ঢাকা |
প্রকাশিত: ৪:৫১ পূর্বাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১৭, ২০১৬
কথায় কথায় আমরা বলে থাকি ‘টাকা কি গাছে ধরে?’। টাকা আসলেই কোন গাছে ধরে না। কিন্তু স্কটিশ হাইল্যান্ড পার্কে এমন এক গাছ আছে যেখান থেকে ঝড়ে পড়ে টাকা! কী মুশকিলের কথা তাই না? অজস্র মুদ্রায় ছেয়ে রয়েছে বিশাল
প্রাচীন গাছটি। এই গল্পের শুরু ১৭০০ বছর আগে-স্কটল্যান্ডে।
স্কটিশ হাইল্যান্ড পার্কটি ঘিরে কৌতূহলের শেষ নেই। পার্কের বিশাল বিশাল গাছগুলো বহু প্রাচীণ। তারই মধ্যে নজর কাছে লক্ষ লক্ষ মুদ্রায় মোড়া ১৭০০ বছরের পুরনো গাছটি। যে দেখে সেই চমকে যায়। সত্যি করেই এ এক আস্ত টাকার গাছ। সংস্কারের বশে গাছটিতে মুদ্রা গেঁথে দেওয়ার পর্ব চলছে। বহু প্রাচীন ব্রিটিশ মুদ্রা যেমন রয়েছে তেমনই রয়েছে বিভিন্ন দেশের মুদ্রা। ফলে গাছটি এক বিস্ময়। মনে করা হয় এই গাছে ভুত রয়েছে। তার পছন্দ হল মুদ্রা। তাকে খুশি করতেই হাজার বছর ধরে মুদ্রা উপহারে মুড়ে দেওয়া হয়েছে গাছটি।
অনেকে মনে করেন গাছটিতে দৈব শক্তি রয়েছে। তাই আশীর্বাদ পেতে এখানে কয়েন দেওয়া হয়। বিশেষ করে বড়দিনের উৎসবে এই উপহার দেওয়ার চল রয়েছে। আবার অনেক মনে করেন, সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে এই গাছের আশীর্বাদ খুবই জরুরি। তার বদলেই মুদ্রা গেঁথে দেওয়া হয় গাছটিতে। বিশ্বের মুদ্রা বিবর্তনের রেখাচিত্রে গত ১৭০০ বছর খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ব্রিটিশ মুদ্রার পরিবর্তনের পাশাপাশি অন্যান্য দেশেও ক্রমাগত মুদ্রা পাল্টে গিয়েছে। অজান্তেই সেই ইতিহাস ধরা রয়েছে স্কটিশ হাইল্যান্ড পার্কের টাকার গাছে। সেদিক থেকেও গাছটি নিজেই এক ইতিহাস।
রেজিঃ নং চ-৭৩৫
সম্পাদক ও প্রকাশক: এম.ফয়জুল হক শিমুল
সহ: সম্পাদক : হাবিবুর রহমান সুলতান
সহ: সম্পাদক : নুরুল হক মাসুদ
সম্পাদক ও প্রকাশক কর্তৃক নিউ বর্ণমালা অফসেট প্রিন্টিং প্রেস, রাজা ম্যানশন জিন্দাবাজার, সিলেট থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত।

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: * সি-৮/৩০ বনশ্রী ঢাকা।
সিলেট অফিস: কমন মার্কেট (৫ম তলা ) বন্দর বাজার, সিলেট।
বিয়ানীবাজার অফিস: ছফর কমপ্লেক্স, দক্ষিণ বিয়ানীবাজার, সিলেট।
যোগাযোগ মোবাইলঃ +88-01713813124
ই-মেইল ॥ somoychitro@gmail.com
বড়লেখা অফিস: নেহার মার্কেট, ( ২য় তলা), বড়লেখা, মৌলভীবাজার।