জাকিরের জবানবন্দি অনুযায়ী সইবন হত্যায় ব্যবহৃত দুটি ছুরি ও ৮টি গামছা উদ্ধার

প্রকাশিত: ১২:০৯ পূর্বাহ্ণ, মে ১৩, ২০১৮

জাকিরের জবানবন্দি অনুযায়ী সইবন হত্যায় ব্যবহৃত দুটি ছুরি ও ৮টি গামছা উদ্ধার

জিজ্ঞাসাবাদে জাকিরের জবানবন্দি অনুযায়ী সইবন হত্যায় ব্যবহৃত দুটি ছুরি ও ৮টি গামছা উদ্ধার করেছে পুলিশ।

৫ দিনের রিমাণ্ডে থাকা জাকির হোসেন হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকারের পর তার দেওয়া তথ্যানুযায়ী পুলিশ শনিবার (১২মে ) সকালে শেওলা ব্রিজের পূূূূর্বপাশের নদী

অববাহিকা থেকে এগুলো খুঁজে বের করে।

এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত অপর আসামীদেরও চিহ্নিত করা হয়েছে। তবে তদন্তের স্বার্থে পুলিশ তাদের নাম প্রকাশ করছে না।
জানা যায়, আমেরিকা পাঠানোর নামে ব্যবসায়ী হাজী সহিব উদ্দিন সইবনের কাছ থেকে কৌশলে দেড় কোটি টাকা হাতিয়ে নেয় জাকির। শর্তনুযায়ী গত জানুয়ারি মাসে তাদের বিদেশ পাঠানোর কথা ছিল। কিন্তু কাজ না হওয়ায় সইবন টাকা ফেরত চান। এতে জাকির টাকা দিতে গড়িমসি করলে তিনি বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগ করেন।

একপর্যায়ে টাকা আত্মসাৎ

করতেই গত ২৭ এপ্রিল রাতে সইবনকে জবাই করে আলীনগর এলাকায় রাস্তার পাশে ফেলে দেয় ঘাতকরা। নৃশংশ এ হত্যাকাণ্ডে ৫জন সরাসরি জড়িত থাকার কথা পুলিশের কাছে স্বীকার করেছে

রিমান্ডে থাকা জাকির।

রিমান্ডে জাকির পুলিশকে আরও জানিয়েছে, সইবনকে খুনের পর তার পায়ের জুতা, মোবাইল ফোন ও এ কাজে ব্যবহৃত ১২টি গামছা, দু’টি ছুরি শেওলা ব্রিজের নিচে ফেলে দেয়। রাতে সে বৈরাগীবাজারে শ্বশুড় বাড়ি আশ্রয় নেয় এবং সহযোগীরা গাড়িসহ কলেজ রোড দিয়ে চন্দরপুরব্রেীজহেয়ে সিলেট পালিয়ে যায়।

এদিকে গোপন তথ্যে

র ভিত্তিতে পরদিন পুলিশ জাকিরকে আটক করে এবং তার সিলেটের বাসা থেকে রক্তমাখা গাড়ী, বিদেশ পাঠানোর ১৫শ’ ডকুমেন্ট জব্দ করে।

এ ঘটনায় নিহতের বড় পুত্র বাদী হয়ে জাকিরকে প্রধান আসামী করে থানায় মামলা করেন।

 

বিয়ানীবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ মো. শাহজালাল মুন্সী বলেন, পুলিশ এ হত্যাকাণ্ডের মোটিভ উদঘাটন করেছে। এখন জড়িত আসামীদের গ্রেফতার চেষ্টা চলছে।

তিনি বলেন, আমরা ৪টি গামছা, মোইাবল ও জুতা পাইনি। হয়তো এগুলো পানির স্রোতে ভেসে গেছে।

ওসি বলেন, ঘাতক জাকিরের ৫দিনের রিমান্ড রোববার (১৩ মে) শেষ হলে তাকে জেলহাজতে প্রেরণ করা হবে।

এই সংবাদটি 674 বার পঠিত হয়েছে

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ