সিলেটসহ চার জেলার পাসপোর্ট অফিসে ঘুষের আখড়া, গোয়েন্দা সংস্থার চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট

প্রকাশিত: ১২:৩৪ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ৮, ২০২০

সিলেটসহ চার জেলার পাসপোর্ট অফিসে ঘুষের আখড়া, গোয়েন্দা সংস্থার চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট

পাসপোর্টের আঞ্চলিক অফিসগুলো রীতিমতো ঘুষের আখড়ায় পরিণত হয়েছে। অলিখিতভাবে দালাল নিয়োগ দিয়ে প্রতিদিন প্রকাশ্যে চলে ঘুষ কমিশনের কারবার। যা ওপেন সিক্রেট। ৬৯টি আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস থেকে কর্মকর্তাদের নামে প্রতি মাসে কমবেশি ঘুষ তোলা হয় ১২ কোটি টাকা। বিভিন্ন হারে যার ভাগ যথাসময়ে পৌঁছে যায় প্রধান কার্যালয়ের পদস্থ কর্মকর্তাদের পকেটেও। এরমধ্যে সিলেট, হবিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ ও মৌলভীবাজার পাসপোর্ট অফিসে ঘুষ লেনদেন করার সত্যতা পেয়েছে গোয়েন্দা সংস্থা।

পিলে চমকানো এ রকম ঘুষ কারবারের তথ্যপ্রমাণ বেরিয়ে এসেছে গুরুত্বপূর্ণ একটি গোয়েন্দা সংস্থার বিস্তারিত প্রতিবেদনে। যেখানে তৌফিকুল ইসলাম নামে এক পরিচালকই ৩ বছরে মাসোয়ারা তুলেছেন প্রায় সাড়ে ৬ কোটি টাকা। সাক্ষ্যপ্রমাণসহ গোয়েন্দা সংস্থার চাঞ্চল্যকর রিপোর্টটি এখন দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) কার্যালয়ে। করোনা পরিস্থিতির কারণে কিছুটা বিলম্ব হলেও সম্প্রতি সংশ্লিষ্ট দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে দুদকের শীর্ষ পর্যায় থেকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

দুদকে পাঠানো গোয়েন্দা প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশের ৬৯টি আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে প্রতি মাসে গড়ে ২ লাখ ২৬ হাজার ৫শ’টি পাসপোর্টের আবেদন জমা হয়। এর মধ্যে ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ জমা হয় দালালদের মাধ্যমে। দালালদের জমা করা আবেদনপ্রতি পাসপোর্ট কর্মকর্তারা ঘুষ নেন ১ হাজার টাকার নির্ধারিত রেটে। সে হিসাবে পাসপোর্ট আবেদন থেকে প্রতি মাসে ঘুষ আদায় হয় ১১ কোটি ৩২ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

এই সংবাদটি 604 বার পঠিত হয়েছে

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ