বিয়ে করলেন ‘গোল্ডেন’ গায়িকা ইজে

প্রকাশিত: ১:৪৫ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২০, ২০২৬

বিয়ে করলেন ‘গোল্ডেন’ গায়িকা ইজে

বিনোদন ডেস্ক: নেটফ্লিক্সের জনপ্রিয় অ্যানিমেটেড চলচ্চিত্র কে-পপ ডেমন হান্টার্স-এর গোল্ডেন গান গেয়ে বিশ্বজুড়ে খ্যাতি অর্জনকারী জনপ্রিয় গায়িকা ও গীতিকার ইজে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। তাঁর জীবনসঙ্গী হয়েছেন স্বনামধন্য সংগীত প্রযোজক ও গীতিকার স্যাম কিম। দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলে অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণ এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই তারকা জুটি তাঁদের নতুন জীবনের সূচনা করেছেন। ফ্যাশনবিষয়ক প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম ভোগের এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তাঁদের এই বিবাহিত জীবনের খবরটি নিশ্চিত করা হয়।

সিউলের অভিজাত এলাকা গাংডংয়ের স্টেজ ২৮-এ খোলা আকাশের নিচে তাঁদের এই বিয়ের আয়োজন সম্পন্ন হয়। এই বিশেষ স্থানটির সঙ্গে ইজের পারিবারিক বহু স্মৃতি জড়িয়ে রয়েছে, কারণ এটি একসময় তাঁর নানা ও বরেণ্য কোরীয় অভিনেতা শিন ইয়ং-কিউনের বাসস্থান ছিল। এছাড়া এর আগে এই একই ভেন্যুতে গায়িকার বড় ভাইয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানও অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সব মিলিয়ে পারিবারিক ঐতিহ্য ও নস্টালজিয়াকে প্রাধান্য দিয়েই তাঁরা এই ভেন্যুটি চূড়ান্ত করেছিলেন।

মূলত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় বিয়ের পরিকল্পনা থাকলেও পরবর্তীতে সেই সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে দক্ষিণ কোরিয়ায় এই আয়োজন সম্পন্ন করা হয়। কে-পপ ডেমন হান্টার্স প্রজেক্টের অভাবনীয় সাফল্যের কারণে সৃষ্ট ব্যস্ততার ফলে তাঁদের পূর্বনির্ধারিত বিয়ের তারিখ কিছুটা এগিয়ে আনা হয়। ফলস্বরূপ, সমস্ত প্রস্তুতি সম্পন্ন করার জন্য এই তারকা জুটি মাত্র চার মাসের মতো সময় হাতে পেয়েছিলেন, যা তাঁদের জন্য বেশ চ্যালেঞ্জিং ছিল।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের মে মাসে একটি সংগীত প্রকল্পের সুবাদেই ইজে ও স্যাম কিমের প্রথম পরিচয় ঘটেছিল। পেশাগত সম্পর্কের পাশাপাশি দীর্ঘদিনের বোঝাপড়ার মাধ্যমে তাঁদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং পরবর্তীতে তাঁরা বাগ্‌দান সম্পন্ন করেন। বিয়ের এই বিশেষ অনুষ্ঠানে কেবল তাঁদের পরিবারের সদস্য এবং অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ বন্ধুরা উপস্থিত ছিলেন। ঐতিহ্যবাহী কোরীয় বিয়ের নিয়ম অনুযায়ী পেবেক নামক একটি বিশেষ রীতির মাধ্যমে তারা বড়দের সম্মান ও আশীর্বাদ গ্রহণ করেন।

কর্মজীবনের শুরুতে এসএম এন্টারটেইনমেন্টের প্রশিক্ষণার্থী হিসেবে যাত্রা শুরু করলেও পরবর্তীতে গীতিকার হিসেবে নিজের অবস্থান পাকাপোক্ত করেন ইজে। তিনি রেড ভেলভেটের সাইকো এবং এসপার ড্রামা ও আর্মাগেডনের মতো সুপারহিট গানে কাজ করে প্রশংসা কুড়িয়েছেন। তবে তাঁর ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় মাইলফলক আসে গোল্ডেন গানটির মাধ্যমে, যা পরবর্তীতে গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডসে ভিজ্যুয়াল মিডিয়ার জন্য সেরা গানের মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার অর্জন করে।

এই সংবাদটি 5 বার পঠিত হয়েছে