ঢাকা |
প্রকাশিত: ১০:১৬ পূর্বাহ্ণ, অক্টোবর ৭, ২০১৬
জেইক বলের বলে ডেভিড উইলির দুর্দান্ত ক্যাচে ফিরেন সাব্বির রহমান (১১ বলে ১৮)। সাব্বিরের পুল ডিপ মিডউইকেট দিয়ে ছক্কার পথে ছিল। দড়ির ঠিক সামনে থেকে ছো মেরে বল ধরে উপরের দিকে ছুড়ে বাইরে চলে যান উইলি। সীমানার ভেতরে ঢুকে বল তালুবন্দি করলে টিভি আম্পায়ারের সিদ্ধান্তে সাব্বিরের বিদায় নিশ্চিত হয়ে যায়।
শুরু থেকে অস্বস্তির মধ্যে থাকা তামিম ইকবাল (১৭) ফিরেন জেইক বলকে আক্রমণ করতে গিয়ে। জেমস ভিন্স সহজ ক্যাচ তালুবন্দি করতে ভুল করেননি। ৩১ বলের ইনিংসে অফ স্টাম্পের বাইরের বল তাড়া করতে গিয়ে বেশিরভাগ সময় ব্যাটে বল ছোঁয়াতে পারেননি তিনি।
শুরু থেকেই অফস্টাম্পের বাইরে টানা বল করেন ইংল্যান্ডের দুই পেসার ক্রিস ওকস ও ডেভিড উইলি। সজোর হাঁকানোর চেষ্টায় বেশিরভাগ সময় বলেই ব্যাট লাগাতে পারেননি তামিম ইকবাল ও ইমরুল কায়েস।
ক্রিস ওকসের করা ম্যাচের তৃতীয় বলটি দুর্দান্ত এক ফ্লিকে গ্যালারিতে নিয়ে ফেলেন ইমরুল কায়েস। শেষ বলে হাঁকান চার। বড় রানের লক্ষ্য তাড়ায় প্রথম ওভারটা ভালো করে বাংলাদেশ।
দুই বার জীবন পেয়ে বেন স্টোকসের প্রথম শতক আর বেন ডাকেট ও জস বাটলারের অর্ধশতকে বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে বড় সংগ্রহ গড়েছে ইংল্যান্ড। ফিল্ডিংয়ে বাজে দিন কাটানো স্বাগতিকদের জয়ের জন্য চাই ৩১০ রান।
শুক্রবার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ৮ উইকেটে ৩০৯ রান করে ইংল্যান্ড।
জেমস ভিন্সের সঙ্গে অতিথিদের ভালো শুরু এনে দেন জেসন রয়। শুরু থেকে আঁটসাঁট বোলিং করা শফিউল ইসলামের বলে তুলে মারতে গিয়ে মাশরাফি বিন মুর্তজার তালুবন্দি হন ভিন্স। ভাঙে ৪১ রানের জুটি।
পঞ্চম ওভারে আক্রমণে আসা সাকিব আল হাসান প্রান্ত বদল করেই ফেরান বিপজ্জনক রয়কে। লংঅফ দিয়ে উড়িয়ে সীমানা করার চেষ্টায় সাব্বির রহমানের ক্যাচে পরিণত হন তিনি।
সাব্বিরের দুর্দান্ত থ্রোয়ে রানের খাতা খোলার আগেই ফিরে যান জনি বেয়ারস্টো।
৬৩ রানে তিন ব্যাটসম্যানকে বিদায় করে দেওয়া বাংলাদেশ চেপে ধরে ইংল্যান্ডকে। কিন্তু সময় গড়ানোর সঙ্গে স্বাভাবিক ক্রিকেট খেলতে শুরু করেন স্টোকস ও ডাকেট। বাংলাদেশের বাজে ফিল্ডিংয়ে তাদের জুটি আরও জমে উঠে।
ব্যক্তিগত ৬৯ রানে তাসকিন আহমেদের বলে মাহমুদউল্লাহর হাতে মিডঅনে জীবন পান স্টোকস। পরের ওভারে ৭১ রানে মাশরাফির বলে ডিপ মিডউইকেটে তার ক্যাচ ফেলেন মোশাররফ হোসেন।
জীবন দুই হাতে কাজে লাগিয়েছেন স্টোকস। দারুণ সব শট খেলেছেন তিনি। শেষ পর্যন্ত শতকে পৌঁছে মাশরাফির বলে সাব্বিরকে ক্যাচ দিয়ে বিদায় নেন তিনি। ১০০ বলে খেলা তার ১০১ রানের ইনিংসটি গড়া ৮টি চার ও ৪টি ছক্কায়।
এর আগেই অভিষেকে অর্ধশতক পাওয়া ডাকেটকে ফিরিয়ে ১৫৩ রানের জুটি ভাঙেন শফিউল। দ্বিতীয় স্পেলে ফিরে নিচু ফুলটস বলে ৬০ রান করা বাঁহাতি ব্যাটসম্যানকে বোল্ড করেন তিনি। মোশাররফের হাতে একবার জীবন পাওয়া ডাকেটের ৭৮ বলের ইনিংসটি সাজানো ৬টি চারে।
মাশরাফিকে হুক করতে গিয়ে তামিম ইকবালকে ক্যাচ দিয়ে ফিরেন মইন আলি। দ্রুত তিন উইকেটের পতনে পাওয়া স্বস্তি মিলিয়ে যেতেও বেশি সময় লাগেনি। বাটলারের শেষের ঝড়ের সামনে অসহায় ছিলেন স্বাগতিক বোলাররা। শেষ পাঁচ ওভার থেকে ৬০ রান নেয় অতিথিরা।
শেষ ওভারে বাটলারকে ফিরিয়ে নিজের দ্বিতীয় উইকেট নেন সাকিব। ৩৮ বলে খেলা বাটলারের অধিনায়কোচিত ইনিংসটি চারটি ছক্কা ও তিনটি চার সমৃদ্ধ।
বাংলাদেশের মাশরাফি, সাকিব ও শফিউল দুটি করে উইকেট নেন।
রেজিঃ নং চ-৭৩৫
সম্পাদক ও প্রকাশক: এম.ফয়জুল হক শিমুল
সহ: সম্পাদক : হাবিবুর রহমান সুলতান
সহ: সম্পাদক : নুরুল হক মাসুদ
সম্পাদক ও প্রকাশক কর্তৃক নিউ বর্ণমালা অফসেট প্রিন্টিং প্রেস, রাজা ম্যানশন জিন্দাবাজার, সিলেট থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত।

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: * সি-৮/৩০ বনশ্রী ঢাকা।
সিলেট অফিস: কমন মার্কেট (৫ম তলা ) বন্দর বাজার, সিলেট।
বিয়ানীবাজার অফিস: ছফর কমপ্লেক্স, দক্ষিণ বিয়ানীবাজার, সিলেট।
যোগাযোগ মোবাইলঃ +88-01713813124
ই-মেইল ॥ somoychitro@gmail.com
বড়লেখা অফিস: নেহার মার্কেট, ( ২য় তলা), বড়লেখা, মৌলভীবাজার।