ঢাকা |
প্রকাশিত: ৯:৩৫ অপরাহ্ণ, জুলাই ১৮, ২০২৩
স্টাফ রিপোর্টার:
মৌলভীবাজারের বড়লেখায় রাতের আধারে এক তরুণীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত রোববার (১৬ জুলাই ২০২৩ সাল) রাতে এই ঘটনা ঘটেছে। নিহত ওই তরুণীর নাম আমিনা (১৬)। আমিনা বড়লেখা সদর ইউপির বাসিন্দা বদরুল ইসলামের মেয়ে। এই ঘটনায় পরদিন সোমবার (১৭ জুলাই ২০২৩) সন্ধ্যায় নিহত আমিনার বাবা বদরুল ইসলাম বাদি হয়ে নয়জনের নামে মামলা করেছেন।
অভিযোগ উঠেছে, স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতাদের ইন্ধনে মামলায় সাপ্তাহিক বড়লেখা পত্রিকা সিনিয়র সাংবাদিক খন্দকার সাহেদ ও তার ভাই খন্দকার ছালেহ আহমদ এবং একাত্তর টিভির সাংবাদিক এজে লাভলুকে আসামি করা হয়েছে। এই ঘটনায় পরিকল্পিতভাবে সাংবাদিক খন্দকার সাহেদ হাসান ও এজে লাভলুকে আসামি করায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় সাংবাদিকরা। তারা অবিলম্বে সাংবাদিক খন্দকার সাহেদ হাসান ও এজে লাভলুর ওপর থেকে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন। অন্যথায় থানা ঘেরাও করে আন্দোলনের হুশিয়ারি দেয়া হয়েছে।
স্থানীয় ও নিহত তরুণীর পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত রোববার (১৬ জুলাই ২০২৩ সাল) রাতে বড়লেখা সদর ইউপির বাসিন্দা বদরুল ইসলামের মেয়ে আমিনাকে কে বা কারা তুলে নিয়ে নির্জনস্থানে ধর্ষণের পর হত্যা করে বাড়ির পাশে ফেলে যায়। পরদিন সোমবার (১৭ জুলাই ২০২৩) ভোরে বাড়ির পাশে ওই তরুণীর রক্তাক্ত লাশ পায় পরিবার। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ওই তরুণীর লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করে। এই ঘটনার খবর পেয়ে সকালে সাংবাদিক খন্দকার সাহেদ ও সাংবাদিক এজে লাভলুকে খবর সংগ্রহ করতে যান।
এদিকে এই ঘটনায় সোমবার (১৭ জুলাই ২০২৩) সন্ধ্যায় নিহত আমিনার বাবা বদরুল ইসলাম বাদি হয়ে নয়জনের নামে মামলা করেছেন। অভিযোগ উঠেছে, স্থানীয় দুর্নীতিবাজ আওয়ামীলীগ নেতাদের ইন্ধনে মামলায় সাপ্তাহিক বড়লেখা পত্রিকা সিনিয়র সাংবাদিক খন্দকার সাহেদ ও তার ভাই খন্দকার ছালেহ আহমদ এবং একাত্তর টিভির সাংবাদিক এজে লাভলুকে আসামি করা হয়েছে।
ধর্ষণ মামলায় আসামি করায় সিনিয়র সাংবাদিক খন্দকার সাহেদ বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, স্থানীয় দুর্নীতিবাজ আওয়ামীলীগ নেতাদের বিরুদ্ধে ইন্ধনে আমাকে ও আমার ভাইকে এবং সাংবাদিক এজে লাভলুকে আসামি করা হয়েছে। ওই তরুণীকে হত্যার খবর পেয়ে সকালে আমরা তার বাড়িতে গিয়েছিলাম। তখন ঘটনার কারণ জানতে চাইলে তার বাবা কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেছিলেন, তার মেয়ে রাতে ঘরে ঘুমিয়েছিল। কিন্তু ভোরে স্থানীয়রা ডাকে ঘুম থেকে উঠে দেখেন বাড়ির পাশের তার মেয়ের রক্তাক্ত দেহ। কে বা কারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে তিনি জানেন না। তবে তিনি এই ঘটনার ন্যায় বিচার চান। সাংবাদিক সাহেদ বলেন, কারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে মেয়ের বাবা তা জানেন না। তাহলে তিনি না জেনে কীভাবে আমাদের আসামি করলেন। তার অভিযোগ, স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতাদের নানা অনিয়ম-দুর্নীতি নিয়ে বিভিন্ন সময় সংবাদ লেখায় তারা আমিনার বাবা বদরুল ইসলামকে দিয়ে তার মেয়েকে ধর্ষণের পর হত্যা মামলার আসামি আমাদের করেছে।
স্থানীয় সাংবাদিক ও সংস্কৃতি কর্মী রিপন দাস বলেন, সাংবাদিক খন্দকার সাহেদ হাসান ও এজে লাভলুকে পরিকল্পিতভাবে ফাঁসানো হয়েছে। তিনি বলেন, ঘটনার পর নিহত ওই তরুণীর বাবা বলেছিলেন, তিনি জানেন না কারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে। অথচ সন্ধ্যায় তিনি সাংবাদিক খন্দকার সাহেদ হাসান ও এজে লাভলুকে পরিকল্পিতভাবে আসামি করে মামলা করলেন। পুলিশও এই ঘটনার কোনো তদন্ত ছাড়াই তাদের আসামি করেছে। আমরা এই ঘটনার নিন্দা জানাই।
নিহত আমিনার বাবা মামলার বাদি বদরুল ইসলামের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করে সাংবাদিক খন্দকার সাহেদ হাসান ও এজে লাভলুকে আসামি করার কারণ জানতে চাইলে তিনি ফোনের সংযোগ কেটে দিয়ে ফোন বন্ধ করে দেন।
তদন্ত ছাড়াই কিশোরীকে ধর্ষণের পর হত্যা মামলায় সাংবাদিক খন্দকার সাহেদ হাসান ও এজে লাভলুকে আসামি করার কারণ জানতে চাইলে বড়লেখা থানার ওসি জাহাঙ্গীর হোসেন সরদারের বলেন, ঘটনাটি আমরা খতিয়ে দেখছি।
রেজিঃ নং চ-৭৩৫
সম্পাদক ও প্রকাশক: এম.ফয়জুল হক শিমুল
সহ: সম্পাদক : হাবিবুর রহমান সুলতান
সহ: সম্পাদক : নুরুল হক মাসুদ
সম্পাদক ও প্রকাশক কর্তৃক নিউ বর্ণমালা অফসেট প্রিন্টিং প্রেস, রাজা ম্যানশন জিন্দাবাজার, সিলেট থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত।

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: * সি-৮/৩০ বনশ্রী ঢাকা।
সিলেট অফিস: কমন মার্কেট (৫ম তলা ) বন্দর বাজার, সিলেট।
বিয়ানীবাজার অফিস: ছফর কমপ্লেক্স, দক্ষিণ বিয়ানীবাজার, সিলেট।
যোগাযোগ মোবাইলঃ +88-01713813124
ই-মেইল ॥ somoychitro@gmail.com
বড়লেখা অফিস: নেহার মার্কেট, ( ২য় তলা), বড়লেখা, মৌলভীবাজার।