সিলেটে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী তাহমিনা আক্তার মৌমি জিপিএ ৫ পেয়েছে

প্রকাশিত: ৬:৪৯ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ৩১, ২০২৬

সিলেটে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী তাহমিনা আক্তার মৌমি জিপিএ ৫ পেয়েছে

এবারের এইচ.এস.সি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী তাহমিনা আক্তার মৌমি জিপিএ ৫ পেয়ে সাফল্যের সাথে উর্ত্তীণ হয়েছে। অদম্য ইচ্ছাশক্তি ও অধ্যবসায়ের অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপনকারী মৌমি সিলেটের সেবামূলক প্রতিষ্ঠান গ্রীন ডিসএ্যাবল্ড ফাউন্ডেশন জিডিএফ পরিচালিত জিডিএফ-ডিকেএফ দৃষ্টি প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের আবাসিক শিক্ষার্থী।
মৌমি মাধ্যামিক উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড সিলেটের অধিনে সরকারি মদন মোহন কলেজ কেন্দ্রে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে। তার শ্রুতি লেখক হিসেবে সহযোগিতা করেছে হাজী আব্দুস সাত্তার উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থী পল্লব দেব।
তাহমিনার এই অর্জন শুধু তার ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের সক্ষমতা, সম্ভাবনা ও এগিয়ে যাওয়ার এক অনুপ্রেরণামূলক দৃষ্টান্ত।
মৌলভীবাজার জেলার জুড়ি উপজেলার জায়ফর নগর গ্রামের আব্দুল আহাদ ও আমিনা বেগম এর মেয়ে তাহমিনা আক্তার মৌমি। সে উচ্চ শিক্ষা অর্জন করে ব্যাংকার হতে চায়। দেশ গড়ার কাজে নিজেকে নিয়োজিত রাখা প্রত্যয় ব্যক্ত করে শিক্ষক, অভিভাবক, জিডিএফ কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করে সকলের দোয়া কামনা করেছে।
দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী তাহমিনা আক্তার মৌমি’র সাফল্যের জন্য মহান আল্লাহ দরবারে শুকরিয়া আদায় করে গ্রীন ডিসএ্যাবল্ড ফাউন্ডেশন (জিডিএফ)’র মহাসচিব ও নির্বাহী পরিচালক বায়জিদ খান বলেন, দৃষ্টি প্রতিবন্ধী হওয়ার পরও সুস্থ-সবল মানুষের মত পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হওয়া জিডিএফ’র জন্য গর্ববের বিষয়। দৃষ্টি প্রতিবন্ধকতাকে জয় করে তার এই সাফল্যের পেছনে রয়েছে নিরলস প্রচেষ্টা, অধ্যবসায়, আত্মবিশ্বাস এবং অদম্য মনোবল। তার এই অর্জন প্রমাণ করে, সঠিক সুযোগ, সহযোগিতা ও অনুকূল পরিবেশ পেলে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীরাও মেধা ও যোগ্যতার স্বাক্ষর রাখতে পারে। সে সুশিক্ষা অর্জন করে আদর্শ মানুষ হয়ে দেশের কল্যাণে ভূমিকা রাখবে বলে আমি আশাবাদী। তিনি বলেন, জিডিএফ’র এই পথ চলায় যারা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভাবে সহযোগিতা করেছেন তাদের সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।

এই সংবাদটি 26 বার পঠিত হয়েছে

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ