চাটমোহরের হান্ডিয়ালে সরকারি পুকুর নিয়ে সংঘর্ষ

প্রকাশিত: ২:৩০ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ৫, ২০১৭

রাজশাহী বিভাগীয় চীফ :


  • অাজ সকাল ১০টা দিকে পাবনার চাটমোহর উপজেলার হান্ডিয়ালেইউনিয়নের নলড্ঙ্গা গ্রামে বড় পুকুর নিয়ে দু পক্ষের মধ্যে মাছের পোনা ছাড়া নিয়ে সংঘর্ষ বাধে। জানা যায় নলডাঙ্গা গ্রামের প্রভাবশালীদের সাথে সুভলভোগীদের মাঝে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এক পর্যায়ে সুভলভোগীর পক্ষে রফিকুল ইসলাম হান্ডিয়ালে পুলিশ তদন্ত্র কেন্দে অভিযোগ করলে পুলিশ ঘটনা স্থলে গিয়ে তা নিয়ন্ত্রন করে। সুফলভোগীর সভাপতি রফিকুল ইসলাম বলেন অামরা বড় পুকুরে মাছের পোনা ছাড়তে গেলে নলডাঙ্গা গ্রামের জমশেদ অালী, নজু হাজী সেলিম হোসেন অাশরাফ অালী গং ইট, লাঠি সোঠা নিয়ে অামাদের উপর হামলা করে।
    তখন অামি পুলিশকে জানালে তারা এসে ঘটনার নিয়ন্ত্রন করে। সুফলভোগীর সাধারন সম্পাদক বলেন অামরা নিমগাছী সমাজ ভিত্তিক মৎস চাষ ব্যবস্থাপনা প্রকল্প, চাটমোহর মৎস দপ্তর চাটমোহর পাবনার মাধ্যমে নিয়মতান্ত্রিক ভাবে ২৯জন সুফলভোগীরা ডিসিঅার এর মাধ্য বৈধ্যভাবে মাছ চাষ করব কিন্তু জমশেদ গং অামাদের দীর্ঘ দিন যাবৎ বাধা দিয়ে অাসছে। চাটমোহর উপজেলা মৎস কর্মকর্তা মাহাবুর রহমানের ৪-৯-২০১৬ ইং তারিখে স্বাক্ষর কৃত অর্থ প্রদানের রশিদ ও রয়েছে। উক্ত পুকুরটি বর্তমান দাগ নং ২৬৯ সাবেক ১৪২৩ জমির পরিমান ১৫বিঘা এবং ডিসিঅার নং ৪৭। নলডাঙ্গা গ্রামের মোহাম্মাদ অালী জানান জমশেদ সেলিম গং দির্ঘ দিন যাবৎ সমস্যা করে অাছে এবং অাজ সকালে তারা ইট লাঠিসোঠা নিয়ে সুফলভোগীদের মারার জন্য অাক্রমন করে। হান্ডিয়াল পুলিশ তদন্ত্র কেন্দ্রর এ এসঅাই শহীদুল বলেন সুফলভোগীরা কিছু মাছের পোনা নিয়ে অাসছে পোনা নষ্ট হবে বলে অামি উভয় পক্ষকে ডেকে পোনা পুকুরে ছেড়ে দেওয়াই এবং অাগামী রবিবারের মধ্যে উভয় পক্ষকে নিয়ে বসে সমাধান করা হবে মর্মে বলেছি। এ বিষয়ে হান্ডিয়াল ইউপি চেয়ারম্যান কেএম জাকির হোসেন জানান বিষয়টা অামি জানি সরকার সরকারি জায়গা সুফলভোগীদের দিয়েছে তারাই ভোগ করবে এব্যাপারে অামার কিছুই বলার নাই। অত্র এলাকার মানুষের সাথে কথাবলে তার এঘটনার অাশু সমাধান চান। এ বিষয়ে উপজেলার মৎস কর্মকর্তা মাহাবুর রহমানের সাথে ফোনে যোগাযোগ করা চেষ্টা করা হলে তা সম্ভব হয় না।

এই সংবাদটি 631 বার পঠিত হয়েছে

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ