ঢাকা |
প্রকাশিত: ২:৪১ অপরাহ্ণ, জুলাই ১৫, ২০১৬
টাকা না নেয়ায় ধর্ষিতার পরিবার একঘরে: তরুণী গর্ভবতী :গ্রাম ছেড়ে চলে যাওয়ার নির্দেশ বিস্তারিত পড়–ন , লাইক দিন ।
টাকা না নেয়ায় গ্রাম্য সালিশের মাধ্যমে চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গার মাদারহুদা গ্রামে এক ধর্ষিতার পরিবারকে একঘরে করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, গ্রামের মাতবররা ওই পরিবারকে গ্রাম ছেড়ে চলে যাওয়ার নির্দেশও দিয়েছেন। অসহায় পরিবারটি এখন বিচারের আশায় দ্বারে দ্বারে ঘুরছে। সূত্র জানায়, ধর্ষণের ঘটনা ৮০ হাজার টাকায় মীমাংসা করতে ধর্ষিতার পরিবারকে চাপ দেন মাতবররা। কিন্তু ধর্ষিতা টাকা না নিয়ে ঘটনার বিচার দাবি করে। এ কারণে সালিশে ওই পরিবারের বিরুদ্ধে এ রায় দেয়া হয়।
জানা যায়, প্রায় ছয় মাস আগে আলমডাঙ্গা উপজেলার মাদারহুদা গ্রামের এক তরুণীকে ঘরে আটকে রেখে ধর্ষণ করে একই গ্রামের হাফিজুল। ধর্ষণের কথা কাউকে জানালে এসিড মেরে মুখ ঝলসে দেয়ার হুমকি দেয় কলেজছাত্র হাফিজুল।
ওই ঘটনায় তরুণী গর্ভবতী হয়ে পড়ে। পরে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে গোপনে তরুণীর গর্ভপাত ঘটানো হয়। পরে বিয়ে না করায় ওই তরুণী গ্রামে বিচার চান। সালিশে অভিযুক্ত হাফিজুলকে ৮০ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে বলা হয়।
কিন্তু ধর্ষিতার পরিবার ওই টাকা প্রত্যাখ্যান করে আলমডাঙ্গা থানায় মামলা করে। এরই জের ধরে বৃহস্পতিবার রাতে গ্রামে আবার সালিশ বসে। গ্রামের মাতবরদের কথা অমান্য করে থানায় মামলা করার কারণে তাদেরকে একঘরে করা হয়।
ধর্ষিতার পরিবার জানায়, গ্রামের মাতবর আলিউদ্দিন ও যুবলীগ নামধারী নেতা সোনা মিয়া গ্রাম ছেড়ে চলে যেতে নির্দেশ দিয়েছেন।
রেজিঃ নং চ-৭৩৫
সম্পাদক ও প্রকাশক: এম.ফয়জুল হক শিমুল
সহ: সম্পাদক : হাবিবুর রহমান সুলতান
সহ: সম্পাদক : নুরুল হক মাসুদ
সম্পাদক ও প্রকাশক কর্তৃক নিউ বর্ণমালা অফসেট প্রিন্টিং প্রেস, রাজা ম্যানশন জিন্দাবাজার, সিলেট থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত।

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: * সি-৮/৩০ বনশ্রী ঢাকা।
সিলেট অফিস: কমন মার্কেট (৫ম তলা ) বন্দর বাজার, সিলেট।
বিয়ানীবাজার অফিস: ছফর কমপ্লেক্স, দক্ষিণ বিয়ানীবাজার, সিলেট।
যোগাযোগ মোবাইলঃ +88-01713813124
ই-মেইল ॥ somoychitro@gmail.com
বড়লেখা অফিস: নেহার মার্কেট, ( ২য় তলা), বড়লেখা, মৌলভীবাজার।