গোলাপগঞ্জে মারামারি ও টাকা লুটের ঘটনায় দুই সহোদরের সশ্রম কারাদন্ড 

প্রকাশিত: ১:৩৯ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ৮, ২০১৭

গোলাপগঞ্জে মারামারি ও টাকা লুটের ঘটনায় দুই সহোদরের সশ্রম কারাদন্ড 
.
গোলাপগঞ্জ প্রতিনিধি: অতর্কিত হামলা ও মারধর করে জোরপূর্বক টাকা লুটের ঘটনায় গোলাপগঞ্জের আমুড়া ইউনিয়নের সুন্দিশাইল গ্রামের দুই সহোদরের সাজা দেয়া হয়েছে। সিলেটের বিজ্ঞ চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজেস্ট্রেট কাজী আব্দুল হান্নান এ রায় দেন। রায়ে অপর দুই ব্যক্তিকে অভিযোগ প্রমানিত না হওয়ায় খালাস দেয়া হয়েছে। রায়ে আসামী উপজেলার আমুড়া ইউনিয়নের সুন্দিশাইল গ্রামের মৃত নুনু মিয়ার পুত্র তানভীর আহমদ শিপুকে ৩বছরের সশ্রম কারাদন্ড ও ১০হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও চার মাসের কারাদন্ড এবং অপর সহোদর তালিম আহমদ দিপুকে এক বছর দুই মাসের কারা দন্ড ও ৫হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও দুই মাসের কারাদন্ড প্রদান করা হয়।
মামলার সূত্রে জানাযায়, ২০১২ সালের ২৫মার্চ উপজেলার আমুড়া ইউনিয়নের সুন্দিশাইল গ্রামের স্থানীয় বাবুল মিয়া ও তার সহযোগীরা হেলাল আহমদের ব্যক্তিগত গোরস্তান থেকে জোরপূর্বক বাশঁ কেটে নিয়ে যায়। এ সময় হেলাল আহমদ এতে বাধাঁ প্রদান করলে তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয়। পরে বিয়ের খরছ করার জন্য ওইদিন বিকেলে বাজারের উদ্যেশ্যে বাড়ী থেকে রওয়ানা হওয়ার পর স্থানীয় সুন্দিশাইলস্থ ২৩শহীদ মিনারের সামনে আসামাত্র তার ওপর হামলা চালায় প্রতিপক্ষ। এসময় তার কাছে থাকা নগদ ৪২হাজার টাকাও ছিনিয়ে নেয় হামলাকারীরা। এ ঘটনার পর পরের দিন ২৬ মার্চ গোলাপগঞ্জ মডেল থানায় একটি মামলা নং (৩৫/২০১২) দায়ের করেন হামলার শিকার হেলাল আহমদের পুত্র কাওছার আহমদ। তার দায়েরকৃত মামলায় আসামী করা হয় একই এলাকার মৃত নুনু মিয়ার দু’পুত্র তানভীর আহমদ শিপু, তালিম আহমদ দিপু, লিপু আহমদ সহ ৪জনকে। মামলা দায়েরের পর দীর্ঘ তদন্ত করে ২০১২সালের ৩১মে আদালতে চার্জশীট দাখিল করা হয়। এর পর ৯জনের সাক্ষ্যগ্রহন শেষে গত ২১ আগস্ট এ রায় ঘোষণা করা হয়। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে আআইনজীবি ছিলেন, এপিপি বিপ্লব কান্তি দে মাধব ও আসামীর পক্ষে আইনজীবি ছিলেন, মোহাম্মদ আব্দুল লতিফ। দন্ডপ্রাপ্ত আসামীরা বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন।

এই সংবাদটি 449 বার পঠিত হয়েছে

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ