা একটি মামলা দায়ের করেন।মামলা নং-১৪(২১-০৮-২০১০)।
সূত্রে জানা যায়,দীর্ঘ তদন্তের পর একই বছরের ২০ সেপ্টেম্বর গোলাপগঞ্জ থানার এস আই আবু জাফর মিয়া একমাত্র আসামী আব্দুর রহিমকে অভিযুক্ত আদালতে এ মামলার চার্জশিট দাখিল করেন।২০১১ সালের ২৪ মার্চ থেকে আদালত এ মামলাএ বিচারকার্য
শুরু করেন।দীর্ঘ শুনানি ও ৭ সাক্ষীর সাক্ষ গ্রহন শেষে আদালত আসামী আব্দুর রহিমকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০(সংশোধিত, ০৩)এর ১০ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে তাকে উল্লেখিত দণ্ডাদেশ প্রদান করা হয়।রাষ্ট্র পক্ষে বিশেষ পিপি এডভোকেট মো:আব্দুল মালেক ও আসামী পক্ষে শাহ মো:মোশাহিদ আলী মামলাটি পরিচালনা করেন।