দুই থানার দায়িত্ব এড়ানোর সুযোগ নেই

প্রকাশিত: ৯:৩১ পূর্বাহ্ণ, অক্টোবর ২৩, ২০২৬

দুই থানার দায়িত্ব এড়ানোর সুযোগ নেই

জাতীয় ডেস্ক: দুইটি জেলা ও একাধিক উপজেলার সীমানা নিয়ে গঠিত ১৭ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ককে ঘিরে দেখা দিয়েছে বড় ধরনের প্রশাসনিক জটিলতা। দীর্ঘদিন ধরে এই অঞ্চলের সাধারণ মানুষ ও যাত্রীরা যাতায়াতের সময় নানা ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের শিকার হচ্ছেন। অথচ যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পর আইনি সহায়তা চাইতে গেলে দুই থানার পুলিশ একে অপরের ঘাড়ে দায় চাপিয়ে দায়িত্ব এড়ানোর চেষ্টা করে বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা এবং অপরাধীরাও সহজেই আইনের আওতার বাইরে থেকে যাচ্ছে।

এ বিষয়ে সম্প্রতি স্থানীয় সংসদ সদস্য তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে কঠোর বার্তা দিয়েছেন। সংশ্লিষ্ট এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন যে, এই দীর্ঘ সড়কের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কোনো থানারই দায়িত্ব এড়ানোর সুযোগ নেই। অপরাধ সংঘটিত হওয়ার পর থানাগুলো নিজেদের মধ্যে সীমান্ত জটিলতা বা এক্তিয়ার নিয়ে বাহানা তৈরি করলে তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না বলে তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।

জনপ্রতিনিধিদের মতে, ভৌগোলিক সীমানার মারপ্যাঁচে সাধারণ মানুষের নাগরিক অধিকার বা নিরাপত্তা বিপন্ন হতে পারে না। দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা এই প্রশাসনিক শৈথিল্য এবং টালবাহানা বন্ধ করতে পুলিশ প্রশাসনকে আরও আন্তরিক ও কঠোর হওয়ার তাগিদ দেওয়া হয়েছে। কোনো এলাকায় অপরাধ ঘটলে সীমানা নিয়ে বিতর্ক না করে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে, যাতে সাধারণ মানুষ তাৎক্ষণিক পুলিশি সহায়তা পেতে পারেন।

এই পরিস্থিতির স্থায়ী সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকার থানাগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সমন্বয় বাড়ানোর ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় যৌথ টহল বা নির্দিষ্ট দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়ার মতো কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্বের সাথে নিয়ে দ্রুত সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা জারি করবে এবং এর মাধ্যমে এই সড়কের যাত্রীদের দীর্ঘদিনের নিরাপত্তাহীনতা দূর হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এই সংবাদটি 5 বার পঠিত হয়েছে

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ