জাহিদ উদ্দিন, গোলাপগঞ্জ: খনিজ সম্পদের সম্রাজ্য খ্যাত গোলাপগঞ্জ উপজেলা।এ উপজেলার পৌরশহরে রয়েছে তেল গ্যাসের ৫টি কূপ রয়েছে। টিকরবাড়ী এলাকায় রয়েছে কৈলাশটিলার ১টি গ্যাস কূপ ও ৩টি তেল কূপ। এছাড়াও গোলাপগঞ্জ সদর ইউপির চৌঘরী এলাকায় রয়েছে বিশাল আকারের তেল কূপ। এসব প্রতিষ্ঠানের চারিদিকে রয়েছে একাধিক বাসাবাড়ী। এসব বাসা বাড়িতে বসবাস করছেন কয়েক হাজার ভাড়াটিয়া।
দেশের বিভিন্ন এলাকায় জঙ্গি তৎপরতায় এবং সর্বশেষ সিলেটের শিববাড়িতে জঙ্গিদের আত্মঘাতী আস্তানায় সেনা কমান্ডোদের অভিযানের পরে পরিস্থিতি বিবেচনায় পুলিশ সদর দফতর থেকে সারা দেশে আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক বার্তার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। আর এ জন্যই গোটা উপজেলায় নিরাপত্তা জোরদার করেছে গোলাপগঞ্জ থানা প্রশাসন।সতর্ক অবস্থানে রয়েছে আইন শৃঙ্খলাবাহিনী।
উপজেলার বেশ কয়েকটি স্থানে বসানো হয়েছে চেকপোস্ট।সন্দেহভাজন কাউকে বা কোন যানবাহন দেখলে চালানো হচ্ছে তল্লাশি।
এছাড়াও থানার সামনে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। সোমবার সকাল থেকেই থানার মেইন গেইটসহ ৩টি গেইট বন্ধ থাকতে দেখা যায়। থানার মূল ভবনের কেছি গেইতে দুই’জন পুলিশ সদস্য রয়েছেন সার্বক্ষণিক। একজন পুরুষ ও একজন মহিলা। পেছনের কেছি গেইটও তালাবদ্ধ। থানায় ঢুকার সময় অপরিচিতদের তল্লাশি করতে দেখা যায়।
গোলাপগঞ্জ মডেল থানার ওসি একেএম ফজলুল হক শিবলী বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে জঙ্গিরা আত্মঘাতী ঘটানোর পর থেকে থানা প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে। অপরদিকে সোমবার দুপুরে থানা প্রশাসন বাসা- বাড়ীর মালিকদের উদ্দেশ্য উপজেলার বিভিন্ন স্থানে মাইকিং করা হয়েছে । মাইকিংএ প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে আগামী ৩১ মার্চের মধ্যে সকল ভাড়াটিয়ার জীবন বৃত্তান্ত থানায় নিয়ে উপস্থিত হওয়ার জন্য। এছাড়াওউপজেলার বিভিন্ন সড়কে চেকপোষ্ট বসিয়ে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।সব কিছু মিলিয়ে জোরদার করা হয়েছে গোলাপগঞ্জে আইনশৃংখলা।