বাড়ছে করোনা আতঙ্ক

প্রকাশিত: ৩:২১ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ৬, ২০২০

বাড়ছে করোনা আতঙ্ক

বিশেষ প্রতিনিধি: চীন থেকে ছড়িয়ে পড়া করোনা ভাইরাসে গোটা বিশ্বের সঙ্গে বাংলাদেশেও আতঙ্ক বাড়ছে। সরকারের প্রস্তুতির পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যেও সৃষ্টি হয়েছে সচেতনতা। বিভিন্ন অভিযোগের পর বিমানবন্দরসহ বিভিন্ন বন্দরে স্ক্রীনিং ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে। অবিলম্বে চীনের সঙ্গে বিমান চলাচল বন্ধ করার জোর দাবি উঠেছে। সতর্ক নাগরিকদের বিপুল চাহিদার কারণে বাজারে দেখা দিয়েছে মাস্ক সঙ্কট। যাও কিছু পাওয়া যাচ্ছে বিক্রি হচ্ছে চড়া দামে।সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পাওয়া নানারকম তথ্যে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। বুধবার পর্যন্ত গত ১৭ দিনে চীন থেকে ফিরেছে ৭ হাজার ৩৩১ জন। তাদের মধ্যে মঙ্গলবার পর্যন্ত আইইডিসিআর ল্যাবরেটরিতে ৪৪ চীনফেরত যাত্রীর নমুনা পরীক্ষা হলেও করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত কোন যাত্রী পাওয়া যায়নি। চীনের সঙ্গে বাণিজ্যের ক্ষেত্রে নানা সঙ্কটের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। দেশের চলমান মেগা প্রকল্পগুলোতেও এর প্রভাব পড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ব্যবসা ও উন্নয়নসহযোগী দেশ চীন। বিপুলসংখ্যক লোক প্রতিদিন দুই দেশের মধ্যে যাতায়াত করছেন। আমদানি- রফতানি হচ্ছে বিপুল পরিমাণ পণ্য। আরও ১৭২ বাংলাদেশী শিক্ষার্থী চীন থেকে দেশে ফেরার আকুতি জানিয়েছেন। তাদের অধিকাংশই চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরের কাছে ইচাং শহরে অবস্থান করছেন। প্রাণঘাতী এই ভাইরাসের কারণে সেখানে অবরুদ্ধ অবস্থায় দিন কাটাতে কাটাতে ঘরে খাবার, বিশুদ্ধ পানি সঙ্কটে পড়েছেন তারা।
এ পর্যন্ত করোনা ভাইরাস প্রাদুর্ভাবে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৯২। গত একদিনে মৃত্যু হয়েছে ৬৫ জনের। অধিকাংশ মৃত্যুর ঘটনাই ভাইরাসটির উৎসস্থল উহান এবং এর আশপাশে। চীনের মূল ভূখ-জুড়ে আরও ৩৮৮৭ জন নতুন করে ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়েছেন। এতে আক্রান্তের মোট সংখ্যা ২৪ হাজার ৩২৪ জনে দাঁড়িয়েছে। ভাইরাসটিতে চীনের মূলভূখন্ডে বাইরে এ পর্যন্ত দুই জনের মৃত্যু হয়েছে। হংকংয়ের ৩৯ বছর বয়সী এক ব্যক্তি উহান শহরে ঘুরতে গিয়ে ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হন। নিজ শহরে ফেরার পর মঙ্গলবার তিনি মারা যান। গত সপ্তাহে উহান থেকে ফিলিপিন্সে যাওয়া এক চীনা ব্যক্তির মৃত্যু হয়। চীনের বাইরে মৃত্যুর প্রথম ঘটনা এটি। জাপানে একটি প্রমোদ জাহাজে ১০ জনের শরীরে ভাইরাসটি ধরা পড়ে। হংকংয়ের প্রথম মৃত্যুর ঘটনার পর সেখানে ফ্লাইট চলাচল স্থগিত করেছে দুটি মার্কিন এয়ারলাইন্স। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, বিশ্বের আরও ২৪ দেশ ও অঞ্চলে ১৭৬ জনের করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার কথা জানা গেছে। বর্তমানে প্রতিদিন চারটি ফ্লাইট ঢাকা থেকে চীনের বিভিন্ন শহরে সরাসরি যাতায়াত করছে। এর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশের ইউএস বাংলা, চীনের চায়না ইস্টার্ন, চায়না সাউথার্ন এবং ড্রাগন এয়ার। এছাড়া অন্যান্য দেশ হয়ে অনেক যাত্রী প্রতিদিন যাতায়াত করছে। চীনের সঙ্গে সরাসরি ফ্লাইটে সবচেয়ে বেশি আতঙ্কগ্রস্ত বিমানবন্দরে কর্মরত কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। তারা বলছেন, চীন থেকে আগত যাত্রীদের প্রথমেই তাদের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। যদিও স্ক্রীনিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। তার পরও করোনা ভাইরাস নিয়ে দেশে প্রবেশের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেয়া যায় না। বিশ্বের অনেক দেশ চীনের সঙ্গে তাদের সকল ফ্লাইট স্থগিত করেছে। বাংলাদেশ সরকারকেও দ্রুত এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। সরকারের নীতি নির্ধারণী মহলে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে। চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্যসহ নানা ক্ষেত্রে বিপুল যোগাযোগের বিষয়ও বিবেচনায় নেয়া হচ্ছে।
বুধবার রাজধানীর ওষুধের দোকান ঘুরে দেখা গেছে, যেসব প্রচলিত মাস্ক পাওয়া যেত তা বাজার থেকে উধাও। কিছু মাস্ক বিক্রি হচ্ছে কয়েকগুণ বেশি দামে। ব্যবসায়ীরা জানান, কোথাও মাস্ক পাওয়া যাচ্ছে না। কিছু কিছু পাওয়া গেলে তাদের কিনতে হচ্ছে অনেক বেশি দাম দিয়ে। ক্রেতাদের চাহিদার কথা বিবেচনা করে তারা কিছু মাস্ক রাখলেও তা বিক্রি করতে হচ্ছে অনেক বেশি দামে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এসব মাস্ক মূলত চীন থেকেই আমদানি করা হয়। খোদ চীনেই এখন মাস্কের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। বাংলাদেশে যে মাস্ক মজুদ রয়েছে তা থেকে চীনে ফেরত পাঠানোর অনুরোধ জানিয়েছে চীনের ব্যবসায়ীরা। বেশ কিছু মাস্ক ইতোমধ্যে ফেরতও পাঠানো হয়েছে। মূলত এ কারণেই মাস্কের সঙ্কট সৃষ্টি হয়েছে। তবে দেশে তৈরি মাস্ক দিয়ে এই চাহিদা পূরণের চেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ওষুধ ব্যবসায়ীরা।
পদ্মা সেতু প্রকল্পে সমস্যা হতে পারে
করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের পর পদ্মা সেতু প্রকল্পের যেসব চীনা কর্মী দেশে গেছেন, তাদের ছুটি প্রলম্বিত হলে প্রকল্পের অগ্রগতিতে সমস্যা হতে পারেÑ মন্তব্য করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
তবে উড়াল সড়ক, বাস, র‌্যাপিড ট্রানজিট ও মেট্রোরেল প্রকল্পে চীনা নাগরিকরা কর্মরত এবং করোনা ভাইরাস এসব প্রকল্পের অগ্রগতিতে কোন প্রভাব ফেলবে না বলে জানিয়েছেন তিনি। বুধবার সচিবালয়ে চলমান উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি পর্যালোচনা ও নাগরিক সেবা প্রদান বিষয়ক সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি। পদ্মা সেতু প্রকল্পে চীনা নাগরিকদের পরিসংখ্যান দিয়ে মন্ত্রী বলেন, এখানে ৯৮০ চীনা নাগরিক কর্মরত। এর মধ্য থেকে বাইরে (ছুটিতে) আছে ৩৩২। ইতোমধ্যে ছুটি থেকে ফিরে এসেছেন ৩৩ জন। এদের মধ্যে আটজন কোয়ারেন্টাইনমুক্ত, বাকিরা কোয়ারেন্টাইনে আছে। যদি আগামী দুই মাসের মধ্যে এই অচলাবস্থার (করোনা ভাইরাস) অবসান হয় তাহলে আমাদের কোন অসুবিধা নেই। আমাদের কাজ চলতে থাকবে। বাইরে থাকা চীনাদের ছুটি দুই মাসের বেশি হলে সমস্যা হবে কিনা এবং বিকল্প কোন ব্যবস্থায় কাজ করা হবে কিনা জানতে চাইলে ওবায়দুল কাদের বলেন, দুই মাসের বেশি হলে কিছু সমস্যা হবে। চুক্তি যাদের সঙ্গে তারা বিকল্প কোথা থেকে দেবে। মাসদুয়েকের মধ্যে অসুবিধা হবে না। ওদের অনুপস্থিতিতে সমস্যা হচ্ছে না, সমস্যা হবে দুই-আড়াই মাস পরে। চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না রেলওয়ে মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং গ্রুপ মূল সেতু নির্মাণের কাজ করছে। আর প্রকল্পের নদী শাসনের কাজ করছে চীনের সিনোহাইড্রো কর্পোরেশন। উড়াল সেতুর অগ্রগতি নিয়ে কাদের বলেন, এখানে ফান্ড সমস্যা এখন আর নেই। প্রথম ফেজের অগ্রগতি ৫৫ শতাংশ। এখানে চাইনিজ আছে ২০ জন, ছুটিতে আছে ১৮ জন এবং মোট কর্মরত ৩৮ জন। এখানে আপডেট হচ্ছে ছুটিতে থাকা চাইনিজদের জন্য কোন অসুবিধা হচ্ছে না বা হবে না। বিআরটি প্রকল্পে ৭২ চীনার মধ্যে একজন ছুটিতে। এখানে সেতু বিভাগের অংশে অগ্রগতি ২০ শতাংশ বলে জানান মন্ত্রী। মেট্রো রেল প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি ৪২ শতাংশ জানিয়ে সেতুমন্ত্রী বলেন, উত্তরা থেকে আগারগাঁও ৬৮ শতাংশ এবং আগারগাঁও থেকে মতিঝিল অংশে কাজ ৩৬ শতাংশ হয়েছে। এখানে চীনা নাগরিক আছে ৫৮ জন, চীনে গেছে ৩১ জন। ফেরত এসেছে একজন। তিনি কোয়ারেন্টাইনে আছেন। এখানে কোন ইম্প্যাক্ট পড়বে না।
বিভ্রাস্ত হবেন না
করোনা ভাইরাসের চিকিৎসার বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পাওয়া নানারকম তথ্যে বিভ্রান্ত না হতে সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর)। প্রতিষ্ঠানের পরিচালক অধ্যাপক ডাঃ মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, করোনা ভাইরাস নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা বিভ্রান্তি ছড়ানোর বিষয়টি আইইডিসিআরের নজরে এসেছে। ভাইরাসটির সার্বিক অবস্থা নিয়ে প্রতিদিন আপডেট তথ্য সরবরাহ করে যাচ্ছে আইইডিসিআর। প্রতিষ্ঠানটির সরবরাহ করা তথ্যের ওপর আস্থা রাখুন। এখন পর্যন্ত দেশে করোনা ভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি। বাংলাদেশের মানুষ প্রতিনিয়ত সর্দি-কাশি জ্বরে আক্রান্ত হয়ে থাকে। করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার অন্যতম উপসর্গও সর্দি-কাশি- জ্বর। তারপর দেখা দেয় শ্বাসকষ্ট। এই রোগের এখন পর্যন্ত প্রতিষেধক তৈরি হয়নি। তবে আক্রান্তের উপসর্গ অনুযায়ী চিকিৎসা প্রদান করতে হয়। এজন্য বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চিকিৎসা কার্যক্রম নিয়ে যেসব বিষয় ছড়ানো হচ্ছে তাতে বিভ্রান্ত না হতে সবাইকে আহ্বান জানান তিনি।
আইইডিসিআর পরিচালক বলেন, চীন থেকে ফেরা বাংলাদেশী নাগরিকদের মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪ জনের নমুনা নেয়া হয়েছে। ৩ জন আইসোলেশনে আছেন কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে। এর মধ্যে দুই জনের নমুনা পরীক্ষায় করোনা ভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া যায়নি। এছাড়া সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল-সিএমএইচে কোয়ারেন্টাইনে আছেন ১১ জন। এখন পর্যন্ত এদেশে করোনার সংক্রমণ শনাক্ত হয়নি বলে জানিয়ে পরিচালক বলেন, এখন পর্যন্ত করোনা ভাইরাস নিয়ে বাংলাদেশে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে প্রস্তত বাংলাদেশ। বিমানবন্দরে থার্মাল স্ক্যানারে পরীক্ষা করার পরও চীন আগত সকল যাত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করে নিয়মিত মনিটরিং করা হচ্ছে। আগত যাত্রীদের মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ যাত্রীদের হাসপাতালে ভর্তি করিয়ে নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেও এখন পর্যন্ত করোনা ভাইরাস পাওয়া যায়নি। তবে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে সচেতনতা জোরদার করা প্রয়োজন। এক্ষেত্রে সংস্থাটি কাশি শিষ্টাচার, বারবার হাত ধোয়া এবং পরিচ্ছন্নতা মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছে।

ডাঃ মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা বলেন, চীনারা যেহেতু অতিথি তাই তারা যেন কোন ধরনের সমস্যায় না পড়েন সেদিকে খোঁজ রাখছে আইইডিসিআর। তিনি বলেন, ক্যাম্পে থাকা নাগরিকদের স্বজনরা খাবার পৌঁছে দিচ্ছেন পরিবারের সদস্যদের। কিন্তু তারা যখনতখন তাদের খাবার দিচ্ছেন। এক্ষেত্রে স্বজনের প্রতি আইইডিসিআরের আহ্বান, সরকারের উদ্যোগে দিনে ৫ বার সুষম খাদ্য দেয়া হচ্ছে। তার পরও যেসব স্বজন খাবার দিচ্ছেন তারা যেন সকাল ১০ থেকে ১১টা এবং সন্ধ্যায় নির্দিষ্ট সময়ে খাবার দেন। তাহলে সংশ্লিষ্টদের কাছে পৌঁছে দেয়া সহজ হবে।
আইইডিসিআর পরিচালক আরও জানান, ভাইরাসটি একজন মানুষের দেহ থেকে আরেক মানুষের দেহে দ্রুত ছড়াতে পারে। করোনা ভাইরাস মানুষের ফুসফুসে সংক্রমণ ঘটায় এবং শ^াসতন্ত্রের মাধ্যমেই এটি একজনের দেহ থেকে আরেকজনের দেহে ছড়ায়। রোগটির লক্ষণ সম্পর্কে পরিচালক বলেন, জ¦র এবং কাশি থাকে। শ^াসকষ্ট এবং নিউমোনিয়ায় ভুগবে। দেহের বিভিন্ন প্রত্যঙ্গ বিকল হয়ে যাওয়া। ভাইরাসটি শরীরে ঢোকার পর সংক্রমণের লক্ষণ দেখা দিতে প্রায় পাঁচদিন লাগে। প্রথম লক্ষণ হচ্ছে জ¦র। তারপর দেখা দেয় শুকনা কাশি। এক সপ্তাহের মধ্যে দেখা দেয় শ^াসকষ্ট। এই ভাইরাস থেকে প্রতিকার সম্পর্কে পরিচালক বলেন, যেহেতু ভাইরাসটি নতুন, তাই এর কোন টিকা বা ভ্যাকসিন এখনও নেই এবং চিকিৎসাও লক্ষণভিত্তিক। তবে যারা ইতোমধ্যেই আক্রান্ত হয়েছে বা এই ভাইরাস বহন করেছে তাদের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলতে হবে। বার বার হাত ধোয়া, হাত দিয়ে নাক-মুখ স্পর্শ না করা, ঘরের বাইরে গেলে মাস্ক পরতে হবে। প্রয়োজনে এই হটলাইন নম্বরে যোগাযোগ করতে অনুরোধ করেছে আইইডিসিআর। নম্বরগুলো হলো -০১৯২৭৭১১৭৮৪, ০১৯২৭৭১১৭৮৫, ০১৯৩৭০০০০১১ ও ০১৯৩৭১১০০১১।

এই সংবাদটি 745 বার পঠিত হয়েছে

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ