ঘুরে আসতে পারেন এশিয়ার বৃহৎ জলভুমি হাকালুকি হাওর

প্রকাশিত: ২:১৮ অপরাহ্ণ, জুলাই ১৫, ২০১৬

ঘুরে আসতে পারেন এশিয়ার বৃহৎ জলভুমি হাকালুকি হাওর

হাবিবুর রহমান খান:

হাকালুকি হাওর বাংলাদেশের বৃহত্তম হাওর। এটি মৌলভীবাজার ও সিলেট জেলায় অবস্তিত।
মৌলভীবাজার জেলার  কুলাউড়া, জুড়ী, বড়লেখা এবং সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ, গোলাপগঞ্জ ও বিয়ানীবাজার উপজেলায় এর বিস্তৃতি।

পজর্টক এলাকা।
হাওরের আয়তন ১৮,১১৫ হেক্টর। হাকালুকি হাওর শীত ও বর্ষা ঋতুতে উপভোগ্য।
শীতে হাকালুকি চির সবুজ বর্ষায় জেনো এক টুকরো মিনি কক্সবাজার।

বর্ষায় হাকালুকি হাওর যে কোন ভ্রমণ পিপাসু মন কে মুগ্ধ করবে। হাকালুকি তে রয়েছে বিশাল উচু ওয়াচ টাওয়ার, যেখান থেকে ২৯-৩০ কি.মি দূর পর্যন্ত দেখা যায়।

তাছাড়া রয়েছে রাতার গুল সোয়াম্প ফরেস্ট এর মত অনেক গাছ। দেখে মনে হবে ছোট খাটো এক রাতারগুল।
হাকালুকির শীতল বাতাস হৃদয় ছুঁয়ে যাবে।

দেখতে পাবেন জেলেদের মাছ ধরার কত ধরনের কায়দা যা অনেক সময় বিস্ময় মনে হবে। আরেক টি বিষয় তো ভুলে গিয়েছিলাম হাকালুকি হাওরে রয়েছে একটু পাখি বাড়ী। যেখানে শীত বর্ষা উভয় ঋতুতে নানান ধরনের পাখি দেখা যায়।

পাখিদের কিচিরমিচির ডাক যে কারোর ভালো লাগবে। এক দিনের ট্যুরের জন্য চলে আসতে পারেন হাকালুকি। বোনাস হিসেবে দেখে যেতে পারেন মাধব কুন্ড ও পরিকুন্ড।

যেভাবে বড়লেখায় আসবেন,
সায়েদাবাদ ও ফকিরাপুল থেকে বড়লেখার উদ্দেশ্যে শ্যামলী, রুপসী বাংলা, এনা বাস আসে। এসি ও নন এসি বাস পাওয়া যায়।

চাইলে ট্রেনে ও আসতে পারেন। কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে রাত ৯.৩০ ট্রেনে কুলাউড়ায় আসবেন।সেখান থেকে সিএনজি করে সোজা বড়লেখা।

বড়লেখায় এসে হালকা নাস্তা করে মাধব কুন্ড ও পরিকুন্ডের পথে রওয়ানা। সকাল ৯ টায় মাধবকুন্ড ও পরিকুন্ড ডোকে ১.৩০ আবার বড়লেখার পথে রওয়ানা। বড়লেখায় দুপুরের খাবার খেয়ে হাকালুকির উদ্দেশ্যে রওয়ানা।

বড়লেখা থেকে কুলাউরা বাজার সিএনজিতে । সেখান থেকে ইঞ্জিন চালিত নৌকা পাওয়া যায়।ঘন্টা প্রতি ৩০০-৫০০ টাকা ভাড়া নিবে। বসা যাবে ১০-১২ জন।

এই সংবাদটি 569 বার পঠিত হয়েছে

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ