চাটমোহরে অসামাজিক কার্যকলাপের দায়ে পতিতা সহ আটক- ৩

প্রকাশিত: ৫:৫৬ পূর্বাহ্ণ, মার্চ ২১, ২০১৭

রাজশাহী বিভাগীয় চীফ :
পাবনার চাটমোহরে অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগে পতিতা সহ বাড়ির মালিক ও এক খদ্দেরকে হাতেনাতে আটক করেছে পুলিশ। অভিযুক্ত একজনকে ছেড়ে দিলেও অপর দু’জনকে ভ্রাম্যমান আদালত কারাদন্ড প্রদান করা হয়েছে। এর আগে রবিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার মূলগ্রাম ইউনিয়নের অমৃতকুন্ডা গ্রাম থেকে তিন জনকে আটক করে চাটমোহর থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) সইবুর রহমান ও সঙ্গীয় ফোর্স।
আটককৃতরা হলেন, উপজেলার মূলগ্রাম ইউনিয়নের অমৃতকুন্ডা গ্রামের চাঁদু প্রামানিকের ছেলে নজরুল ইসলাম (বাড়ির মালিক), নাটোর গুরুদাসপুর উপজেলার নাজিরপুর গ্রামের সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে সাইফুল ইসলাম ও আটঘরিয়া উপজেলার জালালের ঢাল এলাকার সজিব হোসেনের স্ত্রী রোজিনা খাতুন। পরে খদ্দের সাইফুলকে অজ্ঞাত কারণে ছেড়ে দিয়ে গতকাল সোমবার দুপুরে অপর দু’জনকে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মো. মিজানুর রহমানের ভ্রাম্যমান আদালতে হাজির করেন এসআই সইবুর রহমান। ভ্রাম্যমান আদালত বাড়ির মালিক নজরুল ইসলামকে ৯ মাস ও রোজিনা খাতুনকে ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেন।
এলাকাবসীর বক্তব্যে জানা গেছে, দীর্ঘদিন থেকে অমৃতকুন্ডা গ্রামের নজরুলের বাড়িতে অসামাজিক কার্যকলাপ চলছিল। প্রতিনিয়ত অপরিচিত নারী-পুরুষের আনাগোনা ছিল বাড়িটিতে। এ নিয়ে এর আগেএলাকাবাসী প্রতিবাদ করেও কোন লাভ হয়নি। অবশেষে রবিবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাদের কে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
তবে এসআই সইবুর রহমানের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এলাকাবাসী। তারা অভিযোগ করে বলেন, রবিবার বিকেলে তিনি ৩ জনকে আটক করলেও সোমবার দুপুরে কেন খদ্দের সাইফুলকে ছেড়ে দিয়ে অপর দু’জনকে ভ্রাম্যমান আদালতে নিয়ে গেলেন? আর কেনই বা আটকের পর সাইফুলকে (খদ্দের) ছেড়ে দিলেন। এলাকাবাসীর অভিযোগ, এসআই সইবুর রহমান আর্থিক চুক্তির মাধ্যমে সাইফুলকে ছেড়ে দিয়েছেন। অপরদিকে অভিযান পরিচালনার সময় আশা নামের এক মহিলাকেও ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যেতে সহায়তা করেন তিনি বলে অভিযোগ করেন তারা। এ বিষয়ে চাটমোহর থানার এসআই সইবুর রহমান জানান, ‘সাইফুল আমার সোর্স হিসেবে কাজ করেছে, যে কারণে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।’

এই সংবাদটি 601 বার পঠিত হয়েছে

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ