ঢাকা |
প্রকাশিত: ১:৫৭ পূর্বাহ্ণ, জুলাই ৫, ২০১৭
রাজশাহী বিভাগীয় চীফ : ভিক্ষা করে পাওয়া এক টাকা ও দুই টাকার কয়েন নিয়ে বিপাকে পড়েছেন পাবনার ভিক্ষুকরা। ভিক্ষুকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, ভিক্ষুকরা কয়েন নিয়ে বিভিন্ন দোকানীদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন। কিন্তু কেউ কয়েন নিতে বা কয়েন দিয়ে কোন জিনিস বিক্রি করতে চাচ্ছেন না। তাই কয়েন নিয়ে তারা আতঙ্কে আছেন বলে জানিয়েছেন কয়েকজন ভিক্ষুক।
আজিজল, মতিজান, রহিমা, হাসেম আলীসহ অনেক ভিক্ষুক অভিযোগ করে বলেন, ”বেশির ভাগ মানুষ ভিক্ষা হিসেবে এক, দুই বা পাঁচ টাকার কয়েন দেয়।
এই কয়েন কেউ নিতে চায়না। তারা জানায় তারা এই পয়সা এখন কি করবে? অনেক মানুষ তাদেরকে এই কয়েন ব্যাংক জমা দেওয়ার কথা বল্লেও ব্যাংকে গিয়ে এই কয়েন টাকায় রূপান্তর করা অসম্ভব বলে জানালেন হাসেম আলী।
এদিকে কয়েন না নিতে চাইলে মানুষ ভিক্ষাই দিতে চায়না বলে বলে তাদের অভিযোগ। তারা বলে পয়সা নিলে নেও, না নিলে অন্য জাগায় যাও।
তারা জানিয়েছে, ঘরে খাবার না থাকলেও কারও কারও কাছে ৪-৫শ টাকার কয়েন জমা হয়ে আছে। কয়েন দেখলে ভিক্ষা নিতে ইচ্ছা করে না বলেও তারা জানিয়েছেন।
পাবনার দোকানীরা জানান, কয়েন নিতে তাদের কোন আপত্তি নেই, কিন্তু ক্রেতারা নিতে চায় না।
এ বিষয়ে একজন দোকানী জানান, ভিক্ষুকদের আকুতিতে অনেক সময় কয়েনের বিনিময়ে সদাই দিলেও সেই কয়েন আবার অন্য ভিক্ষুকদের জন্য রেখে দিই।
তাই আবারও ওই ভিক্ষুকদের ভাগ্যেই জুটে এই কয়েন।
এবিষয়ে স্থানীয় পাবনার ব্যাংকগুলোর সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা জানান, কয়েন বদলাতে আসলে ব্যাংক কর্তৃপক্ষের কয়েন রেখে কাগজে মুদ্রা দিতে আপত্তি নেই, এটা অচল কোন মুদ্রা নয়।
রেজিঃ নং চ-৭৩৫
সম্পাদক ও প্রকাশক: এম.ফয়জুল হক শিমুল
সহ: সম্পাদক : হাবিবুর রহমান সুলতান
সহ: সম্পাদক : নুরুল হক মাসুদ
সম্পাদক ও প্রকাশক কর্তৃক নিউ বর্ণমালা অফসেট প্রিন্টিং প্রেস, রাজা ম্যানশন জিন্দাবাজার, সিলেট থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত।

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: * সি-৮/৩০ বনশ্রী ঢাকা।
সিলেট অফিস: কমন মার্কেট (৫ম তলা ) বন্দর বাজার, সিলেট।
বিয়ানীবাজার অফিস: ছফর কমপ্লেক্স, দক্ষিণ বিয়ানীবাজার, সিলেট।
যোগাযোগ মোবাইলঃ +88-01713813124
ই-মেইল ॥ somoychitro@gmail.com
বড়লেখা অফিস: নেহার মার্কেট, ( ২য় তলা), বড়লেখা, মৌলভীবাজার।