ঢাকাসহ আট জেলায় ৩৬ জনের দাফন

প্রকাশিত: ৩:১০ পূর্বাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০১৯

ঢাকাসহ আট জেলায় ৩৬ জনের দাফন

রাজধানীর পুরান ঢাকার চকবাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিহতদের মধ্যে ৩৬ জনের দাফনের খবর পাওয়া গেছে।

এর মধ্যে ঢাকার আজিমপুর কবরস্থানে ১৫ জনের দাফনের খবর নিশ্চিত করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের এক কর্মকর্তা। এছাড়া ঢাকার বাইরে সাত জেলায় আরও ২১ জনের লাশ দাফন করা হয়েছে।এর মধ্যে নোয়াখালীতে ১০ জন, ফেনীতে ৩ জন, চাঁদপুরে ২ জন, পটুয়াখালীতে ২ জন, কুমিল্লায় ২ জন এবং নাটোর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় একজন করে নিহতের দাফন সম্পন্ন হয়। এর আগে তাদের মরদেহ নিজ নিজ গ্রামের বাড়িতে পৌঁছতেই সেখানে শোকের মাতম ওঠে। স্বজন ও প্রতিবেশীদের কান্নায় ভারী হয়ে ওঠে একেকটি গ্রাম।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা উত্তম কুমার রায় যুগান্তরকে বলেন, আজিমপুর কবরস্থানে চকবাজারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিহত ১৫ জনের লাশ দাফন করা হয়েছে। জুরাইন বা ঢাকার অন্য কোনো কবরস্থানে লাশ দাফনের আর কোনো তথ্য আমার জানা নেই।

যুগান্তর রিপোর্ট ও প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর-

হাজীগঞ্জ (চাঁদপুর) : আহম্মদপুর গ্রামের হাজী ইসমাইলকে (৬৫) খুঁজে পায়নি তার পরিবার। এখন ডিএনএ পরীক্ষার অপেক্ষা করছেন স্বজন। ঢাকায় বসবাসরত ওই গ্রামের বাসিন্দা ইউনুস হরাজি যুগান্তরকে বলেন, দু’দিন ধরে হাজী ইসমাইলের স্ত্রী রোকেয়া বেগমসহ তার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঢাকার হাসপাতালের মর্গে লাশ শনাক্ত করার চেষ্টা করেছি। কিন্তু কোনোভাবেই তার খোঁজ মেলেনি। হাজী ইসমাইলের পায়ের দুটি আঙুল জোড়া লাগানো ছিল। কিন্তু সেটি শনাক্ত করতে পারলেও নিশ্চিত করা যায়নি তার লাশ।

অন্যদিকে একই উপজেলার মোহাম্মদপুর গ্রামের নিহত আবু বকর সিদ্দিকের লাশ দাফন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টায় তার মৃতদেহ গ্রামের বাড়িতে পৌঁছে। সিদ্দিকের লাশ নামাতেই চোখে পড়ে হৃদয়বিদারক দৃশ্য। অবিবাহিত ২৭ বছরের টগবগে যুবক সিদ্দিকের লাশ বাড়ির উঠানে নামাতেই স্বজনের আহাজারিতে আকাশ-বাতাশ ভারী হয়ে ওঠে। সহপাঠীদের বিলাপে যেন কাঁদছিল পুরো গ্রাম। মায়ের বিলাপ, বাবার আত্মচিৎকার আর বোনদের আহাজারিতে থমকে যায় মোহাম্মদপুর গ্রাম। পরে রাত ১২টার দিকে তার লাশ দাফন করা হয়।

নোয়াখালী : সোনাইমুড়ী উপজেলার নিহত ১১ জনের মধ্যে ১০ জনের মৃতদেহ তাদের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে ঢাকা থেকে তাদের লাশ উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানে স্বজনের আহাজারিতে হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। নিহত ব্যক্তিরা হলেন- নাটেশ্বর ইউপির পশ্চিম নাটেশ্বর গ্রামের মৃত বুলু মিয়ার ছেলে আলী হোসেন (৬৫), বারগাঁও ইউপির দৌলতপুর গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে মো. আনোয়ার হোসেন (৪০), ঘোষকামতা গ্রামের সাহাব উল্লার ছেলে সহোদর মাসুদ রানা (৩৩) ও রাজু (২৮), একই ইউপির মির্জানগর গ্রামের মৃত মোমিন উল্লার ছেলে শাহাদাত হোসেন হিরা (৩২), মৃত গাউছ আলমের ছেলে হেলাল উদ্দিন (৩২), নাটেশ্বর গ্রামের সুরুজ মিয়ার ছেলে ছিদ্দিক উল্লাহ (৩২), ওয়াছেকপুর গ্রামের মৃত আলী আজ্জমের আবদুর রহিম দুুলাল, দৌলতপুর গ্রামের হাজী বাড়ির মৃত সিরাজ মিয়ার ছেলে আনোয়ার হোসেন (৪০), বারগাঁও ইউপির কৃষ্ণপুর গ্রামের আবদুর রহিমের স্ত্রী আয়েশা খাতুন প্রকাশ নয়ন (৪০), মির্জানগর গ্রামের আবদুর রহিম ডিএসবির ছেলে ব্যবসায়ী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু (৩৫) মারা গেলেও তার লাশ চিহ্নিত করা যায়নি, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চর এলাহী ইউনিয়নের জসিম উদ্দিন (৩৫)। নিহত আলী হোসেনের ৫ মেয়ের মধ্যে ৩ মেয়েই অবিবাহিত। অগ্নিকাণ্ডে নিহত আলী হোসেনের লাশ বাড়িতে আনলে তার মেয়ে ও স্ত্রীসহ স্বজনের কান্নায় পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে।

ফরিদগঞ্জ (চাঁদপুর) : শুক্রবার সকালে ফরিদগঞ্জ পৌর এলাকার রুদ্রগাঁও গ্রামের নিহত শামছুল হক বেপারির (৬২) দাফন সম্পন্ন হয়েছে। রুদ্রগাঁও ঈদগাহ মাঠে জানাজা শেষে গ্রামের আলিমুদ্দিন বেপারিবাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। জানা গেছে, মাঝে কয়েক বছর বিরতি দিয়ে ১৯৮৫ সাল থেকে চুড়িহাট্টা মসজিদের সামনে একটি মার্কেটের নিচতলায় ডেকোরেটরের ব্যবসা করতেন শামছুল হক। স্ত্রী মনোয়ারা বেগম, ছেলে মাহবুব, মেয়ে পারভীন ও নিপাকে নিয়ে কেরানীগঞ্জে থাকতেন তিনি।

শামছুল হকের ভাতিজা রফিকুল ইসলাম জানান, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পর পরিবারের লোকজন তার মোবাইল ফোনে কল করলেও কেউ রিসিভ করেনি। একপর্যায়ে মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। পরে বৃহস্পতিবার বিকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজের মর্গে গিয়ে শামছুল হকের মুখের দাড়ি ও হাতে থাকা একটি ঘড়ি দেখে শামছুল হককে শনাক্ত করে তার ছেলে মাহবুব ও ভাতিজা কবির। এদিকে তার দীর্ঘদিনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সম্পূর্ণ মালামাল পুড়ে যাওয়ায় প্রায় ৩০ লাখ টাকার ক্ষতি হয় বলে পরিবার সূত্রে জানা যায়।

বাঞ্ছারামপুর (বাহ্মণবাড়িয়া) : পুরান ঢাকার চকবাজারে মদিনা ডেন্টাল ক্লিনিকে এক ডাক্তার বন্ধুর চেম্বারে ব্যবহারিক কাজ শিখতে গিয়েছিলেন ডা. আশরাফুল হক রাজন। ভাগ্যের নির্মম পরিহাস, সেখান থেকে তিনি ফিরলেন লাশ হয়ে। তার সঙ্গে আগুনে দগ্ধ হয়ে মারা গেছেন তার বন্ধু ও ক্লিনিক মালিক ঢাবির ছাত্র কাউছার আহম্মেদ। তার মৃত্যুর খবর গ্রামের বাড়ি বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ফরদাবাদ গ্রামে পৌঁছলে স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে। শুক্রবার সকাল ৮টায় জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। এদিন স্থানীয় সংসদ সদস্য ক্যাপ্টেন (অব.) এবি তাজুল ইসলাম সমবেদনা জানাতে নিহতের বাড়িতে যান। এ সময় উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নুরুল ইসলামসহ দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। ডা. আশরাফুল হকের বাবা জামশেদ মিয়া জানান, আমার ইচ্ছা ছিল ছেলে ডাক্তার হয়ে গ্রামের মানুষকে বিনামূল্যে চিকিৎসা দেবে। আমার ইচ্ছা পূরণ করতে সে সবসময়ই চেষ্ট করত। ডাক্তারি শেষ করে ব্যবহারিক কাজ শিখতে বন্ধুর চেম্বারে গিয়েছিল। আর আগুন আমার ছেলেকে কেড়ে নিল।

মির্জাগঞ্জ (পটুয়াখালী) : মির্জাগঞ্জ উপজেলার কাজী এনামুল হক অভি ও মো. মজিবুর রহমান হাওলাদারের লাশ শুক্রবার সকালে তাদের নিজ নিজ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। ঢাকা মেডিকেলের মর্গ থেকে তাদের স্বজন লাশ শনাক্ত করে পৃথক দুটি অ্যাম্বুলেন্সে মির্জাগঞ্জ নিয়ে আসেন। বৃহস্পতিবার রাত ৩টার দিকে তাদের লাশ মির্জাগঞ্জে এসে পৌঁছলে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। অগ্নিকাণ্ডে নিহত উপজেলার রামপুর গ্রামের কাজী এনামুল হক অভির জানাজা সকাল ৮টায় এবং পার্শ্ববর্তী সন্তোষপুর গ্রামের মো. মজিবুর রহমানের জানাজা সকাল ৯টায় তাদের নিজ নিজ এলাকায় সম্পন্ন হয়।

প্রসঙ্গত, বুধবার মির্জাগঞ্জ উপজেলার রামপুর গ্রামের মো. মোতালেব কাজীর ছোট ছেলে ঢাকা সিটি কলেজ থেকে সদ্য এমবিএ পাস করা কাজী এনামুল হক অভি দাঁতের চিকিৎসার জন্য চকবাজার আল-মদিনা মেডিকেল ও ডেন্টাল কেয়ারে যান এবং অগ্নিকাণ্ডে ডাক্তারের চেম্বারেই ডাক্তারসহ তিনি পুড়ে নিহত হন। অন্যদিকে উপজেলার সন্তোষপুর গ্রামের মো. মজিবুর রহমান চকবাজারে জাহিদ অ্যান্ড ব্রাদার্স নামে একটি প্লাস্টিক কারখানায় চাকরি করতেন।

সিংড়া (নাটোর) : অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় পুড়ে মারা গেছেন সিংড়ার হতদরিদ্র রিকশাচালক সাইফুল ইসলাম (৩৪)। তিনি হাতিয়ান্দহ ইউনিয়নের নতুনবস্তি পাটকান্দি গ্রামের আবদুল কাদেরের ছেলে। শুক্রবার ভোরে তার লাশ গ্রামের বাড়িতে আনা হলে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। তার দুই মেয়ে খাদিজা খাতুন (৮) ও সাদিয়া খাতুন (৬) এবং স্ত্রী খালেদা বেগমের কান্নায় পুরো এলাকা ভারী হয়ে ওঠে। সকাল ১০টায় স্থানীয় কবরস্থানে তার লাশ দাফন করা হয়। এলাকাবাসী জানান, নিহত সাইফুল ১০ বছর ধরে ঢাকায় রিকশা চালাতেন। বুধবার রাতে চকবাজারে রিকশা নিয়ে গেলে অগ্নিকাণ্ডের কবলে পড়েন তিনি।

ব্রাহ্মণপাড়া (কুমিল্লা) : ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার চান্দলা ইউনিয়নের দর্পনারায়ণপুর (সরকারবাড়ির) মোসলেম উদ্দিন সরকারের ছেলে শাহাদাত হোসেন সরকার (৩৫) ছোটবেলা থেকে চকবাজারের বিভিন্ন বেকারিতে কাজ করতেন। সর্বশেষ তিনি একটি বেকারির সেলসম্যান ছিলেন। দুই সন্তানের জনক শাহাদাত স্ত্রীসহ ইসলামপুরে একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন। ওই দিন একটি বেকারিতে কাজ শেষে বাসায় ফেরার পথে অগ্নিদগ্ধ হয়ে মারা যান তিনি। তার স্ত্রী শিরিনা বেগম জানান, অগ্নিকাণ্ডের পর তার স্বামীর মোবাইল ফোন বন্ধ পেয়ে তিনি বুঝতে পেরেছেন তার স্বামীর কোনো বিপদ হয়েছে। পরে বৃহস্পতিবার বিকালে ফোনটি ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে রিসিভ করে বলা হয় শাহাদাতের লাশ হাসপাতালে। তখন তার মামা মিজানুর রহমান ঢাকা মেডিকেলে গিয়ে লাশ শনাক্ত করে ওইদিন রাতে শাহাদাতের গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসেন। রাত সাড়ে ১০টায় তার গ্রামের বাড়ির আঙিনায় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন কারা হয়েছে। শুক্রবার দুপুরে জেলা প্রশাসক মো. আবুল ফজল মীরের পক্ষ থেকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফৌজিয়া ছিদ্দিকা নিহতের পরিবারকে ২০ হাজার টাকা অনুদান প্রদানসহ ভবিষ্যতে আরও সাহায্য-সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

হোমনা (কুমিল্লা) : নিহত ঢাবির শিক্ষার্থী কাওসার আহমেদের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে তার বাড়ি হোমনা উপজেলার শ্রীপুর গ্রামে দ্বিতীয় জানাজা শেষে শ্রীপুর কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। এর আগে ঢাবিতে বিকাল ৪টায় প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। নিহত কাওসারের আবদুল্লাহ ও নুসাইবা নামের ১১ মাসের দুটি যমজ সন্তান রয়েছে। তার এই অকাল মৃত্যুতে স্থানীয় সংসদ সদস্য সেলিমা আহমাদ সিআইপি, কুমিল্লা জেলা প্রশাসক আবুল ফজল মীর, উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আজিজুর রহমান মোল্লা, ইউএনও আজগর আলী, ওসি সৈয়দ মো. ফজলে রাব্বী গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন। শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে ২০ হাজার ও উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ১০ হাজার টাকার অনুদান কাওসারের পরিবারকে দেয়া হয়।

ফেনী : জেলার তিনজনের মরদেহ দাফন করা হয়েছে। শুক্রবার বিকালে ফেনী সদর উপজেলার লেমুয়ায় নিহত মো. ইব্রাহীম (২৭) ও আনোয়ার হোসেন (২৫) এবং সোনাগাজী উপজেলার নবাবপুরে সুজাউল হকের (৫৬) মরদেহ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। নিহত সুজাউল হকের ছেলে মো. পারভেজ জানান, তার বাবা সুজাউল হক দীর্ঘদিন ধরে চকবাজারে একটি ভবনের নিরাপত্তাকর্মী হিসেবে কাজ করতেন। একই এলাকার একটি প্লাস্টিক কারখানার সামনে পান বিক্রি করতেন তার বোনের স্বামী মো. ইব্রাহিম ও আনোয়ার হোসেন।

লেমুয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন নাসিম জানান, ইব্রাহিম ও আনোয়ার দীর্ঘদিন ধরে চকবাজারে পানের ব্যবসা করত। শুনেছি ইব্রাহিমের শ্বশুর সুজাউল হক সেখানে নিরাপত্তাকর্মী ছিলেন। তিনজনই আগুনে পুড়ে মারা গেছেন।

জয়পুরহাট : অগ্নিকাণ্ডে নিহতদের আত্মার মাগফিরাত ও আহতদের আশু আরোগ্য কামনা করে বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বাদ জুমা জয়পুরহাট কেন্দ্রীয় জামে মসজিদসহ জেলা সদর ও পাঁচ উপজেলার বিভিন্ন এলাকার মসজিদে। এ ছাড়াও অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়েও নিহতদের আত্মার শান্তি কামনা করে বিশেষ প্রার্থনা হয়েছে।

জামালপুর : নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে জামালপুরের বিভিন্ন মসজিদে শুক্রবার বাদ জুমা বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। শহরের কাচারি শাহী জামে মসজিদে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা মাসউদ হোসাইন। এ ছাড়াও শহরের বকুলতলা মসজিদে মোনাজাতে অংশ নেন সংসদ সদস্য মির্জা আজম ও শহরের পাথালিয়া দ্বিতীয়তলা মসজিদে বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোজাফফর হোসেন।

এই সংবাদটি 622 বার পঠিত হয়েছে