ঢাকা |
প্রকাশিত: ১:৩৪ পূর্বাহ্ণ, মে ১৩, ২০১৮
জগন্নাথপুর(সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি:
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার পাইলগাঁও ইউনিয়নের খানপুর গ্রামের মটর দাশের বাড়ীর সামনে নবনির্মিত বেড়ীবাঁধ গতকাল শনিবার বাঁধ ভেঙ্গে খানপুর,জালালপুর,আলীপুর,গোতগাঁও সহ কয়েকটি গ্রামে কুশিয়ারা নদীর পানি প্রবেশ করে প্লাবিত হচ্ছে।অব্যাহত ভাবে ভাঙ্গা দিয়ে পানি প্রবেশ করতে থাকলে উপরুক্ত গ্রামের মানুষ বন্যা কবলিত হয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
এলাকার জনসাধারণের সাথে কথা বলে জানা গেছে,উক্ত বাঁধটি নির্মাণে দায়ীত্ব প্রাপ্তরা সার্ভে অনুযায়ী বেড়ীবাঁধ নির্মাণ না করায় শুরু থেকেই ভাঙ্গন কবলিত স্থানে ক্রটি দেখা দেয়।কিন্ত প্রকল্প বাস্তবায়নে দায়ীত্ব প্রাপ্ত পিআইসি কমিটি নিয়মনীতির তুয়াক্কা না করে প্রকল্পের অর্থ লোপাট করতে নামমাত্র বাঁধের কাজ করায় ভাঙ্গনের সৃষ্টি হয়েছে বলেও এলাকাবাসী অভিযোগ করেন।
খোজ নিয়ে জানাযায়, উপজেলার পাইলগাঁও ইউনিয়নের সুরাইয়া বিবিয়ানা প্রকল্প নামে ২.৩৩২ কিঃমিঃ বেড়ীবাঁধ ৯,৮৮০৬০৩১ (নয় লক্ষ আটাশি হাজার) টাকা ব্যয়ে নির্মাণে দায়ীত্ব প্রাপ্ত পিআইসি নং ১১৩ এর সভাপতি নীতিমালা অনুযায়ী বাঁধ নির্মাণ করেনি। এ প্রকল্পের প্রায় ১ কিলোমিটার বাঁধ নির্মাণ না করেই কাজের ইতি টানেন।এদিকে ভাঙ্গন কবলিত বাঁধটি মেরাতের জন্য এলাকাবাসী মাইকিং করলে জালালপুর আল-ইখওয়ান ইসলামী সমাজ কল্যাণ সংস্থা ও খানপুর গ্রামবাসীর যৌথ উদ্দ্যোগে বাঁধটি মেরামতের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।এ ছাড়াও পুরাতন আলাগদি-জালালপুর পর্যন্ত বেড়ীবাঁধ নির্মাণে অনিয়ম থাকায় ভাঙ্গনের সম্ভবনা দেখা দিয়েছে।জালালপুর গ্রামের সিরাজুল হকের বাড়ির নিকটে বাঁধের কিছু অংশ কাজের বাকি থাকলে কুশিয়ারা নদীর পানি প্রবেশ করে।এছাড়াও পুরাতন আলাগদি গ্রামের নিকটে বেড়ীবাঁধে ফাটল ও বাঁধের বিপদসীমার কাছাকাছি কুশিয়ারা নদীর পানির অবস্থান। যেকোনো সময় বাঁধ ভেঙ্গে এলাকা প্লাবিত হতে পারে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
সার্ভে অনুযায়ী এবং নিয়মনীতির অনুসরণ না করে উক্ত বেড়ীবাঁধ প্রকল্প নির্মাণে দায়ীত্ব প্রাপ্ত ৪৬নং পিআইসি কমিটি বাঁধের কাজে নানা অনিয়ম করার অভিযোগ রয়েছে।পাইলগাঁও ইউনিয়নের উক্ত পিআইসি কমিটির বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয় এবং পাইলগাঁও ইউনিয়ন সচেতন কৃষক সমাজ মানববদ্ধন ও করেছে এবং বিভিন্ন অনলাইন পোর্টাল ও প্রিন্ট পত্রিকায় সংবাদ প্রচার হওয়ার পরও রহস্যজনক কারনে বেড়ীবাঁধ নির্মাণে সংশিষ্ট প্রশাসন এদের বিরুদ্ধে কোন প্রকার আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি।প্রকল্পের বরাদ্দকৃত অর্থের অর্ধেক টাকায় নির্মিত এসব বাঁধের বাকী অর্থ আত্মসাৎ করার পায়তারা করা হচ্ছে।
ভাঙ্গনের এব্যাপারে জগন্নাথপুর উপজেলার পানি উন্নয়ন বোর্ডের এসও নাসির উদ্দিন বলেন,এখন বেড়ী বাঁধ ভাঙ্গলে মেরামতের কোন সুযোগ নেই।এটাতো ডুবন্ত বাঁধ হাওরের ধান উঠা পর্যন্ত ঠিক থাকলে চলে।বাঁধগুলো এরকম হলে হয়। দুস্কৃতিকারীরা যদি বাঁধ কেটে দেয় এটা তো আমাদের কিছু করার নাই।##
রেজিঃ নং চ-৭৩৫
সম্পাদক ও প্রকাশক: এম.ফয়জুল হক শিমুল
সহ: সম্পাদক : হাবিবুর রহমান সুলতান
সহ: সম্পাদক : নুরুল হক মাসুদ
সম্পাদক ও প্রকাশক কর্তৃক নিউ বর্ণমালা অফসেট প্রিন্টিং প্রেস, রাজা ম্যানশন জিন্দাবাজার, সিলেট থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত।

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: * সি-৮/৩০ বনশ্রী ঢাকা।
সিলেট অফিস: কমন মার্কেট (৫ম তলা ) বন্দর বাজার, সিলেট।
বিয়ানীবাজার অফিস: ছফর কমপ্লেক্স, দক্ষিণ বিয়ানীবাজার, সিলেট।
যোগাযোগ মোবাইলঃ +88-01713813124
ই-মেইল ॥ somoychitro@gmail.com
বড়লেখা অফিস: নেহার মার্কেট, ( ২য় তলা), বড়লেখা, মৌলভীবাজার।