চাটমোহরবাসীর জনজীবন অতিষ্ঠ ঘন ঘন লোডশেডিং.

প্রকাশিত: ১:৩৪ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ১৭, ২০১৭

চাটমোহরবাসীর জনজীবন অতিষ্ঠ ঘন ঘন লোডশেডিং.

রাজশাহী বিভাগীয় চীফ :
পাবনা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ (চাটমোহর) আওতাধীন চাটমোহর, ভাঙ্গুড়া, ফরিদপুর, আটঘরিয়া, ঈশ্বরদী (আংশিক) পাবনা সদর (আংশিক) উপজেলাগুলোতে বিদ্যুতের বিভ্রাট ও লুকোচুরিতে অতিষ্ঠ জনজীবন।
এ যেন দেখার কেউ নেই। দিনে রাতে ১০/১২ বার বিদ্যুতের লোডশেডিং চলে। এই আছে, এই নেই, বিদ্যুতের এমন লুকোচুরি খেলা একদিনের নয়, নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেছেন।
এতে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষের। একদিকে অসহনীয় গরম, অপর দিকে বিদ্যুৎ না থাকায় মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রার মান ব্যাহত হচ্ছে। বিদ্যুত বিভ্রাটের কারণে কম্পিউটার, ফ্রিজ, পানির মোটর, ফটোকপি মেশিনসহ বিদ্যুৎচালিত যন্ত্রপাতি বিকলসহ নষ্ট হয়ে পড়ছে।
একাধিক সূত্রমতে, সন্ধা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত মাত্র ২ ঘন্টা বিদ্যুৎ সরবরাহের পর রাত সাড়ে ১২টা থেকে টানা ৩টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকছে।
আবার ভোর ৪টার পরেও বিদ্যুতের লোডশেডিং চলে।
গুরুত্বপূর্ণ অফিস আদালত, স্কুল, কলেজ, বিভিন্ন কলকারখানা বিদ্যুৎ না থাকায় ভোগান্তি পোহাতে হয়।
সন্ধ্যায় বিদ্যুৎ না থাকায় শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার বিঘ্ন ঘটছে। বিদ্যুৎ গ্রাহকরা জানায়, নির্দিষ্ট সময়ে লোডশেডিং হলে আমরা আগেভাগে থেকে প্রস্তুতি নিয়ে থাকতে পারতাম। এ অবস্থায় লোডশেডিং চলতে থাকলে বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকাই ভালো।
এ ব্যাপারে পাবনা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর জেনারেল ম্যানেজার শাহ জুলফিকার হায়দার বলেন, ‘লোডশেডিংয়ের কারণে মানুষের জীবন যে দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে, সেটা আমরাও বুঝতে পারছি। তারপরও আমাদের কিছু করার নেই। আমরা যেভাবে যা বিদ্যুৎ পাচ্ছি, সেভাবে সরবরাহ করছি।

এই সংবাদটি 833 বার পঠিত হয়েছে

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ