ঢাকা |
প্রকাশিত: ১:৩৮ অপরাহ্ণ, আগস্ট ১৮, ২০১৬
সোহান আহমদ:ভারতীয় একটি হাতি মনের খেয়ালে বাংলাদেশে ঢুকে পড়েছিলো। পুরো প্রশাসন তটস্থ হয়ে উঠলো। একটি বিশেষ টিম করা হলো, তারা হাতির দেখভাল করবে। তাকে যত্ন আদর করবে। তার যাতে প্রাণ সংশয় না হয়, সেই চেষ্টা করবে। বাংলার বুদ্ধিজীবীকুল পত্রিকায় হৃদয়বিদারক কলাম লিখে অশ্রুবর্ষণ করলেন। গ্রামের সাধারণ মানুষ প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে কলাগাছ কেটে হাতিকে খাওয়ালো। অজ্ঞান হয়ে যাওয়া হাতিকে পানির নিচ থেকে টেনে ডাঙ্গায় উঠালো।
হাতির কোনো চেতনা আছে কিনা জানি না। থাকলে সে বুঝতো, বাংলাদেশের মানুষ কতটা অতিথি পরায়ন।ভারত থেকে চলে আসা একটা প্রাণীকে আমরা ফেলে দেইনি। মাথায় তুলে রেখেছিলাম।কিন্তু তার বেচেঁ থাকার আয়ু না থাকার কারণে সে মারাগেছে,তাকে বাচাঁনোর জন্য কোন ধরনের কমতি ছিলোনা আমাদের মাঝে।সর্ব্বোচ চেষ্টা হয়েছিল এই হাতিটিকে বাচাঁনোর জন্য।কিন্তুু আমাদেরও একজন কিশোরী ছিল। যাকে ভারতীয় বাহিনী মেরে ফেলে কাটাতারে ঝুলিয়ে রেখেছিল। মেয়েটির নাম ছিল ফেলানি।ভারতীয় হাতিটির নাম দেয়া হোক ” বাঙালী ফেলে নাই”।আমাদের একজন অসহায় মানুষকে ওরা ফেলে দিয়েছিলো। ওদের একটি প্রাণীকে আমরা ফেলি নাই।
মাঝে মাঝে ছোটদের কাছ থেকে শিখতে হয়। ভারত রাষ্ট্র হিসেবে আয়তনে অনেক বড়। বাংলাদেশ তার একটা প্রদেশের সমান। ” ছোট রাষ্ট্র ” বাংলাদেশ যে উদারতা দেখালো, তা থেকে ভারত যেন শিক্ষা নেয়। তাহলে কেবল আয়তনে নয়, রাষ্ট্র হিসেবেও ভারত বড় হতে পারবে।ভারতীয়দের মানবতা জাগ্রত হউক।জাগ্রত হোক তাদের বিবেক বুদ্ধিরও।জাতি হিসেবে আমি গর্বিত।আমি গর্বিত আমি একজন বাঙালী হতে পেরে।বাংলাদেশ পৃথিবীর সবচেয়ে বড় মনের দেশ।তা বার বার বাঙালী প্রমাণ করে দেখিয়েছে একটি ভিন্ন দেশি হাতির বেলায়ও।জাতি হিসাবে ওরা ধন্য
রেজিঃ নং চ-৭৩৫
সম্পাদক ও প্রকাশক: এম.ফয়জুল হক শিমুল
সহ: সম্পাদক : হাবিবুর রহমান সুলতান
সহ: সম্পাদক : নুরুল হক মাসুদ
সম্পাদক ও প্রকাশক কর্তৃক নিউ বর্ণমালা অফসেট প্রিন্টিং প্রেস, রাজা ম্যানশন জিন্দাবাজার, সিলেট থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত।

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: * সি-৮/৩০ বনশ্রী ঢাকা।
সিলেট অফিস: কমন মার্কেট (৫ম তলা ) বন্দর বাজার, সিলেট।
বিয়ানীবাজার অফিস: ছফর কমপ্লেক্স, দক্ষিণ বিয়ানীবাজার, সিলেট।
যোগাযোগ মোবাইলঃ +88-01713813124
ই-মেইল ॥ somoychitro@gmail.com
বড়লেখা অফিস: নেহার মার্কেট, ( ২য় তলা), বড়লেখা, মৌলভীবাজার।