জুড়ী উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যানের জামিন লাভ

প্রকাশিত: ৩:৩৪ অপরাহ্ণ, জুন ৭, ২০১৬

জুড়ী উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যানের জামিন লাভ

 

বিশেষ প্রতিনিধি: ঘটনার প্রায় ছয় মাস পর করা ধর্ষণের চেষ্টায় করা মামলায় জুড়ী উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের উপজেলা কমিটির আহ্বায়ক কিশোর রায় চৌধুরী মনিকে হাইকোর্ট ৬ মাসের আগাম জামিন প্রদান করেছেন।

পুলিশ ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০১৫ সালের ২৮ নভেম্বর দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে কিশোর রায় চৌধুরী মনি উপজেলার আমতৈল গ্রামের একটি বাড়িতে যান। একপর্যায়ে তিনি ওই বাড়ির এক কলেজছাত্রীকে (২৪) ধর্ষণের চেষ্টা চালান। চিৎকার শুনে পরিবারের সদস্যরা ছুটে গেলে কিশোর রায় চৌধুরী পালিয়ে যান। কিশোর রায় চৌধুরী ৬জুন সোমবার হাইকোর্টে হাজির হয়ে আগাম জামিন প্রার্থনা করেন। পরে শুনানি শেষে বিচারপতি মোঃ এমদাদুল হক ও আশীষ রঞ্জন দাসের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ তাঁকে ছয় মাসের অন্তবর্তীকালীন জামিন প্রদান করেন। এছাড়া কেন তাঁকে স্থায়ী জামিন প্রদান করা হবে না-সেই মর্মে সরকারকে ৪ সপ্তাহের মধ্যে জবাব দিতে রুল জারি করেন।

কিশোর রায় চৌধুরী বলেন, দলের প্রভাবশালী একটি পক্ষ তাঁর জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে কলেজছাত্রীকে ব্যবহার করে ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলা দিয়েছে। ওই পক্ষের মদদে সন্ত্রাসীরা সাম্প্রদায়িক উস্কানি দিয়ে সম্প্রতি তাঁর বাসায় হামলা চালায়।

এলাকাবাসী জানায়, ২০১১ সালে কলেজছাত্রী রাশিদ মিয়া নামের স্থানীয় আরেক যুবকের বিরুদ্ধে জুড়ী থানায় ইভটিজিংয়ের মামলা করেন। ২০১২ সালে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মরহুম এম এ মুমিত বিষয়টির আপোস-মীমাংসা করে দেন। কিন্তু, কলেজছাত্রী মামলা প্রত্যাহার না করায় কিছু দিন আগে আদালত কলেজছাত্রী ও মামলার সাক্ষীদের বিরুদ্ধে সমন জারি করেন।

জুড়ী থানার এসআই ওয়াহেদ গাজী বলেন, ধর্ষণের চেষ্টায় করা মামলার বিষয়টির এখনো তদন্ত চলছে। কলেজছাত্রীর আগের করা মামলা নিষ্পত্তি হওয়ার বিষয়টি তাঁরা জেনেছেন। সেটাও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

এই সংবাদটি 690 বার পঠিত হয়েছে