বিশ্ব ব‌্যাংকের ‘উৎসাহ’ পেল প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা

প্রকাশিত: ৮:৫৮ পূর্বাহ্ণ, অক্টোবর ১৭, ২০১৬

বিশ্ব ব‌্যাংকের ‘উৎসাহ’ পেল প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা

দারিদ্র্য বিমোচন দিবস উপলক্ষে সোমবার বিশ্ব ব‌্যাংক প্রেসিডেন্ট এবং এ সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।খবর বিডি নিউজ২৪ ডটকম

শেখ হাসিনা গত ৪৫ বছরে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অর্জনগুলো তুলে ধরেন এবং আশা প্রকাশ করেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবেলায় দেওয়া প্রতিশ্রুতি আর টেকসই উন্নয়নের লক্ষ‌্য পূরণের অঙ্গীকার ভুলে যাবে না।

বাংলাদেশকে ২০২১ সালে মধ‌্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সাল নাগাদ উন্নত দেশের কাতারে নিয়ে যাওয়ার প্রত‌্যয় এ অনুষ্ঠানেও তিনি তুলে ধরেন।

বিশ্ব ব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ ও সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট পল রোমার অনুষ্ঠানে বলেন, এমনিতে অর্থনীতিতে সরকারের নিয়ন্ত্রণ ‘খুব বেশি জরুরি না হলেও’ বাংলাদেশের মত দেশের পরিস্থিতি তেমন নয়।

অনুষ্ঠানের মূল প্রবন্ধে রোমার শিক্ষা খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়ার পাশাপাশি মনে করিয়ে দেন, শিক্ষর মানটাই হল আসল।

সমাজে সাম‌্য প্রতিষ্ঠার মধ‌্য দিয়ে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনের ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, এর কোনো বিকল্প নেই।

দারিদ্র্য বিমোচনে দ্রুত উদ‌্যোগী হওয়ার তাগিদ দিয়ে রোমার বলেন, এক্ষেত্রে এক দিনের বিলম্বও অনেক ক্ষতির করাণ হতে পারে।

বিশ্ব ব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের ভাইস প্রেসিডেন্ট অ্যানেট ডিক্সন শিক্ষা, নারীর ক্ষমতায়ন ও দারিদ্র্য বিমোচনে নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ এবং সহস্রাব্দের উন্নয়ন লক্ষ‌্য বাস্তবায়নে সাফল‌্যের কথা অনুষ্ঠানে তুলে ধরেন।

দারিদ্র্য বিমোচনে বৈশ্বিক অগ্রগতির চিত্র তুলে ধরে বিশ্ব ব‌্যাংক প্রেসিডেন্ট জিম ইয়ং কিম বলেন, মাত্র এক বছরের মধ‌্যে পৃথিবীতে ১০ কোটি মানুষকে অতিদারিদ্র্য থেকে বের করে আনা সম্ভব হয়েছে।

এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অর্জনকে ‘চমৎকার’ হিসেবে বর্ণনা করে কিম বলেন, এই অভিজ্ঞতা অন‌্য দেশের মধ‌্যেও ছড়িয়ে দেওয়া সম্ভব হবে বলে তিনি আশা করছেন।

বিশ্ব ব‌্যাংক প্রধান বলেন, “দারিদ্র্য বিমোচনের জন‌্য উদ্ভাবনী ধারণা প্রবর্তন যে খুবই জরুরি, তা বাংলাদেশ খুবই দ্রুত অনুধাবন করতে পেরেছে।”

এ প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে নারী স্বাস্থ‌্যকর্মীদের দল গড়ে তুলে বাংলাদেশে ডায়রিয়ার মত রোগের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলার কথা স্মরণ করেন কিম।

তিনি বলেন, “জনগণের পেছনে বিনিয়োগ করা ঠিক ততটাই জরুরি, যতটা জরুরি অবকাঠামো ক্ষেত্রের বিনিয়োগ।”

অনেক চ‌্যালেঞ্জের মধ‌্যেও সেই বিনিয়োগ সম্ভব হয়েছে বলে তিনি মন্তব‌্য করেন।

এই সংবাদটি 828 বার পঠিত হয়েছে

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ